
যখন প্রোস্টেট ক্যান্সার বৃদ্ধি পেতে থাকে তখন প্রাকৃতিকভাবেদেহের কিছু শ্বেত রক্ত কনিকা জমাট বেধে ক্যান্সারের কোষগুলোকে ধ্বংস করে। তবে, যেহেতু কোষগুলো খুব দ্রুততার সাথে বাড়তে থাকে তাই শ্বেত কণিকাগুলো তাদেরকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। এজন্য বিশেষজ্ঞরা চৌম্বক দ্বারা চার্জিত অতি ক্ষুদ্রকণাকে ইঞ্জেকশানের মাধ্যমে দেহে প্রবেশ করান, এই কণাগুলো মূলত চৌম্বকীয় বলের মাধ্যমে শ্বেত রক্ত কনিকাগুলোকে অতি দ্রুততার সাথে চলাচল করতে ও ক্যান্সারের কোষগুলো মারতে সাহায্য করে।
ন্যাশনাল ক্যান্সার রিসার্চ ইন্সটিটিউটের গবেষকরা আশা করছেন, আরো পাচ বছরের মধ্যেই,মানব দেহে নতুন এই পদ্ধতির সফল পরীক্ষা করা যাবে।
এই চিকিৎসা পদ্ধতির প্রবর্তক ডা.জেরিচার্ডসন বলেন-আমাদের এই নতুন প্রযুক্তির দ্বারা ম্যাক্রোফেজগুলো (শ্বেত রক্ত কণিকাগুলো) শুধুমাত্র প্রোস্টেট ক্যান্সারের কোষগুলোকেই ধ্বংস করবে, দেহের সুস্থ কোষের কোনো ক্ষতি করবে না।
পুরুষদের মধ্যে প্রোস্টেট ক্যান্সার মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। সম্প্রতি জরিপে দেখা গেছে, প্রতি বছর প্রোস্টেট ক্যান্সারে ৩৭০০০টি নতুন রোগীর সন্ধান পাওয়া যায় এবং তার মধ্যে ১০৭০০ জনের মৃত্যু হয়। তবে এই ক্যান্সারের প্রথম ধাপের চিকিৎসাইজীবন বাচাতে পারে।
সূত্রঃ ডেইলি মেইল
ফাতেমা মাহফুজ
| Tweet |