মধ্যপ্রাচ্যে নারী পাচার বৃদ্ধি পেয়েছে
ইরাকে মার্কিন আক্রমণের পর থেকেই মধ্যপ্রচ্যে মেয়ে শিশুও <নারী পাচার বৃদ্ধি পেয়েছে। সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্য ভিত্তিক লন্ডনের এক রিপোর্টে প্রকাশিত-এ যাবত পাচ হাজারের অধিকনারী ও মেয়েরা দুষ্কৃতিকারীদের হাতে পাচার হয়ে যৌন হয়রানীর স্বীকার হয়েছে। তাছাড়া নারী পাচারের র‍্যাংকিয়ে সিরিয়াপ্রথমএবং এরপরই জার্ডানের অবস্থানএই দুই দেশ তাদের সীমান্ত এলাকায় উদারতা অবলম্বন করে শরণার্থীদের শর্তসাপেক্ষে ভিসা দেয়

ইরাকের সংবিধানে নারী পাচার,দাসী প্রথাএবং এসংক্রান্ত ব্যবসা নিষিদ্ধ হওয়া সত্ত্বেও ইরাক সরকার এই ভয়াবহ পরিস্থিতি মোকাবেলায় ব্যর্থ হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে এমনও দেখাযায়,সরকারপাচারকারীদের ধরতে না পেরে, উল্টো ভুক্তভোগীদের শাস্তি দেয়।

সোস্যাল চেঞ্জ নামক সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক ইমাম আবু আত্তা বলেন-আরব বিশ্বে নারী পাচার সংক্রান্ত রিপোর্টটিকে একটা বরফচাকার চুড়ার সাথেতুলনা করা চলে। আমাদেরকে এই অপরাধের গভীরে পৌছতে হবে, অনুসন্ধান চালায়ে আন্তর্জাতিকভাবে সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে। যাতে সারা বিশ্ব, আরবে নারী পাচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায়

রিপোর্ট অনুযায়ী এসব পাচারকৃত নারীদের অধিক টাকায় বেশ্যাপল্লীতেবিক্রিকরে দেয়া হয়। অনেক মহিলারা পরিবার এবং কিছু প্রতিষ্ঠিত নেটওয়ার্কের মাধ্যমেওএইপেশায় জড়িয়ে পরে।

একজন সীমান্ত শরণার্থী লায়লা, তার অবস্থা বর্ণনাকরতে গিয়ে বলেন-শরণার্থী বিধায় নিজ দেশেই বৈধপদ্ধতিতে কাজ করার সুযোগ নেই, তার উপর আর্থিক সংকট। পরিবারে আর্থিকসাহায্যের জন্য আমার মা, আমাকে ১৪ বছর বয়সেই বেশ্যাহিসাবে নাইট ক্লাবে যাওয়ার জন্য চাপ দেয়

সিরিয়াও জার্ডানের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্নদেশ যেমন- কুয়েত, লেবানন, আরবমিরাতের সীমান্ত শরণার্থীরাও নারী পাচারের কাজে লিপ্ত।

সূত্রঃ ওমেনস ই নিউজ

ফাতেমা মাহফুজ