আমাদের কিংবা এখানে যারাই ছিলো তাদের,
শত বছর পেরিয়ে চিন্তার ভাঁজে হেঁটে বেড়ানো ঘুনোপোকাদের
সেই সাথে প্রিয়তার আলতা, সংযুক্ততার বিচ্ছিন্নতা
সবই মিলিয়ে যাওয়ার পথে।
কাছে, খুব কাছে, তবু বুঝি
কিছু নৈশব্দেরা চাঁদের কাছে খেলা করে
সময়ের প্রচ্ছন্ন ডানায় অহংকারী পা ফেলে আমাদের হেটে চলায়।
কান পাতলে, কেবলই রাবারের সাথে পীচের ঘর্ষণের শব্দ,
তারা করে ফেরে শহুরেপনা, কিংবা শেকড়ের আদিখ্যেতা।
টুপ করে খুলে পরে উড়ে যাওয়া মেঘের পর্দা,
তাঁর হাতে বাঁধা থাকে নাটাই।
খুব করে উড়ে উড়ে কেটে দিয়ে অন্যের বহু ঘুড়ি
শেষে স্বাধীন হওয়ার সরিসৃপ বাসনা
হামাগুড়ি দেয়া অমানবিকতার উচ্চহাস্যরস
কিংবা বিগলিত কল্পনার নিথর নিস্তরঙ্গায়ীত আবদ্ধ জলাশয়ে
মৃত্যুর প্রহড় গোনা কিছু ভাবনার মাছ।
নিরামিষে জঘন্য সব আমিষের আনাগোনা
থেমে থাকা অনুভুতির ডাক, পেছনে রেখে আসা স্বজনের স্বপ্নের লাশের মিছিল
একা, মাঠ পেরিয়ে তেপান্তরে, পায়ে ভালোবাসার লতাদের জড়িয়ে লতিয়ে ওঠা
একদিন জবাই হয়ে যাওয়া স্বাধীনতার খোঁজে আবার,
রাত করে, মহা রাত।
৯টা ৪২ (আস্তানা)
মাওলানা ভাষানীকে উৎসর্গীত