top3

প্রায় অকেজো অবস্থায় ইবির প্রধান ফটক সংলগ্ন টিউবওয়েল, চরম ভোগান্তিতে শিক্ষার্থী-দোকানি-পথচারী

Published

on

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) প্রধান ফটক সংলগ্ন একমাত্র টিউবওয়েলটি দীর্ঘদিন ধরে প্রায় অকেজো হয়ে পড়েছে। প্রায় তিন মাস ধরে বারবার বিকল হওয়ায় নিরাপদ পানির সংকটে পড়েছেন শিক্ষার্থী, পথচারী, প্রধান ফটকে দায়িত্ব পালনকারী আনসার সদস্য এবং আশপাশের দোকানিরা। প্রশাসনের পক্ষ থেকে কয়েক দফা মেরামত করা হলেও তা স্থায়ী সমাধান না হওয়ায় দুই-এক দিনের মধ্যেই আবার নষ্ট হয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের।

সরেজমিনে দেখা যায়, প্রধান ফটকের পাশে স্থাপিত টিউবওয়েলটি থেকে স্বাভাবিকভাবে পানি ওঠে না। কখনো একেবারেই পানি পাওয়া যায় না, আবার কখনো অল্প সময়ের জন্য সচল থাকলেও দ্রুত বিকল হয়ে পড়ে। ফলে তীব্র গরমে কিংবা দীর্ঘ সময় ক্যাম্পাসে অবস্থান করা শিক্ষার্থী ও পথচারীদের বিশুদ্ধ পানির জন্য চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাইফুল ইসলাম বলেন, “প্রধান ফটক দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করেন। এখানে একমাত্র পানির উৎস এই টিউবওয়েল। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই এটি নষ্ট থাকে। কয়েক দিন পরপর মেরামত করা হলেও আবার আগের অবস্থায় ফিরে যায়। স্থায়ীভাবে সমস্যার সমাধান না হলে ভোগান্তি থেকেই যাবে।”

প্রধান ফটকের সামনে ফল বিক্রেতা এক দোকানি বলেন, “আমরা দোকানের কাজে এবং খাওয়ার জন্য এই টিউবওয়েলের পানির ওপর নির্ভর করি। নষ্ট থাকলে অনেক দূর থেকে পানি আনতে হয়। এতে সময় যেমন নষ্ট হয়, তেমনি ব্যবসাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।”

প্রধান ফটকে দায়িত্ব পালনকারী এক আনসার সদস্য বলেন, “আমরা সারাদিন এখানেই দায়িত্ব পালন করি। পানি না থাকলে খুবই সমস্যায় পড়তে হয়। বিষয়টি একাধিকবার প্রশাসনকে জানিয়েছি। তারা লোক পাঠিয়ে মেরামতও করেছে। কিন্তু দুই দিন যেতে না যেতেই আবার নষ্ট হয়ে যায়। এতে একই সমস্যা বারবার তৈরি হচ্ছে।”

আরেক পথচারী বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রবেশপথে এমন একটি মৌলিক সেবার অবস্থা খুবই হতাশাজনক। বাইরে থেকে কেউ এলে বিশুদ্ধ পানির জন্য সমস্যায় পড়েন। দ্রুত স্থায়ী সমাধান করা প্রয়োজন।”

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের এস্টেট অফিস প্রধান মোহা. আলাউদ্দিন বলেন, “আমরা বিষয়টি অবগত হওয়ামাত্র প্রকৌশল অফিসে পাঠিয়ে দিয়েছি। বাকিটা প্রকৌশল অফিস জানে। প্রায় এক সপ্তাহ আগেই পাঠানো হয়েছে।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রকৌশলী এ. কে. এম শরীফ উদ্দীন বলেন, “কিছুদিন আগে আমরা এস্টেট অফিস থেকে একটি ফাইল পেয়েছি। যাচাই-বাছাই চলছে। যাচাই-বাছাই শেষে ঠিক করার জন্য চূড়ান্ত ও যাবতীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Trending

Exit mobile version