ইবি প্রতিনিধি
পাবনার ঈশ্বরদীতে এক বৃদ্ধা ও তার কিশোরী নাতনিকে অপহরণ করে ধর্ষণ পরবর্তী কুপিয়ে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গভীর শোক এবং তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) পাবনা জেলার অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের সংগঠন পাবনা জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতি।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সংগঠনটির প্রচার সম্পাদক সামিউল ইসলাম প্রেরিত এক প্রেস বিজ্ঞাপ্তিতে এ নিন্দা জানান নেতৃবৃন্দ। তারা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষ বিচারের দাবি জানান।
প্রেস বিজ্ঞাপ্তিতে জানানো হয়, শনিবার সকালে ঈশ্বরদী উপজেলার দাশুড়িয়া ইউনিয়নের ভবানিপুর উত্তরপাড়া গ্রাম থেকে ষাটোর্ধ্ব বৃদ্ধা সুফিয়া বেগমকে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এরপর তার নাতনি দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী জামিলা আক্তারকে অপহরণ করে নিয়ে যায় তারা। জাতীয় দৈনিক পত্রিকা প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী সকালে বাড়ির পাশে একটি সরিষাখেত থেকে ওই কিশোরীর বিবস্ত্র মৃতদেহ উদ্ধার করা হয় বলে জানা যায়।
এ বিষয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের পাবনা জেলা কল্যাণ সমিতি’র সভাপতি সৈয়দ ওয়ালি উল্লাহ ও সাধারণ সম্পাদক শাকিল আহমেদ এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, পাবনার ঈশ্বরদীতে সংঘটিত দাদীকে হত্যা ও নাতনির ওপর পাশবিক নির্যাতনের ঘটনায় আমরা গভীরভাবে শোক, ক্ষোভ ও তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। এমন নৃশংস ঘটনা আমাদের মানবিক মূল্যবোধ, সামাজিক নিরাপত্তা ও নৈতিক চেতনাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।
তারা বলেন, এই ধরনের ঘৃণ্য অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনতে হবে। আমরা নিরপেক্ষ ও দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদেও সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলঅ রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানাই। আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি পাবনায় যেন ভবিষ্যতে কেউ এ ধরনের নৃশংস ঘটনা ঘটানোর সাহস না পায়- সেজন্য অপরাধীদের এমন শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে, যা সমাজে শক্ত বার্তা প্রদান করবে।একই সাথে আমরা সমাজের সকল স্তরের মানুষের নৈতিকতা, মানবিকতা ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিও জন্য এগিয়ে আসার আহ্বান জানাই। পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠনগুলোর সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই এ ধরনের অপরাধ প্রতিরোধ করা সম্ভব।