আন্তর্জাতিক ডেস্ক
দখলদার ইসরাইলী বাহিনীর গণহত্যার কারণে দীর্ঘ দুই বছর ধরে শিক্ষাজীবন থেমে থাকার পর ধ্বংসস্তূপে পরিণত ভবনের অভ্যন্তরে সশরীরে শিক্ষা কার্যক্রমে ফিরতে শুরু করেছে গাজার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়। সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি।
গত শনিবার (২৯ নভেম্বর) আংশিকভাবে পুনরুদ্ধার হওয়া এবং ফাটল ধরা দেয়ালের মধ্যেই ক্লাস শুরু করেছে শিক্ষার্থীরা। যা যুদ্ধের ক্ষতি সত্ত্বেও গাজার মানুষের শিক্ষা এবং জীবন পুনরুদ্ধারের দৃঢ় সংকল্পকে তুলে ধরছে।
গাজার মিডিয়া অফিসের সূত্রে জানা যায়, ইসরাইলি আগ্রাসনের কারণে ১৬৫টি স্কুল, বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ধ্বংস হয়েছে এবং ৩৯২টি আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা গাজার শিক্ষা খাতকে ‘পঙ্গু’ করে রেখেছে।
এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবনের কিছু অংশে শত শত বাস্তুচ্যুত পরিবারকে ঠাঁই দেওয়া হয়েছে, যাদের বাড়িঘর ইসরাইলি আগ্রাসনের সময় ধ্বংস হয়েছে এবং অন্য কোথাও আশ্রয় নেই। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এই পরিস্থিতির জন্য সমাধান খুঁজছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবাসনের ব্যবস্থা করার জন্য আবেদন করেছে।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি আসাদ ইউসুফ আসাদ ধীরে ধীরে শিক্ষাদানে ফিরতে যাওয়ার কথাটি তুলে ধরে বলেন, আজ একটি ঐতিহাসিক দিন। গণহত্যার ফলে সৃষ্ট ট্র্যাজেডি ও নিষ্ঠুরতা সত্ত্বেও আমরা শিক্ষা কার্যক্রমে ফিরে আসছি। সবাই জানে, ফিলিস্তিনিরা জীবন এবং শিক্ষা নিয়ে অত্যন্ত ভালোবাসা ও আবেগের সাথে থাকে।