top3

গোয়ায় নারী সাফ শুরু আজ

Published

on

আজ আবার আরেকটি সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু হচ্ছে। নারী সাফের অষ্টম আসর ভারতের গোয়ায় শুরু হবে। ২০১০ সালে বাংলাদেশের কক্সবাজারে প্রথম সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ হয়েছিল। এরপর শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান ও ভারত হয়ে নেপালে গত তিনটি নারী সাফের আসর অনুষ্ঠিত হয়। তিন আসর পরে আবার ভারতে ফিরেছে নারী সাফ। আটটি আসরের মধ্যে ভারত চ্যাম্পিয়ন হয়েছে পাঁচ বার, বাংলাদেশ তিন বার ফাইনাল খেলেছে। গত দুই বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। সবচেয়ে দুর্ভাগা হচ্ছে নেপাল। আট আসরের মধ্যে নেপাল ছয় বার ফাইনাল খেলে এক বারও ট্রফি জিততে পারেনি।

এবার কঠিন চ্যালেঞ্জ বাংলাদেশের জন্য। হ্যাটটিক শিরোপার মিশন। ভারতও কঠিন অবস্থান নিয়েছে। তারাও ছাড়বে না। হারানো গৌরব ফিরে পেতে মরিয়া। পাকিস্তান নেই। বাকি ছয় দেশ খেলছে নারী সাফ। আজ উদ্বোধনী খেলা হলেও বাংলাদেশ নামবে আগামীকাল। প্রচণ্ড গরম। শরীরে ফুটছে। কলকাতায়ও খুব গরম, কলকাতা থেকে আনন্দবাজার পত্রিকার সাবেক ক্রীড়া সম্পাদক রূ পক সাহা কলকাতা থেকে গতকাল সকালে ফোনে জানিয়েছেন, ‘গরমে চলাফেরা করাই কঠিন হয়ে গেছে।’ ভারত ও বাংলাদেশের তাপমাত্রা প্রায় একই। বিকালে ঢাকায় প্রচণ্ড বৃষ্টি হলেও কলকাতায় যাওয়া বাংলাদেশের ক্রীড়া সাংবাদিকরা জানালেন, কলকাতায় বৃষ্টি হয়নি। সন্ধ্যার পর খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গোয়ায় প্রচণ্ড গরম। বৃষ্টির খবর নেই।

বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল অবস্থান করছে গোয়ার শহর থেকে দূরে। প্রায় ১৫ কিলোমিটার। একটি রিসোর্টে রয়েছে বাংলাদেশ, নেপাল ও ভারত। জানা গেছে একেবারে জঙ্গলের মধ্যে রয়েছে। পরিবেশ অনেকটাই জঙ্গলের মতো। গাছগাছালিতে ভরা। গাজীপুরে বনের ভেতরে যেভাবে রিসোর্ট গড়ে তোলা হয়েছে, ভারতের গোয়ায় বাংলাদেশ নারী দলের রিসোর্টও অনেকটাই সেরকম পরিবেশে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। একটা কিছু কিনতে হলে ২ হাজার রুপি ট্যাকসি ভাড়া দিয়ে যেতে হয়। উবার নেই। অন্যান্য ট্যাকসি আছে। ভাড়া বেশি।

নারী ফুটবল দল গতকাল সি বিচে অনুশীলন করেছে। ছয় জন করে ফুটবলার ভাগ হয়ে খেলেছেন। বালুর ওপর অনুশীলন করলে খেলোয়াড়দের স্ট্যামিনা বৃদ্ধি পায়; ক্ষীপ্রতা বাড়ে।

সাফের নতুন অধিনায়ক মারিয়া বলেন, ‘আসলে বিগত দিনগুলোতে আমরা খেলে আসছি, আমরা জানি সব টিমই অনেক ভালো। তাই চাপ তো থাকবেই। কারণ এখন নতুন করে আবার সাফ শুরু হচ্ছে। তবে আমরা চেষ্টা করব আমাদের সর্বোচ্চটা দিয়ে খেলার।’

অন্য এক প্রশ্নের জবাবে অধিনায়ক বলেন, ‘ফুটবলে ম্যাচ বাই ম্যাচ বা ধাপে ধাপে এগোনোর কৌশলটি বেশ পুরোনো এবং কার্যকর। অতিরিক্ত প্রত্যাশার চাপ যেন হিতে বিপরীত না হয়। টানা তিন বার শিরোপার লড়াইয়ে আসাটা আমাদের জন্য অনেক বড় একটা চ্যালেঞ্জ। তবে আমরা আমাদের স্বাভাবিক খেলাটাই খেলার চেষ্টা করব এবং ম্যাচ বাই ম্যাচ ভালো করার চেষ্টা করব।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Trending

Exit mobile version