ক্যাম্পাস

জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতাকর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে ইবিতে মানববন্ধন

Published

on

ইবি প্রতিনিধি

সারাদেশে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও জুলাইয়ের সম্মুখসারীর নেতাকর্মীদের ওপর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর অঙ্গসংগঠন কর্তৃক সংঘটিত ন্যক্কারজনক ও নৃশংস সন্ত্রাসী হামলা-নির্যাতনের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন (বৈছাআ)।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) বাদ জুমা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনে এ মানববন্ধন করেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা।

এ সময় মানববন্ধনকারীদের ‘আলিফের চোখ ফিরিয়ে দে, নইলে গদি ছেড়ে দে’, ‘তারেক জিয়া জানে না, বিপ্লবীরা হারে না’, ‘তারেক জিয়া হাসিনা, ফ্যাসিবাদ মানি না’সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায়।

শাখা বৈছাআর যুগ্ম সদস্যসচিব বাঁধন বিশ্বাস স্পর্শ বলেন, “জুলাইয়ের সম্মুখসারীর নেতাকর্মীদের ওপর সংঘবদ্ধ হামলা এবং নারী নেত্রীর ওপর পুরুষ পুলিশের হাত তোলা—এই আইন কোথায় পেয়েছেন? প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এখনও চুপ করে আছেন কেন? আসলে কুকুরের গায়ে যদি বাঘের চামড়া বসান, কখনো কুকুর বাঘ হয় না; কুকুর কুকুরই থেকে যায়। হাসিনা ১৭ বছরে যা করেছে, বিএনপি পাঁচ মাসের মাথায় তাই করছে। আমরা এই ধরনের আক্রমণের তীব্র সমালোচনা ও প্রতিবাদ জানাই। এই সহিংসতার পেছনে সরকারের প্রত্যক্ষ ইন্ধন রয়েছে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এনসিপির ৩ দফা দাবি মেনে নিয়ে বিপ্লবী জনগণের কাছে সরকারকে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানাই।”

মানববন্ধনে শাখা বৈছাআর সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব মুবাশশির আমিন বলেন, “জুলাই আন্দোলনের দুই বছর অতিক্রম হওয়ার পর দুঃখের সঙ্গে বলতে হচ্ছে, বাংলাদেশের আপামর জনতা যে ফ্যাসিবাদমুক্ত দেশ গঠন করতে চেয়েছিল, সেই বাংলাদেশ আমরা পাইনি। গত ২৮ জুলাই হবিগঞ্জ জেলায় ১৮ বছরের যুবক আলিফের বাম চোখে রড দিয়ে আঘাত করেই ক্ষান্ত হয়নি, তার চোখটিও নষ্ট করে দিয়েছে। বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের পুনরাবৃত্তি হয়েছে, ফিরে এসেছে নব্য ফ্যাসিবাদ।”

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, “আপনি বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গিয়ে শিক্ষার্থীদের যে মেকি ভালোবাসা প্রদর্শন করেন, আপনার ভেতরে আসলেই ভালোবাসা রয়েছে, নাকি সন্ত্রাস বসবাস করছে—তা আলিফের বাম চোখ হারানোর ঘটনার পরই বুঝতে পারছি। আপনারা ছাত্রদলকে পেটুয়া বাহিনী হিসেবে তৈরি করেছেন।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Trending

Exit mobile version