top1

নির্বাচনের পরিবেশ ব্যাহতকারীদের প্রতি ‘মানবিক হওয়ার দরকার নেই’: ইসি সানাউল্লাহ

Published

on

নির্বাচনি পরিবেশকে ব্যাহত করে এমন কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর হতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল সানাউল্লাহ।নির্বাচনের আগে সহিংসতাকারীদের হুঁশিয়ার করে তিনি বলেন, “আমরা মানবিক হব, কিন্তু যারা ভাঙচুর, সহিংসতা, হত্যা করে, তাদের প্রতি মানবিক হওয়ার দরকার নেই। মেসেজ ইজ ভেরি ক্লিয়ার।”নির্বাচন ভবনে রবিবার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রধানদের সঙ্গে বৈঠকে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও নির্দেশনা দেওয়ার কথা বলেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বৈঠক শেষে বিফ্রিংয়ে ইসির তরফে এসব বিষয় তুলে ধরা হয়।আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে আয়োজনে তফসিল ঘোষণার পর আইনশৃঙ্খলা বিষয়ে এটি ইসির দ্বিতীয় বৈঠক। এদিন সিইসি এএমএম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে বিকালের সভায় চার নির্বাচন কমিশনার, ইসি সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে এদিন দুপুর ১২টায় তিন বাহিনীর প্রধানের সঙ্গে বৈঠক করেন সিইসিসহ নির্বাচন কমিশনাররা।ইসির দাবি সার্বিকভাবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, যারা নির্বাচনকে যারা বিঘ্নিত করতে চায় তাদের চিহ্নিত করা হয়েছে।নির্বাচন ভবনে এদিন সন্ধ্যায় আয়োজিত ব্রিফিংয়ে নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল সানাউল্লাহ বলেন, “আগস্টের পর থেকে মানবিক পুলিশিংয়ের নির্দেশনা ছিল। কিন্তু কেউ কেউ সেই মানবিকতার সুযোগ নিয়ে সহিংসতা চালিয়েছে। এবার আর সেই সুযোগ দেওয়া হবে না।”জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সম্মুখ সারির মুখ এবং সাংস্কৃতিক প্লাটফর্ম শরিফ ওসমান বিন হাদির হত্যাকাণ্ড ‘আমাদের জাতীয়ভাবে নাড়া দিয়েছে’ বলে উল্লেখ করেন এই নির্বাচন কমিশনার। তিনি বলেন, “এ শোককে শক্তিতে রূপান্তর করে সামনে এগিয়ে যেতে হবে। যারা নির্বাচনকে আন্ডারমাইন করতে চায়, তারা ব্যর্থ হবে।”নির্বাচন কমিশনার বলেন, এ হত্যাকাণ্ডে ছয়জনকে আটক করা হয়েছে। মূল তিন অভিযুক্তের মধ্যে দুজন ধরা পড়েছে, একজন পলাতক।“কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। কেউ যেন পালাতে না পারে, সে জন্য গোয়েন্দা সংস্থাসহ বাহিনীসমূহকে সতর্ক করা হয়েছে” বলেন সানাউল্লাহ।তিনি বলেন, “যারা দস্যুতা করতে চায়, যারা আমার ভাইকে হত্যা করতে চায়, যারা ভোটে বিশৃঙ্খলা করতে চায়, তাদের প্রতি মানবিক হব না। এই বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দেওয়া হবে। যারা আবেগ ব্যবহার করে অপকর্ম করেছে, তার প্রতিদান তিনি পাবেন।”নির্বাচনের পরিবেশ ক্ষতি করে এমন বিষয়কে কমিশন বাধা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে বলে জানান এই কমিশনার। তিনি বলেন, “এখন থেকে মাঠ পর্যায়ে যৌথ বাহিনীর অভিযান চালু হবে। তাদের অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও আটক শুরু হবে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে পুলিশের পক্ষ থেকে।” 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Trending

Exit mobile version