মাঠের পারফরম্যান্সে সেই চেনা দাপট উধাও, পরিবর্তে যোগ হয়েছে একরাশ হতাশা। ঘরের মাঠ সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে জিরোনার বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করে লা লিগার শিরোপা লড়াই থেকে আরও পিছিয়ে পড়ল রিয়াল মাদ্রিদ। গত সপ্তাহে মায়োর্কার কাছে হার এবং চ্যাম্পিয়নস লিগে বায়ার্ন মিউনিখের কাছে পরাজয়ের পর জিরোনার বিপক্ষে এই ড্র কোচ আলভারো আরবেলোয়ার ওপর চাপ আরও বাড়িয়ে দিল।
মায়োর্কার বিপক্ষে পরীক্ষার ফল হাতেনাতে পাওয়ার পর জিরোনার বিপক্ষে পূর্ণ শক্তির দলই নামিয়েছিলেন আরবেলোয়া। কিলিয়ান এমবাপ্পে, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র এবং জুড বেলিংহামদের মতো মহাতারকারা মাঠে থাকলেও প্রথমার্ধে কোনো যাদু দেখাতে পারেননি তাঁরা। পুরো ম্যাচে রিয়াল ২২টি শট নিলেও তার মধ্যে কেবল ৯টি ছিল লক্ষ্যে, যার মধ্যে মাত্র একটি জালের দেখা পেয়েছে।
বিরতির পর ম্যাচে কিছুটা গতি ফিরলেও জিরোনার গোলটি রিয়াল শিবিরের আত্মবিশ্বাস টলিয়ে দেয়। সমতায় ফেরার পর স্বাগতিকরা গোল পেতে মরিয়া হয়ে লড়লেও জিরোনার রক্ষণ ভাঙতে ব্যর্থ হয়। ম্যাচ শেষে বার্নাব্যুর গ্যালারি থেকে দুয়োধ্বনি শুনেই মাঠ ছাড়তে হয়েছে এমবাপ্পে-বেলিংহামদের।
লা লিগায় এখন হাতে আছে মাত্র সাতটি ম্যাচ। বর্তমানে যে পয়েন্ট ব্যবধান আর রিয়ালের যে ছন্নছাড়া ফর্ম, তাতে শিরোপা ধরে রাখার দৌড়ে বার্সেলোনা এখন চালকের আসনে। ডাগআউটে জাভি হার্নান্দেজের দল যখন উড়ছে, তখন গত জানুয়ারিতে জাভি আলোনসোর স্থলাভিষিক্ত হওয়া আরবেলোয়ার ভবিষ্যৎ এখন সুতোয় ঝুলছে। তাঁর অধীনে তিনটি বড় হার এবং ইউরোপীয় মঞ্চে নড়বড়ে পারফরম্যান্স সমর্থকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে।
এখন রিয়ালের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বুধবারের চ্যাম্পিয়নস লিগের ফিরতি লেগ। বায়ার্ন মিউনিখের মাঠে ঘুরে দাঁড়াতে না পারলে মৌসুমের অন্যতম বড় স্বপ্নভঙ্গ হতে পারে লস ব্লাঙ্কোসদের। ঘরোয়া আর মহাদেশীয়—দুই ফ্রন্টেই এখন অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ে আরবেলোয়ার দল