যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর হামলায় ইরানে প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ১২৩০ জনে দাঁড়িয়েছে। গত ছয় দিন ধরে দেশটিতে চলা দফায় দফায় হামলায় আহত হয়েছেন আরও হাজার হাজার মানুষ।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা এ খবর দিয়েছে বলে আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানে আগ্রাসন শুরু করে। তখনও ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও অন্যান্য ইস্যু নিয়ে আলোচনা চলছিল। এসব আলোচনায় ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সীমিত করা এবং আঞ্চলিক সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে সহায়তা বন্ধ করার বিষয়ও ছিল বলে জানা যায়।
হামলার জবাবে ইরান পুরো মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। হামলায় ইসরাইলের পাশাপাশি বাহরাইন, সৌদি আরব, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইরাকে থাকা মার্কিন ঘাঁটি ও সামরিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়।
বৃহস্পতিবার ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী দাবি করেছে, তারা কুয়েত, বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের ২০টি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে উল্লেখ্যযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি করেছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইচ্ছাকৃতভাবে বেসামরিক এলাকা লক্ষ্যবস্তু করছে বলে অভিযোগ করেছে ইরান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেয়া পোস্টে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, ‘আমাদের জনগণকে নির্মমভাবে হত্যা করা হচ্ছে, কারণ আগ্রাসনকারী ইচ্ছাকৃতভাবে বেসামরিক এলাকাগুলো লক্ষ্যবস্তু করছে।