যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে হামলে পড়ার পর বিশ্বে তেলের বাজার অস্থির হয়ে পড়ে। তেল পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তেলের দাম আকস্মিকভাবে বেড়ে যায়। এমতাবস্থায় বাংলাদেশ তেল সরবরাহে রেশনিং পদ্ধতি চালু করে। তবে আজ গণপরিবহনকে তেল পাওয়ার ক্ষেত্রে সুখবর দিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি জানিয়েছেন, আজ থেকে রেশনিং পদ্ধতি থাকছে না। রাত থেকেই পর্যাপ্ত তেল পাবে গণপরিবহন।
আজ শনিবার, ১৪ মার্চ রাজধানীর গুলিস্তানে সেতুমন্ত্রী এ কথা জানান। মন্ত্রী বলেন, ‘দূরপাল্লা ও গণপরিবহনে তেলের রেশনিং আজ (শনিবার) রাত থেকে থাকছে না। রাত থেকে পর্যাপ্ত তেল পাবে বাসগুলো।’ মন্ত্রী গণপরিবহনের কথা বললেও ব্যক্তিগত গাড়ির বিষয়ে কোনো তথ্য দেননি।
যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে জ্বালানি সাশ্রয়ে গত ৬ মার্চ ফিলিং স্টেশন থেকে যানবাহনে তেল সরবরাহের সীমা বেঁধে দেয় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। ওই নির্দেশনা অনুযায়ী একটি মোটরসাইকেলে দিনে ২ লিটার পেট্রল বা অকটেন নেওয়া যাচ্ছে। ব্যক্তিগত গাড়ির ক্ষেত্রে নেওয়া যাচ্ছে সর্বোচ্চ ১০ লিটার তেল।
এ ছাড়া মাইক্রোবাস দিনে পাচ্ছে ২০ থেকে ২৫ লিটার তেল। পিকআপ বা লোকাল বাস দিনে ডিজেল নিতে পারছে ৭০ থেকে ৮০ লিটার। আর দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান বা কনটেইনার ট্রাক দৈনিক ২০০ থেকে ২২০ লিটার তেল নিতে পারছে।