top3

সাজিদ হত্যার বিচারহীনতার এক বছর: হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডারস সোসাইটির উদ্বেগ

Published

on

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আল কুরআন অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী সাজিদ আব্দুল্লাহ হত্যাকাণ্ডের এক বছরেও অপরাধীদের চিহ্নিত ও বিচার নিশ্চিত না হওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ইবি শাখা হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডারস সোসাইটি (এইচআরডিএস)।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) সংগঠনটির সভাপতি আলী আহসান মুহাম্মদ জুবাইর ও সাধারণ সম্পাদক মো. খাদেমুল ইসলাম এক যৌথ বিবৃতি দেন, এইচআরডিএস এর দপ্তর সম্পাদক মানিক হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

বিবৃতিতে মানবাধিকারকর্মীদ্বয় বলেন, গত বছরের ১৭ জুলাই বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহ আজিজুর রহমান হল সংলগ্ন পুকুর থেকে সাজিদ আব্দুল্লাহর লাশ উদ্ধার করা হয়। ভিসেরা রিপোর্ট অনুযায়ী, তাকে নির্মমভাবে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়, যা দেশজুড়ে চরম ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি করেছিল। ঘটনার পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত বিচারের আশ্বাস দিলেও, গত এক বছরে তদন্ত প্রক্রিয়া ও আইনি কার্যক্রমে স্থবিরতা লক্ষ্য করা গেছে। একটি স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে একজন শিক্ষার্থীর এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রক্রিয়া এক বছরেও ঝুলে থাকা অত্যন্ত বেদনাদায়ক এবং ন্যায়বিচারের পরিপন্থী। বিচারহীনতার এই সংস্কৃতি অপরাধীদের যেমন উৎসাহিত করে, তেমনি ভুক্তভোগী পরিবার ও সাধারণ জনগণের মনে বিচার ব্যবস্থার প্রতি চরম অনাস্থা তৈরি করে।

তারা আরো বলেন, কোনো হত্যাকাণ্ড বা অপরাধের বিচার দীর্ঘসূত্রতার বেড়াজালে আটকে থাকা নাগরিকের মৌলিক অধিকার ও মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। সাজিদের পরিবার দীর্ঘদিন ধরে যে মানসিক যন্ত্রণা ও ন্যায়বিচারের আকুতি নিয়ে দিন কাটাচ্ছে, তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এছাড়া এরূপ অপ্রত্যাশিত ঘটনা শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ও নিরাপত্তার জন্য হুমকি স্বরূপ।

বিবৃতিতে প্রশাসনকে উদ্দেশ্য করে বলেন, শিক্ষাঙ্গনে সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও মানবাধিকার রক্ষায় অবিলম্বে সাজিদ আব্দুল্লাহ হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও দ্রুত তদন্ত সম্পন্ন করে অপরাধীদের চিহ্নিত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জোর দাবি জানাচ্ছি। এছাড়াও ভুক্তভোগী পরিবারকে প্রয়োজনীয় আইনি ও নিরাপত্তা সহায়তা প্রদানের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানায় হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডারস সোসাইটি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Trending

Exit mobile version