প্রিয় অভিমান

তোমার সাথে অভিযোগ অন্তহীন
অনন্তকালের অনুযোগে ভরা অভিমান।

তুমি হয়তো জানোই,
চিরকালই আমার শব্দের অভাব,
কিছু বলতে না পারাটাই স্বভাব।

তুমি হয়তো জানোই,
অগোছালো শব্দে আরো
একটি চিঠি লেখা হয়।

না বলা কতশত কথা যে লিখি
অসমাপ্ত জীবনের কত ছবি যে আঁকি।
কেউ জানুক আঁক নাইবা জানুক
মনের অন্তরালে আজো তোমায় আগলে রাখি।

যখন আকাশ ভেঙে বৃষ্টি নামে
আমারও চোখ ভরে উঠে জলে।

নিজেকে প্রশ্ন করি
কেন এমন হয়?
কোন উত্তর জানা নেই,
তবুও এমনই হয়।

নিজের সাথে নিজেই বলি
কতশত যোগ -বিয়োগ করি।
কত যে নির্ঘুম রাত পেরিয়ে
অমল -ধবল ভোর স্নাত হতে দেখি।

তাতে কার কিইবা আসে -যায় বল?
তোমারই বা তাতে কি হয়!

যত চিঠি লিখেছি
হয়তো ঠিকানাবিহীন খামে ভরেছি,
নয়তো ভুল ঠিকানায় লিখেছি,
তাই হয়তো পওছেনি তোমার কাছে।

প্রিয় অভিমান

জমা হয়েছে ঘৃণার পাহাড়,
অনক অমানিশার
পথ ধরে হেঁটেছি জীবন ভর।
তবুও ছিল স্বপ্ন সীমাহীন।

যতদিন না চলে যাবো
না ফেরার দেশে
তার অগে হয়তো
কোনদিন দেখা হবে।

যখন নিমলিত চোখের
জল গড়াতে থাকবে
চোখের পাতাটি আঙ্গুলের
চাপে মিলিয়ে দিতে দিতে
অনেক ভালবাসি, ভা ল বা সি
সে সময় হয়তো বলবে।

না ফেরার দেশে
চলে যেতে যেতে
জানি না শান্তি পাবে কিনা এ আত্মা এ প্রাণ
যে ছিল তোমারই জন্য অন্তপ্রাণ।

লেখিকা -মফিদা আকবর ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here