1. maruf.jhenaidah85@gmail.com : maruf :
  2. info@jhenaidah-protidin.com : shishir :
  3. talha@gmail.com : talha : Md Abu Talha Rasel
  4. : :
৩রা মার্চ, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ| ১৯শে ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ| বসন্তকাল| রবিবার| সকাল ১১:১৫|

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে বলেন গিনেজ বুকে স্বীকৃতি চায় চট্টগ্রামের জশনে জুলুসে ঈদ-এ মিলাদুন্নবী (সাঃ)।

চট্টগ্রাম জেলার প্রতিনিধি সাহেদ হাসান তালুকদার
  • Update Time : শুক্রবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ৩৪৬ Time View

ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) উপলক্ষে চট্টগ্রামে অর্ধশত বছর ধরে আয়োজন করা হচ্ছে জশনে জুলুস। ঐতিহ্যবাহী এই আয়োজনে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন অর্ধকোটি ধর্মপ্রাণ মুসলামান। দিন দিন এ সংখ্যা বাড়বে বলে জানিয়েছেন আয়োজন সংশ্লিষ্টরা। তাই একে বিশ্বের সর্ববৃহৎ জুলুস দাবি করে বিশ্ব ঐতিহ্য এবং গিনেজ বুক অব ওয়ার্ল্ডে স্বীকৃতি দেয়ার দাবি জানিয়েছে আনজুমান-এ রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্ট। গিনেজ বুকে জায়গা হলে তা শুধু জুলুস নয়, পুরো চট্টগ্রাম সম্মানিত হবে। সেই লক্ষ্যে চলছে আবেদনের প্রক্রিয়া। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব মিলনায়তনে জশনে জুলুস ও ঈদ-এ মিলাদুন্নবী (সাঃ) সফল করতে আনজুমান-এ রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্ট আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান আনজুমান-এ রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্টের সেক্রেটারি জেনারেল আলহাজ মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জশনে জুলুস’র প্রতিষ্ঠাতা রুপকার আল্লামা তৈয়্যব শাহ্ হুজুর স্বয়ং ১৯৭৬ সনে চট্টগ্রামের জশনে জুলুসে নেতৃত্ব দেন এবং তাঁর শুভাগমন ও নেতৃত্বের প্রভাবে জশনে জুলুস পায় ব্যাপক জনপ্রিয়তা। এভাবে ১৯৭৬ থেকে ১৯৮৬ পর্যন্ত গাউসে জামান তৈয়ার শাহ্ হুজুরের নেতৃত্বে জশনে জুলুস জনসমুদ্রে রূপ নিতে থাকে। ১৯৮৭ থেকে তিনি বাংলাদেশে আর আসেননি। এরপর থেকে জশনে জুলুসের নেতৃত্বে আসেন তাঁরই সাজ্জাদানশীন হুজুর কেবলা সৈয়্যদ মুহাম্মাদ তাহের শাহ্ মাদ্দাজিলুহুল আলী। মাঝখানে কয়েকবার ছাড়া অন্তত ৩৪ টি জুলুসের নেতৃত্বে ছিলেন হযরত আল্লামা তাহের শাহ্ হুজুর। এবার হবে তাঁর ৩৫ তম নেতৃত্ব, এবং এবারের জুলুসটি হবে ৫১ তম আয়োজন। ইনশাআল্লাহ, এবারও গতবারের ৫০ তম জুলুসের মতো, তাঁর সাথে প্রধান মেহেমান থাকবেন দরবারে আলীয়া কাদেরিয়া সিরিকোট শরীফের অপর সাজ্জাদানশীন পীর আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মাদ সাবির শাহ্ মাদ্দাজিল্লুহুল আলী এবং বিশেষ মেহেমান শাহজাদা আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মাদ কাসেম শাহ্ মাদ্দাজিল্লুহুল আলী।

আগামী বৃহস্পতিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টায় ষোলশহরস্থ আলমগীর খানকাহ শরীফ থেকে জুলুস বের হয়ে নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া কামিল মাদরাসা সংলগ্ন জুলুস ময়দানে এসে ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) মাহফিলে অংশগ্রহণ, সালাতু সালাম ও মোনাজাত শেষে জুলুসের সমাপ্তি হবে। এর আগে সোমবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মোহাম্মদপুর কাদেরিয়া তৈয়্যবিয়া মাদ্‌রাসা থেকেও জুলুস বের করা হবে। লিখিত বক্তব্যে জুলুসকে সফল করতে সকলের সহযোগিতা কামনা করে বলা হয়, “বাংলাদেশে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আয়োজিত বেসরকারি পর্যায়ের সর্ববৃহৎ অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে আনজুমান এ রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্ট। দিবসটিকে উদযাপনের জন্য আনজুমান-এ রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্ট ১৯৭৪ থেকে চট্টগ্রামে সর্বপ্রথম জশনে জুলুস’ শুরু করে, যা বর্তমানে সমগ্র দেশে জনপ্রিয়তা পেয়েছে। আনজুমান ট্রাস্ট আয়োজিত জশনে জুলুসটি বর্তমানে চট্টগ্রামের ইতিহাস-ঐতিহ্যের নিদর্শন হিসেবে গণ্য হচ্ছে। চট্টগ্রামের মানুষ সারাবছর ধরে অপেক্ষায় থাকে কখন আসবে ১২ রবিউল আউয়াল। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, দীর্ঘ পাঁচ দশকে জশনে জুলুস শুধু বাংলাদেশের প্রতিটি জনপদে উদযাপন হচ্ছে তা নয় বরং বিশ্বের শতাধিক রাষ্ট্রে এখন মিলাদুন্নবী (সাঃ) উদযাপনের অন্যতম আকর্ষণে পরিণত হয়েছে জশনে জুলুস। আয়োজন যাতে সুশৃঙ্খল ও নির্বিঘ্ন হয় সেজন্য গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ এবং আনজুমান সিকিউরিটি ফোর্সের অন্তত পাঁচ হাজারের মতো স্বেচ্ছাসেবক জুলুসে দায়িত্ব পালন করবে। এই বিশাল জশনে জুলুসে আগতদের সেবায় জেলা প্রশাসন, সিটি কর্পোরেশন, সিডিএ, ওয়াসা, বিদ্যুৎ, পরিবহন সংস্থাসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহায়তা কামনা করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন কেন্দ্রীয় গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব এড. মোছাহেব উদ্দিন বখতিয়ার। এতে আরো উপস্থিত ছিলেন আনজুমান এ রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্ট’র এডিশনাল জেনারেল সেক্রেটারি ও জুলুস সাব-কমিটির আহ্বায়ক মোহাম্মদ সামশুদ্দিন, ফাইন্যান্স সেক্রেটারি মুহাম্মদ এনামুল হক বাচ্চু, অর্গানাইজিং সেক্রেটারি মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম, গাউসিয়া কমিটির কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান পেয়ার মোহাম্মদ (সাবেক কমিশনার), জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া কামিল মাদ্রাসার চেয়ারম্যান প্রফেসর আবুল মহসিন মো. ইয়াহিয়া খান, অধ্যক্ষ আল্লামা হাফেজ মুহাম্মদ আবদুল আলীম রেজভী, পিএইচপি ফ্যামিলির প্রতিনিধি মুহাম্মদ দিলশাদ, মহানগরের সহ-সভাপতি ছাবের আহমদ, চট্টগ্রাম মহানগর সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আবদুল্লাহ্, চট্টগ্রাম উত্তর জেলার সম্পাদক এড. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার সম্পাদক মাস্টার মুহাম্মদ হাবিবুল্লাহ, মিডিয়া কমিটির সদস্য অধ্যক্ষ আবু তালেব বেলাল, মুহাম্মদ মনছুরুর রহমান, আ ন ম তৈয়ব আলী, সাইফুল আলম সিদ্দিকী, চট্টগ্রাম উত্তর জেলার প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আলহাজ্ব আহসান হাবীব চৌধুরী হাসান, আবু নাসের রনি, এরশাদ খতিবী প্রমুখ।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2021