1. maruf.jhenaidah85@gmail.com : maruf :
  2. info@jhenaidah-protidin.com : shishir :
  3. talha@gmail.com : talha : Md Abu Talha Rasel
  4. : :
৩রা মার্চ, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ| ১৯শে ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ| বসন্তকাল| রবিবার| সকাল ১০:৫৪|

নলছিটির শতবর্ষ পুরনো অবহেলিত একটি রাস্তা,পাকা করার দাবি এলাকাবাসীর।

তাইফুর রহমান,(নলছিটি) ঝালকাঠি প্রতিনিধি
  • Update Time : শনিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ২১২ Time View

ঝালকাঠির নলছিটি পৌরসভার কান্ডপাশা-ভাঙ্গাদেউলা (মল্লিকবাড়ি)- শংকরপাশা যাওয়ার শতবর্ষ পুরনো রাস্তা এটি।এর এক প্রান্ত নলছিটি -বরিশাল আঞ্চলিক মহাসড়ক থেকে মল্লিকবাড়ি হয়ে কান্ডপাশা বটতলা -শংকরপাশা যাওয়ার রাস্তার সাথে মিলেছে।দৈর্ঘ্যে প্রায় এক কিলোমিটার রাস্তার পুরোটাই কাচা।দীর্ঘদিন কোনো প্রকার সংস্কার না হওয়ায় রাস্তাটি নিচু ও কয়েকটি স্থানে খানাখন্দ হয়ে সমতল হয়ে গেছে।কয়েকটি স্থান পানির স্রোতে ভেঙে গেছে।

স্থানীয়দের মতে শুকনো মৌসুমে রাস্তাটি দিয়ে দৈনিক কয়েক হাজার মানুষ গোহালকাঠী,শংকরপাশা থেকে এই পথ দিয়ে সহজে ভাংগাদেউলা ওঠেন।। এছাড়াও এই রাস্তার সংলগ্ন বাড়িঘরে বসবাসকারীর সংখ্যাও প্রায় দুই শতাধিক।বর্ষা মৌসুমে যাদেরকে এক প্রকার বিচ্ছিন্ন হয়ে থাকতে হয়।

কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লেও কোলে করে অতি কস্টে মূল রাস্তায় নিয়ে তারপরে গাড়িতে নিতে হয়,অর্থাৎ গর্ভবতী নারীদের দূর্ভোগের কোনো অন্ত নেই এই এলাকার।এক দিকে ভাংগাদেউলা আরেকদিকে কান্ডপাশা বটতলা যেদিকেই হোক কাচা রাস্তার হাটু কাদা থেকে মুক্তি নেই তাদের।

এছাড়াও রাস্তাটির দুপাশে বিশাল আকার ফসলের মাঠ হওয়ায় কৃষি পন্য বহনেও এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিলো,রাস্তাটি চলাচলের অযোগ্য হওয়ায় অতিরিক্ত শ্রমিক লাগিয়ে অতিরিক্ত খরচ করে তা বাড়ি পর্যন্ত নিতে হয়।যারফলে ধান উৎপাদনেও খরচ বেড়ে যাওয়ায় কৃষদেরও লোকশানের মুখে পরতে হচ্ছে।রাস্তাটা সংস্কার করা হলে গাড়িতে কৃষি পন্য বাড়িতে এবং শহরে নিতে পারলে তাদের অতিরিক্ত উতপাদন খরচ বেচে যাবে।এছাড়াও এটি পাকা করা হলে প্রতিদিন উপকৃত হবে অন্তত দশ হাজার মানুষ।

ভুক্তভোগী এলাকার কৃষক আনিছ মল্লিক বলেন,এই রাস্তাটি আমাদের দাদার বাবার সময় থেকে ব্যবহার করছি,প্রায় একশ বছর পুরনো রাস্তাটা সরকারি অর্থায়নে পাকা তো দূরে থাক,কোনো প্রকার সংস্কারই করা হয়নি।আমাদের নারী, শিশু ও বৃদ্ধদের চিকিৎসা করাতে মারাত্মক ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে, কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে দ্রুত হাসপাতালে নেয়ার সুযোগ নেই।আমরা চাই দ্রুত রাস্তাটি পাকা করা হোক।
বৃদ্ধ সফুরা বেগম বলেন,রাস্তাটি কাদা হওয়ায় আমরা বর্ষাকালে কোথাও যেতে পারি না।আমরা মহিলা মানুষ বাড়িতে থাকি বর্ষায় রাস্তা তলিয়ে গেলে হাটু সমান কাদাপানি পেরিয়ে হাসপাতালেও নিতে পারে না। পৌরসভার নাগরিক হয়েও আমরা চড়ম অবহেলিত।আমরা চাই দ্রুত রাস্তাটি পাকা করা হোক।
স্থানীয় সমাজকর্মী বালী তূর্য বলেন, পৌরসভা বা নগরের বাসিন্দা হলেও এই অবহেলিত জনগোষ্ঠীর ভাগ্যের উন্নয়ন কখোনোই হয়নি,সবাই কথা দিয়েছেন কিন্তু আর কেউ খবর রাখেন নি।কৃষিকে বাচাতে হলে এবং নারী ও শিশুদের সাস্থ্য সেবার কথা চিন্তা করে হলেও এই রাস্তার সংস্কার করা উচিৎ।সংস্কারের দাবিতে আমরা আমাদের নেতা জননেতা আলহাজ্ব আমির হোসেন আমু,এমপি মহোদয়ের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

এ বিষয়ে নলছিটি পৌরসভার নয় নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো:মানিক হাওলাদারের বক্তব্য নিতে তার মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও সংযোগ স্থাপন সম্ভব হয়নি।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2021