ভারতে শুরু হওয়া ব্যঙ্গাত্মক ভাইরাল আন্দোলন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ বা সিজেপি এবার সীমান্ত পেরিয়ে পাকিস্তানেও ছড়িয়ে পড়েছে।পাকিস্তানি সোশ্যাল মিডিয়ায় এখন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র অনুপ্রেরণায় তৈরি একাধিক অ্যাকাউন্ট দেখা যাচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে ‘ককরোচ আওয়ামী পার্টি’, ‘ককরোচ আওয়ামী লীগ’ এবং ‘মুত্তাহিদা ককরোচ মুভমেন্ট’। খবর: এনডিটিভি
‘ককরোচ আওয়ামী পার্টি’র বায়োতে লেখা রয়েছে, ‘যুবদের দ্বারা, যুবদের জন্য পাকিস্তানের একটি রাজনৈতিক ফ্রন্ট’।
একই ধরনের আরেকটি অ্যাকাউন্টের বায়োতে বলা হয়েছে, ‘যাদের সিস্টেম ককরোচ ভেবেছে, আমরা সেই জনগণের কণ্ঠস্বর’।
এই পেজগুলোর লোগো ভারতের মূল আন্দোলনের সঙ্গে অনেকটাই মিল থাকলেও পাকিস্তানে এটি সবুজ-সাদা রঙে তৈরি করা হয়েছে, যা দেশটির প্রধান রাজনৈতিক দল যেমন পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ, পাকিস্তান মুসলিম লীগ (নওয়াজ) এবং পাকিস্তান পিপলস পার্টির থেকে আলাদা পরিচয় তৈরি করছে।
ভারতের ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র প্রতিষ্ঠাতা হচ্ছেন ৩০ বছর বয়সী যুক্তরাষ্ট্রের বস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারতীয় ছাত্র অভিজিৎ দিপকে। তিনি আগে আম আদমি পার্টির সঙ্গে রাজনৈতিক যোগাযোগ কৌশলবিদ হিসেবে কাজ করেছেন। এই আন্দোলনের একটি ইশতেহার এবং অফিসিয়াল ওয়েবসাইটও রয়েছে।
তবে পাকিস্তানের সংস্করণগুলো অনেক বেশি বিচ্ছিন্ন ও স্বতন্ত্রভাবে পরিচালিত হচ্ছে, যেখানে বিভিন্ন নির্মাতা আলাদাভাবে তাদের নিজস্ব সংস্করণ তৈরি করছেন।
ভারতের এই ব্যঙ্গাত্মক আন্দোলনটি শুরু হয় ভারতের প্রধান বিচারপতি সুর্য কান্ত একটি শুনানিতে বেকার যুবক ও কিছু পেশাজীবীকে ‘ককরোচ’ এবং ‘পরজীবী’ বলে উল্লেখ করার পর। পরে তিনি অবশ্য ব্যাখ্যা দেন, তিনি মূলত ভুয়া ডিগ্রি ব্যবহারকারীদের কথা বোঝাতে চেয়েছিলেন।
যদিও এটি কোনো আনুষ্ঠানিক রাজনৈতিক দল নয়, তবুও ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ অল্প সময়েই ইনস্টাগ্রামে ২ কোটিরও বেশি অনুসারী অর্জন করেছে।