ক্যাম্পাস

জকসুতে ছাত্রশিবির-আপ বাংলাদেশের যৌথ প্যানেল, নেতৃত্বে রিয়াজ-আরিফ-মাসুদ

Published

on

ডেস্ক নিউজ

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু) নির্বাচনে প্যানেল ঘোষণা করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ইসলামী ছাত্রশিবির। ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ নামের এ প্যানেলে ভিপি পদে রয়েছেন শাখা শিবিরের সভাপতি রিয়াজুল ইসলাম, জিএস পদে শাখা সেক্রেটারি আব্দুল আলিম আরিফ, এবং এজিএস পদে রয়েছেন আপ বাংলাদেশের জবি সংগঠক মাসুদ রানা।

মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষা শহীদ রফিক ভবনের নিচে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ প্যানেল ঘোষণা করা হয়। প্যানেলটি যৌথভাবে ঘোষণা করেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম এবং শাখা সভাপতি রিয়াজুল ইসলাম।

প্যানেলে মুক্তিযুদ্ধ ও গণতন্ত্র বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে আছেন মো.নূরনবী , শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদকে ইব্রাহিম খলিল , বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদকে সুখীমন , স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সম্পাদকে নূর মোহাম্মদ , আইন ও মানবাধিকার সম্পাদকে হাবিব মোহাম্মদ ফারুক , আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদকে নওশীন নওয়ার জয়া, সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদকে নাহিদ হাসান রাসেল, ক্রীড়া সম্পাদকে জার্জিস আনোয়ার নাইম, পরিবহন সম্পাদকে তাওহিদুল ইসালম , সমাজসেবা ও শিক্ষার্থী কল্যাণ সম্পাদকে মুস্তাফিজুর রহমান , পাঠাগার ও সেমিনার সম্পাদকে মো.সোহাগ আহম্মেদ স্থান পেয়েছেন।

নির্বাহী সদস্য হিসেবে আছেন, শান্তা আক্তার,সালেম হোসেন সিয়াম, ফাতেমা আক্তার অওরীন, আকিব হাসান, হাফেজ কাজী আরিফ, মো. মেহেদী হাসান, আব্দুল্লাহ আল ফারুক।

ভিপি রিয়াজুল ইসলাম আইন বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী, জিএস আব্দুল আলিম আরিফ আইন এবং ভূমি প্রশাসন বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী এবং এজিএস মাসুদ রানা পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। 

এদিকে গত তিনদিনে দিনে কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ এবং ছাত্র সংসদ নির্বাচনের জন্য ৩১২ জন শিক্ষার্থী মনোনয়নপত্র নিয়েছেন। 

এর আগে, গত ৫ নভেম্বর ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, ১২ নভেম্বর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করার হয়। ১৩ নভেম্বর চারজন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন। ১৬ নভেম্বরও চলেছে মনোনয়নপত্র বিতরণ, যা ১৭ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে। ১৭ ও ১৮ নভেম্বর মনোনয়ন পত্র দাখিল, ১৯ ও ২০ নভেম্বর মনোনয়নপত্র বাছাই, ২৩ নভেম্বর প্রাথমিক প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে। ২৪, ২৫ ও ২৬ নভেম্বর প্রার্থীদের আপত্তি গ্রহণ ও নিষ্পত্তি করা হবে। 

এ ছাড়া ২৭ ও ৩০ নভেম্বর প্রার্থীদের ডোপ টেস্ট করা হবে। ৩ ডিসেম্বর চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন। এরপর ৪, ৭ ও ৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করা যাবে। প্রত্যাহারকৃত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হবে ৯ ডিসেম্বর। ৯ থেকে ১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রার্থীরা তাদের নির্বাচনী প্রচারণা করবেন। আর ২২ ডিসেম্বর ভোটগ্রহণ হবে। তফসিল অনুযায়ী, নির্বাচনের দিনই ভোট গণনা ও ২২ থেকে ২৩ ডিসেম্বরের মধ্যে ফলাফল ঘোষণা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Trending

Exit mobile version