top3

ট্রাম্পকে ব্যঙ্গ করে সেরা পুরস্কার জিতলেন কমেডিয়ান

Published

on

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে প্রকাশ্য বিরোধ আর পর্দায় ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্যের জন্য পরিচিত টেলিভিশন সঞ্চালক ও কমেডিয়ান জিমি কিমেল। দীর্ঘদিনের সেই আলোচিত লড়াইয়ের মাঝেই এবার নতুন সাফল্য যুক্ত হলো এই মার্কিন কমেডিয়ানের। ৩১তম বার্ষিক ‘ক্রিটিকস চয়েস অ্যাওয়ার্ডস’-এ কিমেলের উপস্থাপিত অনুষ্ঠান ‘জিমি কিমেল লাইভ’ সেরা টক শোর স্বীকৃতি পাওয়ায় সেরার খেতাবটি উঠল কিমেলের হাতেই। 

পুরস্কার গ্রহণের পর মঞ্চে দাঁড়িয়ে ট্রাম্পকে ফের ব্যঙ্গ করেন তিনি। কিমেল বলেন, আমি সবচেয়ে বেশি ধন্যবাদ দিতে চাই আমাদের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড জে ট্রাম্পকে। তিনি না থাকলে আজ রাতে আমাদের খালি হাতে বাড়ি ফিরতে হতো।

ট্রাম্পের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডগুলোকে ইঙ্গিত করে কিমেল আরও বলেন, মিস্টার প্রেসিডেন্ট, প্রতিদিন আপনি যেসব হাস্যকর কাণ্ড করছেন, তার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। আবার সম্প্রচারে ফিরে এসে আপনার এসব কাণ্ড নিয়ে কথা বলার জন্য আমরা মুখিয়ে আছি।
এ সময় কিমেল তার অনুষ্ঠানের লেখক, অভিনয়শিল্পী এবং প্রযোজকদেরও বিশেষ ধন্যবাদ জানান। বর্তমান পরিস্থিতিতে বাকস্বাধীনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ- সেটিও মনে করে দেন কিমেল। তিনি বলেন, আপনারা আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং মনে করিয়ে দিয়েছেন যে, এই শহর বা এই দেশে আমরা বাকস্বাধীনতাকে হালকাভাবে নিই না। আপনাদের এই পদক্ষেপগুলো আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

জিমি কিমেল ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই দ্বৈরথ বিশ্বজুড়ে পরিচিত। ট্রাম্প যখন সামাজিক মাধ্যমে কিমেলকে ‘অযোগ্য’ বা ‘বাজে সঞ্চালক’ বলে আক্রমণ করেছেন, কিমেলও পাল্টাপাল্টি বিদ্রূপ করে তাকে ছেড়ে কথা বলেননি। এমনকি অস্কারের মতো বড় মঞ্চেও ট্রাম্পের নীতি ও ব্যক্তিগত আচরণের সমালোচনা করেছেন তিনি। মার্কিন রাজনীতি নিয়ে কিমেলের এই স্যাটায়ার বা ব্যঙ্গাত্মক উপস্থাপনা এখন আন্তর্জাতিকভাবে তার শো-এর প্রধান আকর্ষণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

‘জিমি কিমেল লাইভ’ মূলত যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী টেলিভিশন নেটওয়ার্ক এবিসিতে প্রচারিত একটি জনপ্রিয় লেট-নাইট টক শো। ২০০৩ সাল থেকে প্রচারিত এই অনুষ্ঠানে সঞ্চালক জিমি কিমেল মার্কিন রাজনীতি ও সমসাময়িক নানা ঘটনার ওপর নিয়মিত ব্যঙ্গাত্মক আলোচনা করেন। বিশেষ করে ডোনাল্ড ট্রাম্পের কট্টর সমালোচক হিসেবে কিমেলের আলাদা পরিচিতি রয়েছে।

২০২৪ সালের অস্কারের মঞ্চে ট্রাম্পের এক সমালোচনার জবাবে কিমেলের পাল্টা মন্তব্য বিশ্বজুড়ে ভাইরাল হয়েছিল। সম্প্রতি ডিজনির সঙ্গে ২০২৭ সাল পর্যন্ত নতুন করে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন কিমেল; এবং মার্কিন দর্শকদের কাছে অত্যন্ত প্রভাবশালী এক নাম।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Trending

Exit mobile version