top1

ঢাবির টিএসসিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ককটেল হামলা

Published

on

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায় পরপর দুটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটিয়েছে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগ। বুধবার রাত ৯টা ২৫ মিনিটের দিকে টিএসসির স্বপন মামার দোকানের পাশের রাস্তায় এ বিস্ফোরণ ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ধারণা, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের হতে ককটেলগুলো নিক্ষেপ করা হয়েছে। কারো কারো ধারণা, চলমান মোটরসাইকেল থেকে ককটেল দুটি নিক্ষেপ করা হয়।

এ ঘটনায় টিএসসি এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি হয় এবং পাশে চলমান এক প্রদর্শনীতে উপস্থিত শিক্ষার্থীরাও নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়েন।

বিস্ফোরণের সঙ্গে সঙ্গে টিএসসির চারপাশে বিশৃঙ্খলা ছড়িয়ে পড়ে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মোটরসাইকেলে করে এসে কিংবা আড়ালে থেকে দ্রুত গতিতে অজ্ঞাত ব্যক্তিরা ককটেল নিক্ষেপ করে পালিয়ে যায়। সৌভাগ্যক্রমে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

এক প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থী রিয়াদ বলেন, “বাইক থেকে ককটেলগুলো ছোড়া হয়েছে বলে মনে হয়েছে। শব্দের পর সবাই আতঙ্কে চারদিকে দৌড়াতে শুরু করে।”

এ বিষয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছাত্রশক্তি নেতা তাহমিদ আল মুদ্দাসিসর চৌধুরী বলেন, “ফ্যাসিস্ট ও দেশবিরোধী চক্র আতঙ্ক সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এই হামলা চালিয়েছে। ১৩ নভেম্বর খুনি হাসিনার ফাঁসির রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে সারাদেশে অগ্নিসন্ত্রাস সৃষ্টির চক্রান্তের অংশ হিসেবেই এটি ঘটানো হয়েছে।”

এর আগে মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) মধ্যরাতে নিষিদ্ধ বাংলাদেশ ছাত্রলীগ বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচটি একাডেমিক স্থাপনার মূল ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেয় তাদের ঘোষিত ‘লকডাউন কর্মসূচি’র অংশ হিসেবে। তালা দেওয়া স্থাপনাগুলোর মধ্যে ছিল চারুকলা অনুষদ, আইইআর, পুষ্টি ও খাদ্য বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট, কার্জন হল ও বিজ্ঞান ভবন। ফটকে “লকডাউন বিএসএল” লেখা কাগজ ঝুলিয়ে দেওয়া হয় এবং সংগঠনের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি মাজহারুল কবির শয়ন বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করেন।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ঘটনাটিকে গুরুতর নিরাপত্তা হুমকি হিসেবে বিবেচনা করছে। দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে পাঁচজন নিরাপত্তা প্রহরীকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। তারা হলেন আইইআরের শাহ আলম ও মো. সেলিম, পুষ্টি ও খাদ্য বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের সফিকুল ইসলাম, কার্জন হলের আলী আহমেদ এবং চারুকলা অনুষদের সংগ্রাম হোসেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Trending

Exit mobile version