top3

ধর্ষণচেষ্টা ঠেকাতে অভিযুক্তের গোপনাঙ্গ কেটে দিলেন গৃহবধূ

Published

on

চরফ্যাশনে স্বামীকে বেঁধে এক গৃহবধূকে ধর্ষণের করতে গিয়ে ভয়াবহ পরিণতির শিকার হয়েছেন এক ব্যক্তি। আত্মরক্ষার্থে ওই নারী ব্লেড দিয়ে অভিযুক্তের গোপনাঙ্গে আঘাত করলে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে আত্নগোপনে চলে যান তিনি। পরে পুলিশ তাকে আটক করে হাসপাতালে ভর্তি করে।

‎শুক্রবার (২৯ মে) রাতে ভোলার চরফ্যাশন উপজেলা দক্ষিণ আইচা থানার নজরুল নগর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের চর কলমি গ্রামে নলুয়া স্লুইজ সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

‎অভিযুক্ত ইমাম সর্দার (৩৫) একই এলাকার মজিদ সর্দারের ছেলে। তিনি পেশায় একজন ইলেকট্রিশিয়ান বলে জানা গেছে।

ভুক্তভোগী নারীর দক্ষিণ আইচা থানায় করা অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, আমি একজন গৃহিনী, আনিছুল হক বেপারী আমার স্বামী, আমার দুই ছেলে ইমাম হোসেন (১২) এবং আঃ রহমান (৯) বছর। বিবাদী আমার প্রতিবেশী। বিগত ২ বছর যাবত বিবাদী আমাকে সরাসরি এবং মোবাইলে প্রায় সময় বিরক্ত করিত এবং আমাকে প্রেমের প্রস্তাব দিত। আমি বিবাদীর প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়াতে বিবাদী সারা গ্রামে বিভিন্ন মানুষের কাছে আমার নামে প্রায় সময় অশ্লীল কথাবার্তা বলতো। গত ২৯ রাত অনুমান ৯: ৪৫ ঘটিকার সময় আমি আমার স্বামী সন্তানদের নিয়ে রাতের খাবার সেরে ঘুমিয়ে পড়ি। রাত অনুমানিক ২টায় বিবাদী আমাকে ফোন করে আমার ঘরে আসতে চায়। আমি বিবাদীর বিরক্ত সহ্য করতে না পেরে বিবাদীকে আমার ঘরে আসতে বলি।

বিবাদী আমার ঘরে এসে আমাকে আমার রান্না ঘরে নিয়ে গিয়ে রান্না ঘরে থাকা পাটি মাটিতে বিছাইয়া আমাকে পাটিতে শোয়াইয়া আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে। তখন আমি ধর্ষণ প্রতিরোধ করার জন্য আত্মরক্ষার্থে রান্না ঘরে থাকা ধারালো ব্লেইড দিয়ে বিবাদীর পুরুষ লিঙ্গে পোচ দিই। তারপর বিবাদী রক্তাক্ত অবস্থায় আমাকে ছেড়ে দিয়ে তারাতারি আমার ঘর থেকে পালিয়ে যায়।

এব্যাপারে দক্ষিণ আইচা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহসান কবীর জানান, ভুক্তভোগী নারী থানায় মামলা দায়ের করেছেন। আহত অবস্থায় অভিযুক্ত ইমাম সর্দারকে আটক করে পুলিশ হেফাজতে চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এ চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Trending

Exit mobile version