খেলাধুলা

নাটকীয় ফাইনালে মরক্কোকে হারিয়ে সেনেগাল চ্যাম্পিয়ন

Published

on

নিজেদের মাঠে শিরোপা জয়ের উৎসব করার সব প্রস্তুতিই সেরে রেখেছিল মরক্কো। তবে রিয়াল মাদ্রিদ তারকা ব্রাহিম দিয়াজের পেনাল্টি মিস আর অতিরিক্ত সময়ের নাটকীয়তায় স্বাগতিকদের স্বপ্ন ভেঙে আফ্রিকান কাপ অব নেশনসের (এএফকন) শিরোপা জিতেছে সেনেগাল।

রোববার রাতে টুর্নামেন্টের ফাইনালে মরক্কোকে ১-০ গোলে হারায় ‘তেরেঙ্গার সিংহ’রা। এ নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো মহাদেশীয় শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করল সেনেগাল। এর আগে ২০২১ সালে তারা প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল।

পেনাল্টি নাটক ও আধঘণ্টার বিরতি

ম্যাচের নির্ধারিত সময়ের শেষ দিকে মাঠে তৈরি হয় নজিরবিহীন নাটকীয়তা। বক্সে ফাউলের শিকার হন ব্রাহিম দিয়াজ। ভিএআর (VAR) দেখে রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজালে প্রতিবাদে ফেটে পড়ে সেনেগাল শিবির। কোচ পাপ ঝাও ক্ষুব্ধ হয়ে তার খেলোয়াড়দের মাঠ থেকে ড্রেসিংরুমে নিয়ে যান।

প্রায় ৩০ মিনিট খেলা বন্ধ থাকার পর পরিস্থিতি শান্ত হলে পুনরায় মাঠে ফেরে সেনেগাল। এ সময় গ্যালারি থেকেও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। তবে পেনাল্টি নিতে এসে চরম হতাশ করেন দিয়াজ। তার দুর্বল ‘পানেনকা’ শট অনায়াসেই রুখে দেন সেনেগাল গোলরক্ষক এদুয়ার্দো মেন্ডি।

অতিরিক্ত সময়ের জয়সূচক গোল

নির্ধারিত সময় গোলশূন্য থাকায় ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। অতিরিক্ত সময়ের শুরুতেই সাফল্য পায় সেনেগাল। ইদ্রিসা গেয়ির বাড়ানো বল ধরে দুর্দান্ত এক কোনাকুনি শটে গোল করেন পাপা গুইয়ে। ম্যাচের বাকি সময়ে মরক্কো গোল শোধের একাধিক সুযোগ পেলেও তা কাজে লাগাতে পারেনি।

এর আগে ইনজুরি টাইমে ইসমাইল সারের একটি গোল ফাউলের কারণে বাতিল করে দেন রেফারি। শেষ পর্যন্ত ১-০ ব্যবধান ধরে রেখেই শিরোপা উল্লাসে মেতে ওঠে সেনেগাল।

হতাশ মরক্কো

ঘরের মাঠে হেরে যাওয়ার পর ১৯৭৬ সালের পর ফের শিরোপা জেতার অপেক্ষা আরও বাড়ল মরক্কোর। ম্যাচ শেষে মরক্কোর কোচ প্রতিপক্ষকে অভিনন্দন জানালেও পেনাল্টি পরবর্তী ঘটনার সমালোচনা করে বলেন, “আফ্রিকান ফুটবলের যে ভাবমূর্তি আজ দেখা গেল, তা সত্যিই হতাশাজনক।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Trending

Exit mobile version