top1

নির্বাচনকালীন সব পরীক্ষা স্থগিতের দাবি

Published

on

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালাতে নির্বাচনের সময়ে সব চাকরির পরীক্ষা স্থগিতের দাবিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেছেন চাকরিপ্রত্যাশী পরীক্ষার্থীরা। স্মারকলিপিতে ২১ জানুয়ারি থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পরীক্ষা স্থগিতের দাবি জানানো হয়।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) কাছে এ সংক্রান্ত একটি স্মারকলিপি দিয়েছেন তারা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টেলিভিশন, ফিল্ম অ্যান্ড ফটোগ্রাফি বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী জালাল আহমদের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল সিইসির দপ্তরে এই দাবি জানান। প্রতিনিধি দলে আরও উপস্থিত ছিলেন, এনামুল হক জমিদার, আল আমিন, নাইমুল হাসান দুর্জয় ও মাহমুদুল হাসান। তারা নিজেদের ‘জুলাই যোদ্ধা’ হিসেবে পরিচয় দেন।

স্মারকলিপি প্রদান শেষে জালাল আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, আমরা বাংলাদেশের তরুণ ভোটাররা দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত ছিলাম। আসন্ন জাতীয় নির্বাচন আমাদের রাষ্ট্র পরিচালনায় মতপ্রকাশের একটি ঐতিহাসিক সুযোগ। আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে দেশব্যাপী নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হতে যাচ্ছে। একটি সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের স্বার্থে তরুণদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ অপরিহার্য।

তিনি জানান, কোটা সংস্কার আন্দোলন (২০১৮ এবং ২০২৪) এর আইন ও আদালত সেলের প্রধান সমন্বয়কারী হিসেবে তিনি তরুণদের মানসিকতা বোঝেন। নির্বাচনকালীন সময়ে ৫০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি এবং ব্যাংকের বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষা থাকায় তরুণ ভোটাররা তীব্র মানসিক চাপে রয়েছেন। একদিকে নাগরিক দায়িত্ব, অন্যদিকে কঠিন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা- এই দ্বিমুখী পরিস্থিতি তরুণদের নির্বাচনে অংশগ্রহণে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

জালাল আহমদ আরও জানান, এবারের নির্বাচনে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালানোর জন্য ২১ জানুয়ারি থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সব চাকরি পরীক্ষা স্থগিত করা জরুরি। সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচনকালীন সময়ে নির্বাচন কমিশন সর্বোচ্চ ক্ষমতার অধিকারী। আমরা মনে করি, কমিশন নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগ করে এই পরীক্ষাগুলো স্থগিত করতে পারে।

স্মারকলিপিতে জানানো তিন দফা দাবি হলো-

১. আগামী ২১ জানুয়ারির পর থেকে নির্বাচন সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত ৫০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা স্থগিত রাখা।

২. একই সময়ের মধ্যে বাংলাদেশের সব সরকারি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত করা।

৩. নির্বাচনকালীন সময়ে নতুন কোনো সরকারি চাকরির পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা না করার নির্দেশনা প্রদান

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Trending

Exit mobile version