রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পদ্মায় বাসডুবির ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ২৭ জনে দাঁড়িয়েছে। ডুবে যাওয়া বাস থেকে উদ্ধার করা মরদেহের মধ্যে নারী ১১ জন, শিশু ৮ জন ও পুরুষ ৮ জন।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) রাজবাড়ীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তাপস কুমার পাল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে, বুধবার রাত সোয়া ১১টার দিকে বাসের একটি অংশ দৃশ্যমান হয়। সাড়ে ১১টা নাগাদ পুরো বাসটি জাহাজ হামজার ক্রেন দিয়ে টেনে পানির ওপরে নিয়ে আসে উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা। এ সময় বাসের ভিতর মরদেহ ছাড়াও স্কুল ব্যাগ, জুতা-স্যান্ডেল, ভ্যানিটি ব্যাগ ও অন্যান্য ব্যাগ ভেসে উঠতে দেখা গেছে।
এদিকে রাতে দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে নৌপরিহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান সাংবাদিকদের বলেন, রাজবাড়ী জেলার অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে একটি তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছে। তারা তিন কার্যদিবসের মধ্যে আমাদের রিপোর্ট দেবেন। আর আমাদের নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মুহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি করা হয়েছে। তারাও তিন দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দেবেন। এরপর আমরা জানতে পারব কী ঘটেছিল।
ঘটনাস্থলে রাজবাড়ী জেলা প্রশাসক সুলতানা আক্তার সাংবাদিকদের বলেন, বাস ডুবে যাওয়ার ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ফোন করে খোঁজখবর নিয়েছেন। তিনি দ্রুতগতিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলেছেন। একইসঙ্গে তাকে অবগত করতে বলেছেন।
এর আগে, বুধবার বিকেল সোয়া পাঁচটার দিকে দৌলতদিয়া ঘাটে নদী পাড়ি দিতে অপেক্ষমাণ ঢাকাগামী যাত্রীবাহী সৌহার্দ্য পরিবহনের একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পন্টুন থেকে পদ্মা নদীতে পড়ে যায়। সব মিলিয়ে বাসটি কমপক্ষে ৫০ জন যাত্রী ছিলেন বলে কাউন্টার মাস্টার জানিয়েছেন।