top2

বগুড়ায় বিএনপি ও জামায়াতের তুমুল সংঘর্ষ

Published

on

বগুড়া প্রতিনিধি

বগুড়ার নন্দীগ্রামে ভোটের টাকা বিতরণের অভিযোগকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতিসহ দুজন গুরুতর আহত হয়েছেন।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) মধ্যরাতে উপজেলার পারশুন গ্রামে এ সংঘর্ষ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের দাবি, সোমবার রাতে পারশুন গ্রামের আব্দুল আজিজের বাড়িতে কয়েকজনের সন্দেহজনক সমাগম দেখে তারা সেখানে যান। এ সময় স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা বেলালসহ জামায়াতের কয়েকজন নেতাকর্মী ভোটারদের মধ্যে টাকা বিতরণ করছিলেন বলে অভিযোগ ওঠে। পরে বিএনপির নেতাকর্মীরা বেলালসহ দুজনকে আটক করে বুড়ইল ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মাসুদ রানার বাড়িতে নিয়ে যান।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও অভিযোগ রয়েছে, পুলিশের উপস্থিতিতেই জামায়াতের প্রায় দুই শতাধিক নেতাকর্মী লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মাসুদ রানার বাড়িতে হামলা চালায়। হামলায় মাসুদ রানা ও তার ভাইকে বেধড়ক মারধর করা হয় এবং আটক থাকা দুজনকে ছিনিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।

এ সময় মাসুদ রানার বাড়িসহ আশপাশের তিনটি বাড়ি ও একটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় মাসুদ রানাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বগুড়া-৪ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী মোস্তফা ফয়সাল পারভেজ হামলার অভিযোগ অস্বীকার বলেন, আমাদের পক্ষ থেকে কোনো হামলার ঘটনা ঘটেনি। বরং বিএনপির নেতাকর্মীরাই আমাদের কর্মী গালিবকে মারধর করে আহত করেছে। মিথ্যা অভিযোগ তুলে আমাদের দুই কর্মীকে আটক রেখে নির্যাতন করা হয়েছে।

বিএনপির প্রার্থী মোশারফ হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, পুলিশের উপস্থিতিতে কীভাবে এমন হামলার ঘটনা ঘটল, তা আমাদের বোধগম্য নয়। এভাবে পরিস্থিতি চলতে থাকলে ভোটের দিন পরিস্থিতির চরম অবনতি হবে। আমরা এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করছি।

জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আতোয়ার হোসেন বলেন, এ ঘটনায় এখনও কোনো পক্ষই মামলা করেনি। তবে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Trending

Exit mobile version