top1

মৃতদেহ ধর্ষণের প্রবণতা, দেশীয় আইনে কী শাস্তি অপরাধীর

Published

on

ডেস্ক নিউজ

সম্প্রতি ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের মর্গে রাখা এক তরুণীর মৃতদেহে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ জানায় অভিযোগ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে মরদেহ আনা-নেওয়ার দায়িত্বে থাকা লাশবাহক।

তবে এ ধরনের ঘটনা বাংলাদেশে এবারই প্রথম নয়। এর আগে, ২০২২ সালে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে এধরনের ঘটনায় গ্রেফতার হন মর্গের পাহারাদার মো. সেলিম।

তার আগে ২০২০ সালে ঢাকা সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে পাঁচটি মরদেহে একই পুরুষের বীর্যের উপস্থিতি পেয়ে তদন্তে নামে সিআইডি। গ্রেফতার হন মর্গের ডোমের সহযোগী মুন্না ভক্ত। গত সাত বছরে সামনে আসা তিনটি ঘটনাতেই ভুক্তভোগী ছিল নারীদের মরদেহ।

মৃত ব্যক্তির সঙ্গে এ ধরণের শারীরিক সম্পর্ক তৈরি, মৃতদেহ ধর্ষণ বা অন্যান্য যৌনাচারের প্রবণতাকে বলা হয় নেক্রোফিলিয়া। এ ধরণের আচরণের জন্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শাস্তির বিধান থাকলেও, বাংলাদেশে এমন কোনো আইন নেই। ফলে মরদেহের নিরাপত্তা কেউ নষ্ট করলে তাকে সরাসরি অভিযুক্ত করার সুযোগ নেই।

আইনজ্ঞরা বলছেন, ধর্ষণের সব বৈশিষ্ট্য এ ধরণের ঘটনায় উপস্থিত থাকা সত্ত্বেও কেবল আইনের মারপ্যাঁচের কারণে অপরাধীকে শাস্তির আওতায় আনা কঠিন হয়ে যেতে পারে। সেক্ষেত্রে, আইন সংশোধন বা সংযোজন করা যেতে পারে বলেই মত তাদের।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Trending

Exit mobile version