top1

শুধু জনপ্রতিনিধি নয়, এই নির্বাচন দেশ পুনর্গঠনের : তারেক রহমান

Published

on

ঠাকুরগাঁওয়ে নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্যে দেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ছবি : কালবেলা

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, এই নির্বাচন শুধু জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের জন্য নয়, এটি দেশ পুনর্গঠনের নির্বাচন। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটের মধ্য দিয়ে দেশের মানুষ হারানো দিনের অধিকার ফিরে পাবে।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

তারেক রহমান বলেন, বিগত তিনটি নির্বাচনে জনগণের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। মানুষের ভোটাধিকার হরণ করা হয়েছে। তবে এবার সেই হারানো অধিকার প্রয়োগের সময় এসেছে। জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের পাশাপাশি দেশকে নতুন করে গড়ে তোলার সুযোগ এসেছে।

দেশকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার লক্ষ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, সরকার গঠন করলে ফ্যামিলি কার্ড চালু করা হবে, যার মাধ্যমে নারীরা অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হতে পারবেন। পাশাপাশি কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ড দেওয়া হবে। এতে কৃষকরা সহজেই ঋণ, সার ও ফসলের বীজ পাবেন।

ধানের শীষে ভোট দিলে কৃষকদের জন্য সুখবর দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বলেন, ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করা হবে।

তারেক রহমান বলেন, দেশের মানুষকে সঙ্গে নিয়েই বিএনপি দেশ পুনর্গঠন করতে চায়। কারণ এই দেশের প্রকৃত মালিক জনগণ। জনগণের সহযোগিতা ছাড়া কোনো পরিকল্পনা বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। সে কারণেই ধানের শীষে ভোট চান তিনি।

ঠাকুরগাঁও অঞ্চলের উন্নয়নে একাধিক প্রতিশ্রুতি দেন বিএনপির চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, চিনিকলসহ বন্ধ হয়ে যাওয়া শিল্পকারখানা পুনরায় চালু করা হবে। ঠাকুরগাঁওয়ে ক্যাডেট কলেজ স্থাপনের চেষ্টা করা হবে। কৃষকদের পণ্য সংরক্ষণের জন্য হিমাগার নির্মাণ করা হবে। বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে আইটি সেক্টরে হাব গড়ে তোলা হবে। পাশাপাশি মেডিকেল কলেজ ও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ব্যাপারেও ইতিবাচক আশ্বাস দেন তিনি।

সরকার গঠন করা হলে যত দ্রুত সম্ভব এই এলাকার বিমানবন্দর চালু করা হবে বলেও প্রতিশ্রুতি দেন তারেক রহমান।

সমাবেশে উপস্থিত হাজারো নেতাকর্মী ও সমর্থকদের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশ সবার, বিএনপির শেষ ঠিকানাও বাংলাদেশ। জনগণের সমর্থন নিয়ে এমন একটি রাষ্ট্র গড়তে চায় বিএনপি, যেখানে সবার নিরাপত্তা ও গণতন্ত্র নিশ্চিত হবে।

তিনি আরও বলেন, দেশে সব ধর্মের মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করবে। বিচার হবে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে, ধর্মের ভিত্তিতে নয়। নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার শপথ নিয়ে সবাই একসঙ্গে দেশ গড়ে তুলবে বলেও জানান তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Trending

Exit mobile version