top1

৮ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থার পর কার্যক্রমে গতি

Published

on

রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশনের আট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশের পর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমে গতি এসেছে। তারপরও কিছু এলাকায় শনিবারও বর্জ্য রয়ে গেছে। আবার কিছু এলাকায় খুব দায়সারাভাবে বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে। ফলে সেসব জায়গায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে আছে পশুবর্জ্য। এসব থেকে উৎকট দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে।

রাজধানীর পল্লবীর হাজী মার্কেট এলাকার বাসিন্দা হাবিবুর রহমান আজ সকালে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ফেসবুকে মন্তব্য করেন, ‘আমরা ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ১৫ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা। এই এলাকায় সিটি করপোরেশন থেকে মাসে মাত্র ৫/৬ দিন ময়লা সরানো হয়। মাসের শেষ দিকে ২ দিন ঘনঘন আসে। এই কয়দিন ময়লা সরিয়ে বাসাপ্রতি মাসে ১৫০ টাকা নিয়ে যায়। ঈদের ২/৩ দিন আগের থেকে অদ্যাবধি ময়লা সরাচ্ছে না। উৎকট দুর্গন্ধে জনজীবন অতিষ্ঠ।’

পীরেরবাগের জিয়া সরণির এক বাসিন্দা অভিযোগ করেন, সিটি করপোরেশনের অনুমতি ছাড়াই স্থানীয় বিএনপির কিছু নেতাকর্মী রাস্তার ভেতরে পশুহাট বসিয়েছিলেন। ওই হাটের পশুবর্জ্য এখনো রয়ে গেছে। বর্জ্যের দুর্গন্ধে এলাকাবাসী অতিষ্ঠ।

এদিকে গতকাল শুক্রবার রাতে নগরীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে বর্জ্য অপসারণের কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন ডিএনসিসি প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান। উত্তরার দিয়াবাড়ী পশুহাট ও মেট্রোরেলের আশপাশের বর্জ্য অপসারণের চিত্র পরিদর্শন করেন তিনি।

সরেজমিনে দেখা গেছে, মেট্রো স্টেশনের নিচের বর্জ্য অপসারণ করা হলেও হাটের বর্জ্য অনেকটাই রয়ে গেছে।

ওদিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) পুরোনো কিছু ওয়ার্ড ছাড়াও নতুন ওয়ার্ডগুলোতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার চিত্র বেশ নাজুক। ৫২ থেকে ৫৪, ৫৮–৬১—এই ওয়ার্ডগুলোতে বর্জ্য অপসারণ করা হলেও তা দায়সারা গোছের। যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা-বর্জ্য পড়ে আছে।

জুরাইনের বাসিন্দা মিজানুর রহমান সমকালকে জানান, তিনি চার-পাঁচটি ওয়ার্ড ঘুরেছেন। প্রতিটি ওয়ার্ডের অবস্থা এখনো খারাপ। অনেক স্থানেই বর্জ্য রয়ে গেছে। আবার কিছু বর্জ্য অপসারণ করলেও সেটা একেবারে দায়সারা।

এদিকে ডিএসসিসি জানিয়েছে, আজ দুপুর ১২টা পর্যন্ত ৪ হাজার ৬৩৭ টন বর্জ্য মাতুয়াইল ল্যান্ডফিলে ডাম্পিং করা হয়েছে। আর এ পর্যন্ত ২৮ হাজার ৪২৮ টন কোরবানির বর্জ্য ডিএসসিসি অপসারণ করেছে। তবে আরও কী পরিমাণ বর্জ্য রয়ে গেছে, সেটা জানাতে পারেনি। আর ডিএনসিসি কী পরিমাণ বর্জ্য অপসারণ করেছে, এ-সংক্রান্ত কোনো তথ্যই দিতে পারেনি।

তবে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী নিজে রাজধানীর বর্জ্য অপসারণের চিত্র দেখার জন্য বের হওয়ার পর থেকে বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রমে গতি ফিরেছে। দুই সিটি করপোরেশনের পদস্থ আট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশের পর তা আরও গতি পায়। রাতেই বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম জোরদার করা হয়

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Trending

Exit mobile version