Connect with us

top3

আদ্‌-দ্বীন হাসপাতালের ভেতর বিলাসবহুল সুইমিং পুলের সন্ধান

Published

on

রাজধানীর মগবাজারের আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের চিত্র সম্পূর্ণ উল্টো! ছয় নবজাতকের করুণ মৃত্যুর পর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তদন্ত ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক অভিযানে হাসপাতালটির ভেতরেই খুঁজে পাওয়া গেছে এক বিশাল বিলাসবহুল ‘সুইমিং পুল’! একদিকে ওটি-র ভেতর মাছি আর তেলাপোকার নোংরা রাজত্ব, অন্যদিকে কোটি কোটি টাকা খরচ করে হাসপাতালের ভেতরেই আমোদ-প্রমোদের এই সুইমিং পুল।

কারিগরি বিশেষজ্ঞ ও প্রকৌশলীদের মতে, একটি হাসপাতালের যেকোনো ধরনের এক্সটেনশন বা নতুন কাঠামো তৈরি করতে হলে নির্দিষ্ট ‘মেডিক্যাল আর্কিটেকচারাল গাইডলাইন’ ও ‘ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড’ কঠোরভাবে মেনে চলতে হয়। কিন্তু আদ্‌-দ্বীন কর্তৃপক্ষ কোনো নকশা বা কাঠামোর তোয়াক্কা না করে, যেদিক দিয়ে পেরেছে সেদিকেই বাণিজ্যিক বেকারি আর বহুতল এক্সটেনশন বানিয়েছে।

সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, হাসপাতালের মতো একটি অতি সংবেদনশীল ও জীবাণুমুক্ত জোনের ভেতরে এই বিশাল সুইমিং পুল তৈরি করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সুইমিং পুলের বিপুল পরিমাণ পানি জমিয়ে রাখা, তার রাসায়নিক বর্জ্য ও আর্দ্রতা হাসপাতালের বাতাসে ব্যাকটেরিয়া ও ফাঙ্গাসের সংক্রমণ বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়, যা ওটি ও পোস্ট অপারেটিভ ওয়ার্ডের রোগীদের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক।

হাসপাতালের কলেজ ভবনের আটতলায় এই সুইমিং পুলের অস্তিত্ব পাওয়া যায়। তবে সুইমিং পুলের বিষয়ে কথা বলতে হাসপাতাল কতৃপক্ষ রাজি নয়।

গত বুধবার আদ্‌-দ্বীন হাসপাতালের পোস্ট ডেলিভারি অপারেটিভ ওয়ার্ডে একসঙ্গে ছয়টি নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। স্বাস্থ্যমন্ত্রীর অভিযানে হাসপাতালের বিভিন্ন জায়গায় যখন দুর্গন্ধযুক্ত পচা পানি ও মশার প্রজনন ক্ষেত্র পাওয়া গেছে, ঠিক তখনই এই সুইমিং পুলের পানির উৎস এবং এর বর্জ্য নিষ্কাশন ব্যবস্থা নিয়েও বড় ধরনের প্রশ্ন উঠেছে।

মামলার পর হাসপাতালের শীর্ষ কর্মকর্তারা এখন পুলিশের কড়া নজরদারিতে রয়েছেন। আগামী ৩ জুন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উচ্চপর্যায়ের ছয় সদস্যের তদন্ত কমিটি এই কাঠামোগত ত্রুটি ও সুইমিং পুলের অবৈধ ডিজাইনের বিষয়ে চূড়ান্ত রিপোর্ট পেশ করতে যাচ্ছে। সেবার আড়ালে মরণফাঁদ পেতে বসা এই চক্রের প্রতিটি হোতাকে আইনের মুখোমুখি দেখতে চায় দেশবাসী

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

বেরোবির ১৮তম ব্যাচের নবীনদের বরণে শিবিরের বিশেষ আয়োজন

Published

on

By

বেরোবি প্রতিনিধি:

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুরের (বেরোবি) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে (১৮তম ব্যাচ) নবীন শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানাতে নবীনবরণ ও ক্যারিয়ার গাইডলাইন প্রোগ্রাম-২০২৬ আয়োজন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির বেরোবি শাখা।

আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার) সকাল ৮টায় রংপুরের রূপকথা থিম পার্ক ও কনভেনশনে এ অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান বেরোবি শাখা শিবির সভাপতি।

আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন শিক্ষার্থীদের নবীন বরণের পাশাপাশি তাদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়জীবন, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, ক্যারিয়ার সম্পর্কে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হবে যার মাধ্যমে জ্ঞানচর্চা, নৈতিকতা ও ইতিবাচক চিন্তা যা ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার বিষয়টি উৎসাহিত করবে।

এছাড়াও নবীন শিক্ষার্থীদের জন্য আল-কুরআন, ব্যাগ, বই, কলম ,চাবির রিং ও অন্যান্য ধর্মাবলম্বী নবীন শিক্ষার্থীদের জন্যও বিশেষ উপহারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

ক্যাম্পাসের পরিবর্তে বাইরে অনুষ্ঠান আয়োজনের কারণ জানতে চাইলে বেরোবি শিবির সভাপতি আব্দুর রাকিব মুরাদ বলেন, নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ ও ক্যারিয়ার গাইডলাইন অনুষ্ঠানটি সুন্দর ও সফলভাবে আয়োজনের লক্ষ্যেই ক্যাম্পাসের বাইরে আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে জায়গার সংকট রয়েছে এবং নিজস্ব কোনো অডিটোরিয়ামও নেই।

তিনি আরও বলেন, বাইরে অনুষ্ঠান আয়োজন করলে আবহাওয়াজনিত ঝুঁকিও থাকে। বড় আয়োজনের মধ্যে বৃষ্টি হলে অনুষ্ঠান ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের ভোগান্তিতে পড়তে হতে পারে। এসব বিষয় বিবেচনা করেই রূপকথা থিম পার্কে অনুষ্ঠান আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আয়োজকরা জানিয়েছেন, অনুষ্ঠানের ক্যারিয়ার গাইডলাইন সেশনে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম উপস্থিত থাকবেন

Continue Reading

top3

শাকসু বন্ধ করে ‘উপাচার্য’ হয়েছেন, এবার শাকসু নির্বাচন দিন

Published

on

By

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) নির্বাচন দ্রুত আয়োজনের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের
সামনে থেকে মিছিলটি শুরু হয়। মিছিলটি অ্যাকাডেমিক ভবন ‘ই’ প্রদক্ষিণ করে প্রশাসনিক ভবনের সামনে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়।

সমাবেশে ছাত্রশক্তির সদস্য সচিব রিয়াজ রিমন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের প্রতিনিধি থাকলেও শিক্ষার্থীদের কোন প্রতিনিধি নাই। শিক্ষার্থীদের সমস্যা নিয়ে কথা বলার মানুষ নেই। তাই প্রশাসনকে উদ্যোগ নিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি ঠিক করতে হবে।

তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে উদ্দেশ্য করে বলেন, বিগত সময়ে আপনি সংবাদ সম্মেলন করে বলেছিলেন যদি শাকসু নির্বাচন হয় জাতীয়তাবাদী শিক্ষকরা কোন সহযোগীতা করবে না। তার বিনিময়ে তারেক রহমান সরকার আপনাকে শাবিপ্রবির উপাচার্য বানিয়েছেন। আপনি আপনার পুরস্কার পেয়েছেন। এখন আপনি শিক্ষার্থীদের শাকসু নির্বাচন দিয়ে দিন।

ছাত্রশিবিরের অর্থ সম্পাদক শাকিল মাহমুদ বলেন, ‘বিএনপি ও ছাত্রদলের ষড়যন্ত্রের কারণেই শাকসু নির্বাচনের একদিন আগে নির্বাচন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। এটা আমাদের সকলের কাছে পানির মতো পরিষ্কার।’

উপাচার্যেকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘আপনার রাজনৈতিক পরিচয় থাকতে পারে। কিন্তু আপনি যখন উপাচার্যের দায়িত্বে আছেন, তখন আপনি ৯ হাজার শিক্ষার্থীর উপাচার্য। রাজনৈতিক পরিচয় এক পাশে রেখে শিক্ষার্থীদের অধিকার রক্ষা করাই আপনার প্রধান দায়িত্ব।’

এ সময় প্রশাসনকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, ‘রবিবারের মধ্যে রোডম্যাপ ঘোষণা না করলে আপনাকে অতীত স্মরণ করিয়ে দিতে চাই। শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবির কারণে অতীতে বিশ্ববিদ্যালয় মাসের পর মাস বন্ধ ছিল। আপনারা যদি শিক্ষার্থীদের দাবিকে উপেক্ষা করেন এবং আমাদের সঙ্গে বসে রোডম্যাপ ঘোষণা না করেন, তাহলে আবারও সেই পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।’
জাতীয় ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক আবরার রাশিদ বলেন, একটি রাজনৈতিক দল এবং একই সঙ্গে প্রশাসনের যোগসাজশে যেভাবে শাকসু বন্ধ হয়েছে এবং বর্তমান পর্যায়ে যেখানে নতুন প্রশাসন এসে সেটাকে পুনরুদ্ধার ও সুন্দরভাবে পরিচালনা করার কথা, কিন্তু একই প্রশাসন বর্তমান প্রশাসনও সেই আগের প্রশাসনের সঙ্গে যেভাবে হাঁটছে, এর ফল আমরা খুব একটা সুখকর মনে করছি না।

তিনি আরো বলেন, আমরা কিন্তু জুলাই থেকে উঠে আসা মানুষ। আমরা চাই, এই প্রশাসন, এই সরকার আমাদের শিক্ষার্থীদের স্পিডটা বুঝুক। যদি শিক্ষার্থীদের স্পিড বুঝতে ব্যর্থ হয়, যদি শিক্ষার্থীদের চাওয়া-পাওয়া বুঝতে এই সরকার ও প্রশাসন ব্যর্থ হয়, তবে এর পরিণাম খুব একটা সুখকর হবে বলে আমরা মনে করি না।

Continue Reading

top3

ভাইভাতে নম্বর বৃদ্ধির মাধ্যমে মেধার অবমূল্যায়নের প্রতিবাদে ববিতে মানববন্ধন

Published

on

By

ববি প্রতিনিধি

সরকারি চাকরিতে অযৌক্তিক হারে নম্বর বৃদ্ধির মাধ্যমে মেধার অবমূল্যায়ন ও রাজনৈতিক সুপারিশ সৃষ্টির প্রতিবাদ জানিয়ে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন করেছে।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ নম্বর গেটের সামনে এ মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় শিক্ষার্থীরা তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির সরকারি চাকরিতে মৌখিক পরীক্ষার নম্বর বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। একই সঙ্গে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও মেধার যথাযথ মূল্যায়ন নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।

এ সময় ববির আইন বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ইমন আলী বলেন, “আমরা চাই, দেশের সব নাগরিকের চাকরিতে সমান অধিকার থাকবে। এখানে কোনো দলীয়পন্থি বা দলীয় গোষ্ঠীর লোকজন চাকরি করবে এমনটা হবে না। আমরা এসব মানি না। আমরা বছরের পর বছর পড়াশোনা করি, আর আপনারা হঠকারী সিদ্ধান্ত নেন। আপনারা দ্রুতই এই হঠকারী সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসুন। আমরা কোনো সরকারের বিপক্ষে নই, আমরা কোনো ভাইবার বিপক্ষেও নই। আমরা আপনাদের এই হঠকারী সিদ্ধান্তের বিপক্ষে।”

ববি রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী হাফিজ বলেন, “সরকারের উদ্দেশ্য কী, সাধারণ জনগণ তা বুঝতে পেরেছে। আমরাও জানি ভাইভায় নম্বর বৃদ্ধির কারণ কী। আমরা আমাদের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিতে চাই অনতিবিলম্বে সরকারকে এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে হবে। এই সিদ্ধান্ত থেকে তাদের ফিরে আসতে হবে। তাদের এই লিটমাস টেস্ট থেকে সরে আসতে হবে। যদি আপনারা এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে না আসেন, তাহলে হাসিনার মতো একই পরিণতি ভোগ করতে হবে।”

উল্লেখ্য, গত ৬ সেপ্টেম্বর মন্ত্রণালয়, বিভাগ এবং এর আওতাধীন দপ্তর-সংস্থায় ১১ থেকে ২০তম গ্রেডের (তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণি) নিয়োগে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় সমান ৫০ নম্বর রাখার সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসনিক উন্নয়নসংক্রান্ত সচিব কমিটি। এ সিদ্ধান্তের পর থেকেই বিভিন্ন স্থানে এর প্রতিবাদ জানিয়ে আসছেন চাকরিপ্রত্যাশী ও শিক্ষার্থীরা।

Continue Reading

Trending