ইবি প্রতিনিধি
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্ন ক্যাম্পাস নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধ এবং ক্লিন ক্যাম্পাস কর্মসূচি-২০২৬’ বাস্তবায়ন বিষয়ে বিশেষ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফারেন্স কক্ষে আলোচনা সভাটি আয়োজন করা হয়। উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেনের নেতৃত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. ইদ্রিস আলী, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. আতিকুর রহমান। এসময় সাংবাদিক, সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভায় ক্যাম্পাসে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধ, মশার প্রজননস্থল চিহ্নিত ও ধ্বংস করা, ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানি ও আবর্জনা অপসারণ এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতা বৃদ্ধির মতো বিষয়গুলোকে কর্মসূচির গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে তুলে ধরা হয়। এছাড়া পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ, সংগঠন ও সংশ্লিষ্টদের সমন্বিতভাবে কাজ করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। সভায় উপস্থিত বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্ন ক্যাম্পাস গড়ে তোলার উদ্যোগে সহযোগিতার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। ‘ক্লিন ক্যাম্পাস কর্মসূচি-২০২৬’-এর মাধ্যমে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যকর ও শিক্ষাবান্ধব ক্যাম্পাস হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর কর্মসূচিটি বাস্তবায়ন করবে প্রশাসন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. ইদ্রিস আলী বলেন, আমরা নিজেরা সচেতন হই। এখানে ছাত্র সংগঠনগুলোর দায়িত্বশীলরা আছেন, যেহেতু বিভিন্ন সংগঠনের দায়িত্ব নিয়েছি, যেকোনো বিপর্যয় এক সঙ্গে মোকাবিলা করবো। প্রশাসন সহযোগিতা করতে পারে, বাকিটা নিজেদের ওপর নির্ভর করে।
উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন বলেন, অনেকেই বিভিন্ন ধরনের পরামর্শ দিয়েছেন। তা আমরা পালন করার চেষ্টা করবো। প্রতিটি সংগঠন যেন ভালো কাজের প্রতিযোগিতায় নামুক আমরা সেটাই দেখতে চাই। সকল রাজনৈতিক, সাংবাদিক ও সামাজিক সংগঠনগুলো নিজেদের মতো করে প্রতিযোগিতায় নামলে যেকোনো বিপর্যয় সামাল দেওয়া যায়। শুধু নির্দিষ্ট কোনো দপ্তরে গিয়ে বা ব্যানার ধরে সচেতন করলে হবে না। নিজ থেকে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। সংগঠনগুলো যদি নির্দিষ্ট জায়গা ভাগ করে নিয়ে পরিচ্ছন্ন রাখে তাহলে ক্যাম্পাস পরিবর্তন হবে। পাশাপাশি প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রতিটি সংগঠনকে ১৫ টা করে ঝুড়ি দিয়ে দিব। তাদের মতো করে গোছাবে