ইবি প্রতিনিধি
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া বিজ্ঞান বিভাগের আন্তঃসেশন ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে চতুর্থ ব্যাচ ‘প্রভঞ্জন’কে ২-ও গোলে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে পঞ্চম ব্যাচ ‘পঞ্চদুর্জয়’।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ক্রিকেট মাঠে এ ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। টুর্নামেন্টের সমাপনীতে প্রপার ড্রেস কোড পরিধান করে খেলায় অংশ নেন শিক্ষার্থীরা।
আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া বিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. এ. এস. এম সরফরাজ নওয়াজ। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা বিভাগের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ড. শেখ মোস্তাফিজুর রহমান ও উপ-পরিচালক ড. মো. আসাদুর রহমান। এছাড়া বিভাগের প্রভাষক মো. মাসউদ রানা, প্রভাষক সাথী খাতুনসহ বিভিন্ন ব্যাচের শিক্ষার্থীরা খেলাটি উপভোগ করেন।
তিন দিনব্যাপী আয়োজিত এ টুর্নামেন্টে বিভাগের পাঁচটি ব্যাচ অংশ নেয়। তৃতীয় ব্যাচ ‘তেজস্বী’র সার্বিক ব্যবস্থাপনায় দলগুলোকে দুটি গ্রুপে ভাগ করা হয়। প্রথম গ্রুপে ছিল ১ম ব্যাচ ‘স্বাপ্নিক’, ২য় ব্যাচ ‘স্বচ্ছ’ ও ৪র্থ ব্যাচ ‘প্রভঞ্জন’। দ্বিতীয় গ্রুপে প্রতিযোগিতা করে ৩য় ব্যাচ ‘তেজস্বী’ ও ৫ম ব্যাচ ‘পঞ্চদুর্জয়’। ফাইনালে প্রধান রেফারির দায়িত্ব পালন করেন ২য় ব্যাচের শিক্ষার্থী মো. মাসুদ রানা এবং সাইড রেফারি ছিলেন ৩য় ব্যাচের শিক্ষার্থী শেখ আবু হুরায়রা সুজন ও মো. মিরাজুল ইসলাম। ধারাভাষ্যে ছিলেন ১ম ব্যাচের শিক্ষার্থী জাফর ইকবাল।
পুরস্কার বিতরণী পর্বে প্রভাষক সাথী খাতুন বলেন, “একজন খেলোয়াড় কতটা আন্তরিকতা ও ভালোবাসা নিয়ে নিজের সর্বোচ্চটা দিয়ে খেলছে—সেটাই আসল। আশা করি, আসন্ন আন্তঃবিভাগ প্রতিযোগিতায় এই খেলোয়াড়রা তাদের সেরাটা দিয়ে বিভাগকে চ্যাম্পিয়ন করবে।”
প্রভাষক মো. মাসউদ রানা বলেন, “এই আয়োজনের মাধ্যমে বিভাগের সেরা প্রতিভারা উঠে এসেছে। আসন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফুটবল প্রতিযোগিতায় এদের কাজে লাগানোর একটি বড় সুযোগ তৈরি হলো।”
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ড. শেখ মোস্তাফিজুর রহমান প্রাক-প্রতিযোগিতা, প্রতিযোগিতা চলাকালীন এবং প্রতিযোগিতা পরবর্তী—এই তিন ধাপের বাস্তব অভিজ্ঞতার গুরুত্ব তুলে ধরে তরুণ খেলোয়াড়দের প্রশংসা করেন এবং তাদের শুভকামনা জানান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. এ. এস. এম সরফরাজ নওয়াজ বলেন, “জয়-পরাজয় বড় কথা নয়, দিনশেষে আমাদের ভালোবাসার বিভাগটিই জিতেছে। নতুন বিভাগ হওয়ায় কিছু শিক্ষকস্বল্পতা ও প্রশাসনিক ব্যস্ততা থাকলেও খুব দ্রুতই এসব সমস্যার সমাধান করে শিক্ষার্থীদের খেলার সুযোগ-সুবিধা আরও বাড়ানো হবে।”