ঢাকা, ৩ নভেম্বর ২০২৫ — বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন জানিয়েছেন, ২০৩০ সালের মধ্যে চট্টগ্রামে আরও তিনটি নতুন বন্দর চালু হবে। এই উদ্যোগ দেশের বাণিজ্যিক সক্ষমতা ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য প্রবাহ বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
রোববার রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত ‘সেন্ট্রাল ইন্টিগ্রেটেড মাল্টিমোডাল ট্রান্সপোর্ট সেক্টর মাস্টার প্ল্যান অব বাংলাদেশ’ বিষয়ক আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে তিনি বলেন, “নতুন এসব বন্দর চালুর আগে থেকেই কার্যকর সড়ক যোগাযোগ নিশ্চিত করতে হবে। এজন্য এখনই দ্রুত উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।”
বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, “যোগাযোগ ব্যবস্থার বিশৃঙ্খলা অর্থনীতির জন্য গলার ফাঁস হয়ে দাঁড়াতে পারে।” তিনি সড়ক, রেল, বিমান ও নৌপথ—এই চার মাধ্যমের সমন্বিত ও টেকসই উন্নয়ন এবং পরিবেশ ও নদী রক্ষার ওপর জোর দেন।
“নদীর ওপর আঘাত করা যাবে না, কারণ নদী আমাদের প্রাণ। পানি শান্ত রাখতে হবে—এটাই আমাদের সম্পদ।” — মুহাম্মদ ইউনূস
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী শেখ মঈনউদ্দিন বলেন, “যোগাযোগের ক্ষেত্রে একটি সামষ্টিক মডেল দাঁড় করানোর চেষ্টা চলছে।”
পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেন, “ছোট ছোট সড়ক নির্মাণ করে জাতীয় কানেক্টিভিটি নিশ্চিত করা সম্ভব।”
স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া জানান, স্থানীয় সরকার বিভাগে একটি ‘প্ল্যানার্স উইং’ গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
চট্টগ্রাম বন্দরের মাধ্যমে দেশের ৯০% আন্তর্জাতিক ট্রেড পরিচালিত হয়। নতুন বন্দরের মাধ্যমে পণ্য পরিবহন সক্ষমতা, কনটেইনার হ্যান্ডলিং, এবং জাহাজ ক্লিয়ারেন্স টাইম উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।