চ্যাম্পিয়ন্স লিগের রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে শুরুতে আশার আলো জাগিয়েও শেষ রক্ষা হলো না বার্সেলোনার। কোয়ার্টার-ফাইনালের ফিরতি লেগে আতলেতিকো মাদ্রিদকে ২-১ গোলে হারিয়েও দুই লেগ মিলিয়ে ৩-২ ব্যবধানে পিছিয়ে থেকে বিদায় নিতে হলো হান্সি ফ্লিকের শিষ্যদের।
দীর্ঘ ৯ বছরের অপেক্ষা শেষে সেমি-ফাইনালের টিকিট কেটে উৎসবে মাতল দিয়েগো সিমিওনের আতলেতিকো, আর অন্য প্রান্তে থাকল কেবলই কাতালানদের দীর্ঘশ্বাস।
মেত্রোপলিতানো স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরুটা ছিল বার্সেলোনার দাপটে। প্রথম লেগের ২-০ ব্যবধানের ঘাটতি ঘোচাতে এদিন ইতিহাসে নিজেদের কনিষ্ঠতম একাদশ নিয়ে মাঠে নামে বার্সা। ম্যাচের মাত্র ৪ মিনিটেই তরুণ তুর্কি লামিনে ইয়ামালের গোলে এগিয়ে যায় সফরকারীরা।
এর ঠিক ২০ মিনিট পর দানি ওলমোর সহায়তায় ফেররান তোরেস যখন বল জালে পাঠান, তখন দুই লেগ মিলিয়ে স্কোরলাইন ২-২ সমতায় ফিরে আসে। গ্যালারিতে তখন নিস্তব্ধতা আর বার্সার শিবিরে রূপকথার প্রত্যাবর্তনের হাতছানি।
তবে সেই আনন্দ দীর্ঘস্থায়ী হতে দেয়নি স্বাগতিক আতলেতিকো। ৩১তম মিনিটে মার্কোস ইয়োরেন্তের পাস থেকে গোল করে ব্যবধান কমান নাইজেরিয়ান ফরোয়ার্ড আদেমোলা লুকমান। এই এক গোলই শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়।
বিরতির পর সমতা ফেরাতে মরিয়া বার্সেলোনার ফেররান তোরেসের একটি গোল ভিএআর-এর কারণে অফসাইডে বাতিল হলে কপাল পোড়ে ফ্লিকের দলের। ম্যাচের শেষ দিকে এরিক গার্সিয়া সরাসরি লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে ১০ জনের বার্সেলোনা আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি।
লেভানদোভস্কি ও রাশফোর্ড বদলি হিসেবে নামলেও মুসোর দেয়াল আর ভাঙা সম্ভব হয়নি। ২০১৪ ও ২০১৬ সালের পুনরাবৃত্তি ঘটিয়ে বার্সাকে আরও একবার কোয়ার্টার-ফাইনাল থেকে বিদায় করে সেমিফাইনালে পা রাখল আতলেতিকো মাদ্রিদ।