top3

নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ করে নিল ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়

Published

on

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ৯টি অনুষদের শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে দুই পর্বে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত (ভার্চুয়ালি) ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এবং বক্তা ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজিবিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুল আওয়াল।

এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদার উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা সচিব আবদুল খালেক, ইউজিসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ, ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন, মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. তোজাম্মেল হোসেন, ইবি উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. ইদ্রিস আলী এবং মালয়েশিয়া-বাংলাদেশ উন্নয়ন ও বাণিজ্য সম্পর্ক অ্যাসোসিয়শনের নির্বাহী পরিচালক মাহবুব আলম শাহ। এছাড়াও বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগের শিক্ষক শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে ধর্মীয় গ্রন্থ পাঠের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। পরে জাতীয় সংগীত পরিবেশনা, জুলাই শহিদদের স্মরণে নিরবতা পালন, নবীনদের ফুলদিয়ে বরণ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়। সবশেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে আয়োজনের সমাপ্তি ঘটে।

অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমান বলেন, “ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় মহান একটি ব্রত নিয়ে স্থাপিত হয়েছে। অন্যান্য বিশ্ববিদ্যলয়ের চেয়ে এই বিশ্ববিদ্যালয়টি স্বতন্ত্র। আমি বিশ্বাস করি আমাদের যারা গ্রাজুয়েট তারা দেশে এবং দেশের বাইরে কৃতিত্বের সাথে, যোগ্যতা ও দক্ষতার সাথে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে চলেছে।”

তিনি আরও বলেন, “নীতি নৈতিকতা মূল্যবোধের দিক থেকে আমি বিশ্বাস করি অন্যান্য বিশ্ববিদ্যলয়ের তুলনায় আমাদের বিশ্ববিদ্যলয়ের শিক্ষার্থীরা এগিয়ে। আমি বিশ্বাস করি বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের যে পরিকল্পনা সেখানে তিনি বহু ভাষিক অর্থাৎ থার্ড ল্যাঙ্গুয়েজ কে গুরুত্ব দিয়েছে এবং আমরা খুব দ্রুত জাপানিজ এবং চাইনিজ ভাষার কার্যক্রম খুব দ্রুত শুরু করব।”

অনুষ্ঠানে ভার্চুয়াল বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, “আগামী দিনে শিক্ষা খাতে ব্যাপক বিপ্লব আনার জন্য আমাদের কাজ করে যেতে হবে। তারেক রহমানের সরকার শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে। তিনি এই বছর জিডিপির ২ শতাংশ বাজেট উন্নত করেছেন। গত বছরে ছিল মাত্র ৮৭ হাজার কোটি টাকা; এই বছর আমরা পেয়েছি ১ লাখ ৩৬ হাজার কোটি টাকা। এই টাকা দিয়ে আমরা আগামী দিনে আরও বাজেট বাড়াব—সেই বিশ্বাস আমাদের রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন, তিনি আমাদের শিক্ষা খাতের বাজেট জিডিপির ৫ শতাংশ পর্যন্ত উন্নীত করার পরিকল্পনা হয়েছে সরকারের।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Trending

Exit mobile version