প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে সর্বোচ্চ ৭১ রান করেছিলেন স্টিভ স্মিথ। দ্বিতীয় ইনিংসেও তিনিই ধরে রেখেছিলেন দলের হাল। ছুটছিলেন ফিফটির কাছাকাছি। কিন্তু মেহেদী হাসান মিরাজের স্পিনে ৪৪ রানে কাটা পড়লেন তাকেই ক্যাচ দিয়ে।
৫ চারে সাজানো ইনিংসটি শেষ হয়ে গেছে মিরাজের বলে। ১২২ রানে ৪ উইকেট হারিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। এখনও পিছিয়ে ১০৬ রানে। ম্যাচে এটিই মিরাজের প্রথম উইকেট।
মারনাস লাবুশেনও পারেননি প্রতিরোধ গড়তে। শুরু করলেও ইনিংস বড় করতে পারেননি। ৩১ রান করে বোল্ড হয়েছেন তাইজুল ইসলামের বলে। তার বিদায়ে ৭৩ রানে ৩ উইকেট হারায় অজিরা। মিডল ও লেগ স্টাম্প বরাবর ফুল লেন্থের বলটি অনসাইডে খেলতে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু বলের লাইন মিস করে পুরোপুরি পরাস্ত হন।
তৃতীয় দিন ৪২৬ রানে অলআউট হওয়া বাংলাদেশ লিড জমা করে ২২৮। এরপর অজিদের দুটি উইকেটই তুলে নিয়েছেন প্রথম ইনিংসের নায়ক হাসান মাহমুদ।
দুই ওপেনারকেই তিনি ফিরিয়েছেন বোল্ড করেছেন হাসান। জেক ওয়েদারাল্ডকে ও ট্রাভিস হেড দুজনই ইনসাইড এজে বোল্ড হয়েছেন।
৩ চারে ১৭ রান করে ইনসাইড এজে বোল্ড হয়েছেন হেড। প্রথম ইনিংসেও তাকে বোল্ড করেছিলেন হাসান। তার বিদায়ে ৩৭ রানে ২ উইকেট হারায় অজিরা।
জেক ওয়েদারাল্ডকে ফেরান রানের খাতা খোলার আগেই বোল্ড করে। ফলে ৪ রানে প্রথম উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া।
প্রথম ইনিংসেও ওয়েদারাল্ড সাজঘরে ফিরেছিলেন হাসানের বলে। সেই ভয়টাই কাটিয়ে উঠতে ব্যর্থ হয়েছেন তিনি দ্বিতীয় ইনিংসেও।
এর আগে, প্রথম ইনিংসে ৪২৬ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। বোর্ডে লিড জমা হয় ২২৮ রান।
বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ১০১ রান করেন তানজিদ হাসান তামিম। ৮৪ করেন নাজমুল হোসেন শান্ত ও ৬৫ রান আসে মেহেদী হাসান মিরাজের ব্যাটে।
অজিদের হয়ে ৬ উইকেট শিকার করেছেন জশ হ্যাজেলউড। মিরাজকে ফিরিয়ে টেস্টের ৩০০ উইকেট পূর্ণ করেছেন তিনি।