top2

মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে গেছে এফবিআই

Published

on

আন্তর্জাতিক শিশু যৌন নিপীড়নের চক্র পরিচালনাসহ বিভিন্ন অভিযোগে জোবাইদুল আমিন (২৮) নামের এক বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তারের পর মালয়েশিয়া থেকে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে গেছে মার্কিন কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা (এফবিআই)।

এফবিআইয়ের পরিচালক কাশ প্যাটেল আজ শুক্রবার এক এক্স পোস্টে এই তথ্য জানান। পোস্টে তিনি বলেন, এফবিআইসহ মার্কিন অংশীদাররা জোবাইদুলকে গ্রেপ্তার করে। তিনি ২০২২ সাল থেকে পলাতক ছিলেন।

এফবিআইয়ের পরিচালক লিখেছেন, জোবাইদুলকে মালয়েশিয়া থেকে যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কায় নিয়ে এসেছে এফবিআই। আলাস্কায় তিনি তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের মুখোমুখি হবেন। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পরে প্রকাশ করা হবে।

তদন্ত ও গ্রেপ্তারে সহযোগিতার জন্য মালয়েশিয়া সরকারসহ যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় অংশীদারদের ধন্যবাদ জানান এফবিআইয়ের পরিচালক।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের ওয়েবসাইটে গতকাল বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক শিশু যৌন নিপীড়নের চক্র পরিচালনার অভিযোগে ৫ মার্চ ডিস্ট্রিক অব আলাস্কার আদালতে এক বাংলাদেশিকে হাজির করার বিষয়টি নির্ধারিত আছে।

২০২২ সালের জুলাইয়ে জোবাইদুলকে যুক্তরাষ্ট্রের একটি ফেডারেল গ্র্যান্ড জুরি আলাস্কাসহ যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য স্থান ও বিদেশে শত শত শিশুকে নিপীড়নের সঙ্গে সম্পর্কিত অভিযোগে অভিযুক্ত করেন।

অভিযোগ অনুযায়ী, জোবাইদুল ইনস্টাগ্রাম, স্ন্যাপচ্যাটসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে অপ্রাপ্তবয়স্কদের খুঁজে বের করতেন। তিনি তাদের যৌনতামূলক ছবি–ভিডিও তৈরিতে বাধ্য করতেন।

যুক্তরাষ্ট্রে অভিযোগ আনার আগে জোবাইদুল মালয়েশিয়ায় বসবাস করছিলেন। তিনি মালয়েশিয়ায় চিকিৎসাশাস্ত্রে পড়াশোনা করছিলেন।

২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে মালয়েশিয়ার অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় জোবাইদুলকে শিশু পর্নোগ্রাফি নিজের কাছে রাখা ও তৈরিসংক্রান্ত অভিযোগে অভিযুক্ত করে।

জোবাইদুলের বিষয়ে এফবিআই ও যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ মালয়েশিয়ার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করে আসছে। ৪ মার্চ তাঁকে মালয়েশিয়া থেকে যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কায় নেওয়া হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জোবাইদুল যদি দোষী সাব্যস্ত হন, তবে তাঁর ২০ বছর থেকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Trending

Exit mobile version