বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী বলেছেন, ‘জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে দেশের শিক্ষার্থীরা যে সাহস ও সংগ্রামের পরিচয় দিয়েছে, তা এ জাতির ভবিষ্যৎ বদলানোর শক্তি বহন করে। ৫ আগস্টের পরও যদি দেশে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন ও সংস্কার না আসে, তবে সেই গণঅভ্যুত্থানের মূল্যহানি ঘটবে। আজকের শিক্ষার্থীরা দাদাগিরি চায় না; তারা চায় অধিকার, ন্যায়বিচার ও প্রতিরোধ গড়ে তোলা।’
আজ শুক্রবার চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত “𝗞𝗻𝗼𝘄 𝗬𝗼𝘂𝗿 𝗥𝗶𝗴𝗵𝘁𝘀 𝗪𝗶𝘁𝗵 𝗖𝗨𝗖𝗦𝗨” শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসা প্রশাসন অনুষদের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এ সেমিনারে শিক্ষার্থীদের দৈনন্দিন জীবনে প্রয়োজনীয় আইন, অধিকার ও করণীয় সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।
শিশির মনির আরও বলেন, ‘কোনো দেশের রাজনৈতিক দলের প্রধান ও প্রধানমন্ত্রীর পদ যদি একই ব্যক্তির হাতে থাকে, তাহলে দেশ আবারও স্বৈরতান্ত্রিক শাসনের দিকে ধাবিত হওয়ার আশঙ্কা থেকেই যায়।’
বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), চট্টগ্রাম শাখার পাবলিক প্রসিকিউটর মোকাররম হোসেন। তিনি তার বক্তব্যে দুদকে অভিযোগ দাখিলের বিভিন্ন পদ্ধতি, অভিযোগ নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া এবং দুর্নীতিবিরোধী আইনি কাঠামো সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
সমাপনী বক্তব্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু)’র সহ-সভাপতি (ভিপি) জনাব ইব্রাহিম রনি বলেন, ‘চাকসু নির্বাচনের এক মাস পেরিয়ে গেলেও আমরা কোনো বাজেট পাইনি। তবে বাজেট বা কোনো প্রশাসনিক জটিলতা আমাদের অগ্রজাত্রা রুদ্ধ করতে পারবে না। শিক্ষার্থীদের স্বার্থে চাকসু তার গতি ধরে রাখবে—ইনশাআল্লাহ। ভবিষ্যতেও আইনভিত্তিক সচেতনতামূলক কার্যক্রম নিয়মিতভাবে চলমান থাকবে।’