Connect with us

ক্যাম্পাস

জকসুতে আচরণবিধি লঙ্ঘন: নির্বাচন কমিশনের সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন স্বতন্ত্র ভিপি প্রার্থী

Published

on

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘন নিয়ে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকাকে প্রশ্নবিদ্ধ বলে অভিযোগ তুলেছেন সহসভাপতি (ভিপি) পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী চন্দন কুমার দাস। সোমবার (২৪ নভেম্বর) প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর দেওয়া এক লিখিত অভিযোগে তিনি এ বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।চন্দন কুমার দাস অভিযোগ করেন, মনোনয়নপত্র সংগ্রহের সময় থেকেই কয়েকজন প্রার্থী ধারাবাহিকভাবে আচরণবিধি লঙ্ঘন করে আসছেন। প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও নির্বাচন কমিশন কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি বলে দাবি তার। এতে কমিশনের সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

অভিযোগে তিনি জানান, ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের জিএস প্রার্থী খাদিজাতুল কোবরা ছাত্রী হলে গিয়ে বিভিন্ন কক্ষে পানি রাখার মগ, প্লেট, স্যানিটাইজার ও ন্যাপকিন বিতরণ করেছেন যা নির্বাচনী আচরণবিধির সরাসরি লঙ্ঘন। এ ছাড়া ‘জীবনের জন্য গান’ শিরোনামে আয়োজিত এক কনসার্টে ওই প্রার্থীসহ আরো দুজনকে মঞ্চে উঠতে দেখা যায়। অথচ নির্বাচন কমিশনের অনুমতিপত্রের ৩ নম্বর শর্তে স্পষ্ট উল্লেখ ছিল কোনো প্রার্থী মঞ্চে উঠতে পারবেন না। একই অনুষ্ঠানে প্রকাশ্যে অনুদান ঘোষণাকেও তিনি আচরণবিধির ৫(গ) ধারার লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

চন্দন অভিযোগে আরো বলেন, আজ ২৪ নভেম্বর সকালে ছাত্রদল সমর্থিত ভিপি প্রার্থী মো. রাকিবকে শিক্ষার্থীদের মধ্যে খাবার বিতরণ করতে দেখা গেছে। এটিও আচরণবিধির ১১(ঙ) ধারার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।অভিযোগপত্রে তিনি বলেন, প্রার্থীরা বারবার আচরণবিধি ভেঙে যাওয়ার পরও কমিশনের নিষ্ক্রিয়তা নির্বাচনী পরিবেশকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। পুনরাবৃত্ত লঙ্ঘনের দায়ে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের প্রার্থিতা বাতিলের দাবি জানান তিনি। এছাড়া এ অভিযোগে তিনি নির্বাচন কমিশনের প্রতি অবিলম্বে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান।শুধু চন্দনই নয় কমিশনের নির্বাচন করার সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অন্যান্য প্যানেলের প্রার্থীরা। ছাত্র ফ্রন্ট সমর্থিত প্যানেল ‘মওলানা ভাসানী ব্রিগেড’-এর এজিএস প্রার্থী শামসুল আলম মারুফ ক্ষোভ প্রকাশ করে লিখেছেন, একেক প্যানেল একেকভাবে আচরণবিধি লঙ্ঘন করছে। দুর্যোগের সুযোগ নিয়ে তারা নির্বাচনকে প্রভাবিত করছে। অবিলম্বে ব্যবস্থা না নিলে জকসু সার্কাসে পরিণত হবে।ঐক্যবদ্ধ জবিয়ান প্যানেলের এজিএস প্রার্থী শাহিন মিয়া লিখেছেন, ছাত্রদল প্রতিদিন একের পর এক আচরণবিধি লঙ্ঘন করছে। নির্বাচন কমিশন কি দেখে না? জিএস প্রার্থী ফয়সাল মুরাদ লিখেছেন, হল থেকে কনসার্ট, সবখানেই ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেল নিয়ম ভাঙছে। কমিশন কি কাঠের চশমা পরে আছে?

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ক্যাম্পাস

রাবিতে সিওয়াইবি এর উদ্যোগে অভিযান, ৫ দোকানকে ৩২০০০ জরিমানা

Published

on

By

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) এলাকায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য পরিবেশন ও ভোক্তা অধিকার লঙ্ঘনের দায়ে ৫টি খাবার হোটেলকে ৩২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

সোমবার (২০ এপ্রিল) কনজ্যুমার ইয়ুথ বাংলাদেশ (সিওয়াইবি) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার উদ্যোগে এবং রাকসু নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে এই বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে সরাসরি তত্ত্বাবধানে ছিল জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এবং বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর রাজশাহী বিভাগের সহকারী পরিচালক ফজলে এলাহী ও নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধি চিন্ময় প্রামাণিক এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন। এসময় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সহকারী প্রক্টর জহিরুল ইসলাম, বেলাল হোসেন ও নাসির উদ্দীন উপস্থিত ছিলেন।

অভিযান শেষে সহকারী পরিচালক ফজলে এলাহী জানান, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ ও ভোক্তা অধিকার রক্ষায় নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এই অভিযান চালানো হয়েছে। জনস্বার্থে এ ধরনের তদারকি অব্যাহত থাকবে।

জরিমানার বিবরণ:

অভিযানে বিশ্ববিদ্যালয়ের টুকিটাকি চত্বর ও সংলগ্ন এলাকার ৫টি প্রতিষ্ঠানকে সতর্কতামূলক এই অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। এর মধ্যে ক্যাফে গ্রিন ভিউ ২০,০০০ টাকা, সুরুজ হোটেল ৫,০০০ টাকা, বাবু হোটেল ৩,০০০ টাকা, রকি হোটেল ২,০০০ টাকা, মনির হোটেল ২,০০০ টাকা।

অভিযান চলাকালীন সিওয়াইবি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার উপদেষ্টা ড. মোঃ সালেহ মাহমুদ এবং সংগঠনটির সভাপতি সাদমান প্যারিসসহ অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত থেকে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেন। এছাড়া রাকসু নেতৃবৃন্দ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও অভিযানে অংশ নেন।

Continue Reading

ক্যাম্পাস

রাবি শিক্ষার্থীর বাবাকে মারধরের অভিযোগ স্থানীয় বিএনপি নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে 

Published

on

By

রাবি প্রতিনিধি 

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) এক ছাত্রীর বাবাকে মারধর ও তুলে নিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিএনপি নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে। গত শনিবার সন্ধ্যার দিকে যশোরের ঝিকরগাছা থানার বাকড়া বাজারে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় জড়িতদের শাস্তির দাবিতে ঝিকরগাছা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন ভুক্তভোগী। 

অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন স্থানীয় বিএনপির ইউনিয়ন সেক্রেটারি জামির হোসেন ও তাঁর সহযোগী যুবদল নেতা জহুরুল, মনি, ইদ্রিস, কালা সাঈদ, মারুফ, মিরাজ, রাহাত প্রমুখ। অন্যদিকে ভুক্তভোগী ব্যক্তির নাম মফিজুর রহমান। তিনি ওই বাজারে ৩০ বছর ধরে লাইব্রেরির পাশাপাশি বিকাশের ব্যবসা করে আসছেন। 

জিডির কপি ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত বছর একটি যাত্রাপালার জন্য চাঁদা দাবি করা হলে তা না দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিএনপি নেতা জামিরের সঙ্গে মফিজুরের মনোমালিন্য তৈরি হয়। এরই জেরে সম্প্রতি জামির হোসেন তার বিকাশ অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়ার অভিযোগ তুলে তাদের দোকানে আসেন। পরে তিনি দাবি করেন, তার অ্যাকাউন্ট থেকে ৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে এবং এর জন্য দোকান কর্তৃপক্ষকে দায়ী করেন।

ভুক্তভোগী মফিজুর রহমানের মেয়ে রাবি শিক্ষার্থী নাম প্রকাশ না করা শর্তে বলেন, ওইদিন সন্ধ্যায় দোকানের বিকাশ কাস্টমার কেয়ার বন্ধ থাকায় তার বাবা পরদিন আসতে বলেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে জামির হুমকি দিয়ে চলে যান। পরে জামির তার অনুসারীদের নিয়ে দোকানে হামলা চালান এবং লাঠিসোঁটা ও চেয়ার দিয়ে ভুক্তভোগীকে মারধর করেন। একপর্যায়ে তাকে স্থানীয় বিএনপি কার্যালয়ে নিয়ে গিয়ে আবারও নির্যাতন করা হয়।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত বিএনপি নেতা জামির হোসেন বলেন, ‘চাঁদাবাজির ঘটনা একদম ভিত্তিহীন। মফিজুরের বিরুদ্ধে অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে টাকা নেওয়ার আরও বহু অভিযোগ আছে। আমি ভুক্তভোগী হওয়ায় দলীয় ছেলে-পেলে নিয়ে দোকানে যাই। সেখানে মফিজুর তাঁদের সঙ্গে  খারাপ ব্যবহার করেন। একপর্যায়ে তর্কবিতর্ক ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। পরে ওই রাতেই স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মিমাংসা করা হয়। এখন কোনো সমস্যা নাই।’

Continue Reading

ক্যাম্পাস

চাকা পাংচার হয়ে দুর্ঘটনায় ঢাবির বাস, আহত অন্তত ১০

Published

on

By

ঢাকার কারওয়ান বাজার এলাকায় এক্সপ্রেসওয়ে থেকে নামার সময় চাকা পাংচার হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) গাজীপুর রুটের বাস ‘ক্ষণিকা’ দুর্ঘটনার কবলে পড়ে।

এ ঘটনায় অন্তত ১০ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে প্রায় ৮ জনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।

দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি সকাল ৭টায় গাজীপুর থেকে ঢাবির উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। পথে বুধবার সকাল ৯টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

ঘটনার বিষয়ে ডাকসুর সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ জানান, ফ্লাইওভার থেকে নামার আগে বাসটির চাকা হঠাৎ ব্লাস্ট হয়। এরপর বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এক্সপ্রেসওয়ে থেকে নামার সময় একটি মাইক্রোবাসের সঙ্গে ধাক্কা লাগে।

তিনি বলেন, বাসের সামনে থাকা যাত্রী ও মাইক্রোবাসে থাকা ব্যক্তিরা গুরুতর আহত হয়েছেন।

তিনি আরও জানান, আহতদের দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে এবং ভিপিসহ ডাকসু নেতারা তাদের খোঁজখবর নিচ্ছেন।

ডাকসুর পরিবহন সম্পাদক আসিফ আব্দুল্লাহ জানান, ইনসাফ বারাকা হাসপাতালে ৩ জন আহতকে নেওয়া হয়, যাদের মধ্যে একজনকে পরে ইবনে সিনা হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

তিনি বলেন, দুইজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে রিলিজ দেওয়া হয়েছে।আহতদের মধ্যে একজনের নাকে সেলাই লেগেছে এবং আরেকজন বুকে আঘাত পেয়েছেন।

এর পাশাপাশি হলি ফ্যামিলি হাসপাতালে আরও দুইজনের চিকিৎসা চলছে, যাদের হাত ও পায়ে আঘাত লেগেছে।

ঢাকা মেডিক্যালে ভর্তি হওয়া একজন শিক্ষার্থী চিকিৎসা শেষে রিলিজ নিয়েছেন।

অন্যদিকে শমরিতা হাসপাতালে তিনজন চিকিৎসা নিয়েছেন এবং তারা প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছেন বলেও তিনি জানান।

Continue Reading

Trending