Connect with us

top2

১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হবে পরিবর্তন, চাঁদাবাজমুক্ত হবে দেশ: জামায়াত আমির

Published

on

জামায়াত ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোট নির্বাচনে জয়ী হলে ১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশে পরিবর্তন শুরু হবে।

এমন প্রতিশ্রুতি দিয়ে দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘আমরা চাঁদাবাজমুক্ত ন্যায় ও ইনসাফের বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখছি। চাঁদাবাজির কবল থেকে মুক্তির জন্য আমরা নির্দয় ও নিষ্ঠুর হব।’

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) রাজধানীর মিরপুর, কারওয়ানবাজার ও বনানীতে পৃথক নির্বাচনী সভায় এসব কথা বলেন জামায়াত আমির।

কারওয়ানবাজারে আয়োজিত সমাবেশে ঢাকা-১২ আসনের প্রার্থী সাইফুল আলম খান মিলনের পক্ষে প্রচারণাকালে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘যুবকদের কারণেই আমরা চাঁদাবাজমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখছি। যুব সমাজকে চাঁদাবাজ, দখলবাজ বা অস্ত্রবাজ বানানো হলে তা কখনোই সহ্য করা হবে না।’

তিনি বলেন, তরুণদের বেকার ভাতা নয়, সম্মানের কাজ দেওয়া হবে। কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমে যুবকদের দক্ষ করে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।

চাঁদাবাজ রাজনীতিবিদদের সমালোচনা করে জামায়াত আমির বলেন, ‘রাজনীতিও করবেন, চাঁদাবাজিও করবেন—আবার চাঁদাবাজ বলা যাবে না! চাঁদাবাজি ছেড়ে দিন, আপনাকে কেউ চাঁদাবাজ বলবে না।’ তিনি বলেন, ‘চাঁদাবাজি বন্ধ করতে শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পাঠাবো না, আমরাও মাঠে নামবো।’

কারওয়ানবাজারে কৃষিপণ্যের দামের প্রসঙ্গ তুলে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘সিন্ডিকেট ও চাঁদাবাজির কারণে কৃষক, ব্যবসায়ী ও ভোক্তা—সবাই ক্ষতিগ্রস্ত। পণ্য ঢাকায় আসতে আসতে দাম তিন-চার গুণ হয়ে যায়। আমরা নিশ্চিত করবো, কৃষক যেন ন্যায্য মূল্য পায়।’

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘৫ আগস্টের পর আমরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম—কারও ওপর প্রতিশোধ নেব না, জুলুম করব না। জামায়াত সেই কথা রেখেছে। মিথ্যা মামলা দেয়নি।’

তিনি দাবি করেন, আওয়ামী লীগ আমলে জামায়াতের নেতাকর্মীদের আর্থিকভাবে নিঃস্ব করা হলেও দলটি প্রতিশোধমূলক রাজনীতিতে যায়নি।

নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশে জামায়াত আমির বলেন, ‘ভোটের পরিবেশ ভালো নয়। মা-বোনদের গায়ে হাত দেওয়া হচ্ছে, হামলা হচ্ছে। আপনারা ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ নির্বাচন উপহার দেওয়ার কথা বলেছিলেন। এখনও জনগণ আশ্বস্ত হয়নি। অন্যথায় ব্যর্থতার দায় নিতে হবে।’

বিএনপির প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ‘গণতন্ত্রের পথে হাঁটুন। আপনার কর্মসূচি চালিয়ে যান। জনগণের ইচ্ছা হলে তারা গ্রহণ করবে।’

এর আগে মিরপুরে জামায়াতের নির্বাচনী ডিজিটাল ক্যাম্পেইন ও ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচার বাস উদ্বোধন করেন ডা. শফিকুর রহমান।

তিনি বলেন ‘দুর্নীতিমুক্ত, বৈষম্যহীন সমাজ চাই। নারী ও শিশুদের জন্য নিরাপদ দেশ চাই। নির্বাচিত হলে শাসক নয়, জনগণের সেবক হতে চাই।’

শেরপুরে বিএনপি ও জামায়াতের সংঘর্ষে জামায়াত নেতা নিহত হওয়ার ঘটনায় হুঁশিয়ার করে তিনি বলেন, ‘গায়ের জোরে কিছুই করা যাবে না। সবাইকে সংযত থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।’

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top2

ব্রাজিলকে ২৮ বছর আগের স্মৃতি মনে করিয়ে সতর্কবার্তা নরওয়ে কোচের

Published

on

By

বিশ্বকাপের রাউন্ড অব ১৬ ওঠার লড়াইয়ে আজ মুখোমুখি হচ্ছে নরওয়ে ও আইভরি কোস্ট। এই ম্যাচের বিজয়ী দল পরের রাউন্ডে খেলবে ব্রাজিলের বিপক্ষে। জাপানকে ২-১ গোলে হারিয়ে ইতোমধ্যেই নকআউটের টিকিট নিশ্চিত করেছে সেলেসাওরা।

বাংলাদেশ সময় আজ মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাত ১১টায় ডালাস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে নরওয়ে-আইভরি কোস্ট ম্যাচ। ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে নরওয়ের কোচ স্টেল সোলবাকেনকে সম্ভাব্য ব্রাজিল-নরওয়ে লড়াই নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, আপাতত তাদের পুরো মনোযোগ আইভরি কোস্টকে হারানোর দিকেই।

তিনি বলেন, ‘আমরা এখনই পরবর্তী প্রতিপক্ষ নিয়ে ভাবছি না। ওটা নিয়ে ভাবার সময় এখনও আসেনি। আমাদের সম্পূর্ণ মনোযোগ কালকের ম্যাচটি জিতে মাঠ ছাড়ার ওপর।’

তবে ব্রাজিলের বিপক্ষে নরওয়ের ঐতিহাসিক সাফল্যের স্মৃতি এড়িয়ে যাননি সোলবাকেন। ১৯৯৮ বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে ব্রাজিলকে ২-১ গোলে হারিয়ে চমক দেখিয়েছিল নরওয়ে। সেই ম্যাচে ৮৯তম মিনিটে পেনাল্টি থেকে জয়সূচক গোল করেছিলেন তোরে আন্দ্রে ফ্লো।

সেই প্রসঙ্গে নরওয়ে কোচ বলেন, ‘স্মৃতির পাতা ওল্টালে, ফুটবলারদের জন্য এবং কোচের জন্য ওই ম্যাচটি অবশ্যই অনেক গুরুত্বপূর্ণ ছিল। স্বাভাবিকভাবেই আমারও সেই ম্যাচের কথা মনে আছে, কিন্তু আমরা এখানে এসেছি ওই ইতিহাসটাকে কিছুটা পেছনে ফেলে নতুন কিছু করে দেখানোর জন্যই।’

বর্তমান নরওয়ে দলে থাকা ২৬ ফুটবলারের মধ্যে মাত্র ৯ জনের জন্ম হয়েছিল ১৯৯৮ সালের সেই ম্যাচের সময়। অনেকের কাছেই তাই ব্রাজিলের বিপক্ষে সেই জয় কেবল ইতিহাসের অংশ।

দলের ডিফেন্ডার ক্রিস্টোফার আয়ার বলেন, বর্তমান নরওয়ে দল মানসিকভাবে অনেক শক্তিশালী।

তার ভাষায়, আমরা ক্যারিয়ারে অনেক উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে এসেছি, যা আমার মনে হয় বাস্তব জীবন এবং ফুটবল—উভয় জায়গাতেই দারুণ কাজে দেয়। তাই আমরা একটি সুসংগঠিত দল, যারা আগামীকালের ম্যাচে প্রতিটি ইঞ্চির জন্য লড়াই করবে এবং আশা করি জয় তুলে নেওয়ার জন্য সেটাই যথেষ্ট হবে।’

এদিকে ব্রাজিল এখন অপেক্ষা করছে নরওয়ে ও আইভরি কোস্ট ম্যাচের বিজয়ীর জন্য। কার্লো আনচেলত্তির দল আগামী রোববার বাংলাদেশ সময় রাত ২টায় শেষ ষোলোর ম্যাচে মাঠে নামবে।

Continue Reading

top2

স্বস্তি ফিরছে না বাজারে, ক্রেতাদের নাভিশ্বাস

Published

on

By

রাজধানীর বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম এখনও সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও সবজি, মাছ ও মুরগির বাজারে উল্লেখযোগ্য কোনো স্বস্তি না ফেরায় মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের ব্যয় বেড়েই চলেছে। সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও বাজারে একই চিত্র দেখা গেছে।

শুক্রবার (২৬ জুন) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, বেশির ভাগ সবজির দাম আগের সপ্তাহের মতোই রয়েছে। বিশেষ করে মৌসুমি সবজির দাম কমার প্রত্যাশা থাকলেও বাজারে তার প্রতিফলন দেখা যায়নি।

উত্তরা সমবায় বাজারে ঢেঁড়শ, পটল, ঝিঙ্গা, করলা ও চিচিঙ্গা প্রতি কেজি ৬০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বরবটির দাম ৭০ থেকে ৮০ টাকা এবং কাঁচকলার হালি ৩৫ থেকে ৪০ টাকা। এছাড়া পেঁয়াজ ৫০ থেকে ৬০ টাকা, কাঁচা পেঁপে ৩০ থেকে ৪০ টাকা, গাজর ১০০ থেকে ১২০ টাকা, কচুর লতি ৭০ টাকা এবং শিম ১৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

বিক্রেতারা বলছেন, পাইকারি বাজারে দাম না কমায় খুচরা পর্যায়েও কম দামে বিক্রি করা সম্ভব হচ্ছে না। উত্তরা সমবায় বাজারের সবজি বিক্রেতা রোমান জানান, পাইকারি বাজারে এখনো বেশির ভাগ পণ্যের দাম বেশি থাকায় ক্রেতাদের প্রত্যাশা অনুযায়ী দাম কমানো যাচ্ছে না।

মুরগির বাজারেও দামের তেমন পরিবর্তন হয়নি। ব্রয়লার মুরগি কেজিপ্রতি ১৬০ থেকে ১৬৫ টাকা, সোনালি ৩০০ টাকা, লেয়ার ৩৪০ থেকে ৩৫০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৬০০ থেকে ৬৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাজার করতে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী সৈকত আহমেদ বলেন, আগে সপ্তাহে এক-দুদিন ভালো মাছ বা মাংস কেনা যেত। এখন বাজেটের সঙ্গে মিলিয়ে কেনাকাটা করতে হচ্ছে। মুরগির দামও আগের মতো সাশ্রয়ী নেই, ফলে সংসারের খরচ সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।

অন্যদিকে গরু ও খাসির মাংসের বাজার তুলনামূলক স্থিতিশীল রয়েছে। গরুর মাংস ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা এবং খাসি বা ছাগলের মাংস ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

মাছের বাজারেও দামের চাপ অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ করে ইলিশের উচ্চমূল্য ক্রেতাদের ভোগান্তি বাড়িয়েছে। আকারভেদে ইলিশ প্রতি কেজি ১ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মাছ বিক্রেতা জামাল বলেন, বাজারে মাছের সরবরাহ থাকলেও উচ্চমূল্যের কারণে অনেক ক্রেতাই ইলিশ কিনতে পারছেন না। যারা কিনছেন, তাদের বেশির ভাগই ছোট আকারের মাছ বেছে নিচ্ছেন।

এদিকে পাঙ্গাস মাছ প্রতি কেজি ২০০ টাকা, বড় রুই ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা, মাঝারি রুই ২৫০ থেকে ২৭০ টাকা এবং কাতলা ২৫০ থেকে ৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পাবদা মাছের দাম ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা, গলদা চিংড়ি ৬৫০ থেকে ৭৫০ টাকা এবং শিং মাছ ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা কেজি।

ছোট মাছের মধ্যেও দাম কমেনি। কাঁচকি মাছ ৩০০ টাকা এবং মলা মাছ ২৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। সামুদ্রিক মাছের বাজারেও উচ্চমূল্য বজায় রয়েছে। বড় সুরমা মাছ ৩০০ টাকা, রুপচাঁদা ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, লাল কোরাল ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা এবং বাটা মাছ ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক থাকলেও উৎপাদন ও পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধির প্রভাব এখনো খুচরা বাজারে রয়ে গেছে। আর ক্রেতাদের প্রত্যাশা, দ্রুত নিত্যপণ্যের দাম কমে বাজারে স্বস্তি ফিরবে

Continue Reading

top2

‘এই মিয়া চুপ, একেবারে খেয়ে ফেলব’সালিস বৈঠকে মেজাজ হারিয়ে বিএনপি নেতাকে শাসালেন হানজালা

Published

on

By

মাদারীপুর-১ (শিবচর) আসনের সংসদ সদস্য পীরজাদা সাইদ উদ্দিন আহমদ হানজালা সালিসি বৈঠকে মেজাজ হারানোর একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।

শনিবার (২০ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া প্রায় এক মিনিটের ভিডিওতে এমপি হানজালাকে উত্তেজিত অবস্থায় উপস্থিত ব্যক্তিদের ধমক দিতে দেখা যায়।

ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, “কথা বললেন কেন? আপনারা এখানে কাউন্টার দিলেন কেন?” একপর্যায়ে টেবিল চাপড়ে তিনি বলেন, “এই মিয়া চুপ করেন, একেবারে খেয়ে ফেলব। চুপ করেন। আমি আসছি বিচার করার জন্য। কাউন্টার দিলে আমি দেব।”

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শিবচর উপজেলার দত্তপাড়া এলাকায় বিএনপির এক কর্মী তারামিয়া মল্লিকের সঙ্গে একটি সালিসি বৈঠকে এ ঘটনা ঘটে। বৈঠকে শত শত মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

ভুক্তভোগী তারামিয়া মল্লিক বলেন, ঘটনাটি প্রায় এক মাস আগে ঘটে। সালিস চলাকালে বক্তব্য ও রায়ের বিষয়ে মতভেদ তৈরি হলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তার দাবি, তিনি প্রতিবাদ করায় একপর্যায়ে এমপি ক্ষুব্ধ হয়ে পড়েন।

তিনি আরও বলেন, সালিসি বৈঠকে বিভিন্ন পক্ষের বক্তব্য ও মতামত শোনা জরুরি হলেও সেখানে তা যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি।

স্থানীয়রা জানান, বৈঠকে একপর্যায়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে উপস্থিত কেউ একজন মোবাইলে ভিডিও ধারণ করেন। পরে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি হয়

Continue Reading

Trending