Connect with us

top1

ফ্যামিলি কার্ড চূড়ান্তে গঠিত হল ১৫ সদস্যের কমিটি

Published

on

প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের পরিবারকে সুরক্ষা প্রদানে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান সংক্রান্ত ১৫ সদস্যের মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

কমিটিতে অর্থমন্ত্রীকে সভাপতি করে আরো ১৪ জনকে সদস্য করা হয়েছে।

সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন- মহিলা ও শিশু এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী, উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, স্থানীয় সরকার-পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন, উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ।

এছাড়াও কমিটিতে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সচিব, অর্থ বিভাগের সচিব, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব, পরিকল্পনা ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব অন্তর্ভুক্ত থাকবেন।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

এক হালি লেবু ২০০ টাকা

Published

on

By

প্রথম রমজানের শুরু থেকে চট্টগ্রামের বাজারে লেবুর দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে। দুই সপ্তাহের ব্যবধানে প্রায় চারগুণ মূল্য বৃদ্ধিতে বিক্রি হচ্ছে লেবু। বাজারে ছোট লেবুর হালিও এখন ৮০ থেকে ১০০ টাকার নিচে মিলছে না, আর মাঝারি ও বড় লেবুর দাম পৌঁছেছে ১২০ থেকে ২০০ টাকায়। 

চট্টগ্রামের বিভিন্ন কাঁচাবাজার ও অলিগলির ভ্রাম্যমাণ দোকান ঘুরে দেখা গেছে, দুই সপ্তাহ আগে যেখানে এক হালি লেবু ২০ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল, সেখানে গত সপ্তাহে দাম বেড়ে দাঁড়ায় ৮০ থেকে ১০০ টাকা।

বর্তমানে সর্বনিম্ন ৬০ টাকা থেকে শুরু করে অনেক জায়গায় ১০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। কোথাও কোথাও বড় আকারের লেবুর হালি ১২০ টাকা থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত চাওয়া হলেও দরদাম করে ক্রেতারা প্রায় ১৫০-১৬০ টাকায় কিনছেন।

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরের পর চট্টগ্রাম নগরের বহদ্দারহাট, চকবাজার ও কাজীর দেউড়ি বাজারে প্রতি পিস লেবুর দাম ৫০ থেকে ৩০ টাকা হাঁকতে দেখা গেছে। দর-কষাকষির পর একজন গ্রাহক দুটি লেবু কিনেছেন ৯০ টাকায়।

অনেক বাজার ঘুরে দেখা গেছে, লেবুর মজুদ ছিল কম। দাম বেশি। আবার অনেক বাজারে লেবু নেই বললেই চলে। যে লেবুগুলো আছে সেগুলোও পরিপক্ব নয়।

একটু কম দামের যে লেবু বিক্রি হচ্ছে, সেগুলোতে রস নেই বলে অভিযোগ ক্রেতাদের।

তারা বলছেন, একটা শ্রেণী লেবুর বাজারে সংকট তৈরি করে রেখেছে। দেখার কেউ নেই। কিছুদিন আগেও বাজারে লেবুর ছড়াছড়ি ছিল। সেই লেবু হঠাৎ গায়েব।

যা আছে সেগুলোর দাম বেশি। অনেকে বেশি দামের আশায় অপরিপক্ক লেবু গাছ থেকে নিয়ে এসেছে। বাধ্য হয়ে মানুষ সেগুলোও কিনছে। 

চকবাজার কাঁচা বাজারের লেবু বিক্রেতা জসিম উদ্দিন বাংলানিউজকে বলেন, বাজারে লেবুর সংকট। আমাদের পাইকারি বাজারেই বেশি দামে কিনতে হচ্ছে বলে খুচরা বাজারেও বাড়তি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। কিছুদিন আগেও যে দামে এক ডজন লেবু ১০০ টাকায় বিক্রি করেছি, এখন সেই দামে এক হালিও পাওয়া কঠিন। 

বিক্রেতাদের দাবি, অনেক চাষি রমজানে বেশি দাম পাওয়ার আশায় এখনই বাজারে লেবু ছাড়ছেন না। একই কারণে পাইকারি ব্যবসায়ীরাও লেবু মজুত করে রাখতে পারেন, কারণ এ পণ্য কিছুদিন সহজেই সংরক্ষণ করা যায়।

বহদ্দারহাট কাঁচা বাজারের সামনে ভ্রাম্যমাণ ভ্যান গাড়িতে লেবু বিক্রি করেন নাজিম উদ্দীন মহন। তার ভ্যান গাড়িতে লেবু বিক্রি হয়েছে প্রতি হালি ১২০ টাকায়। এ কাঁচাবাজারের একটু ভেতরে একটি দোকানে তুলনামূলক পাকা লেবু ১০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা যায়। এছাড়া হামজারবাগ রাস্তার মুখে এক বৃদ্ধ রাস্তার পাশে চট বিছিয়ে ছোট আকারের লেবু ৮০ টাকা হালিতে বিক্রি করছেন। দুপুর গড়িয়ে বিকেল নামলেও এর চেয়ে কম দামে কোথাও লেবু বিক্রি হতে দেখা যায়নি।

বিক্রেতারা বলছেন, রমজানকে কেন্দ্র করে চাহিদা বাড়ার আগাম প্রভাব বাজারে পড়েছে। ইফতারের অন্যতম জনপ্রিয় পানীয় লেবুর শরবত হওয়ায় ধনী-গরিব সব শ্রেণির মানুষের মধ্যে এ পণ্যের চাহিদা বাড়ে। ফলে রোজা শুরুর আগেই দাম বৃদ্ধিতে নিম্নআয়ের ক্রেতারা চাপে পড়েছেন।

একজন ক্রেতা জানান, ১০০ টাকা পর্যন্ত বলেও এক হালি লেবু কিনতে পারেনি। হঠাৎ করেই বেড়েছে লেবুর দাম। ইফতারের অন্যতম এ অনুষঙ্গ দামের কারণেই কিনতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। 

বাজারে ছোট পাতি লেবু ৬০ টাকা হালিতে বিক্রি হলেও বড় লম্বা লেবুর দাম ১০০ থেকে ১২০ টাকা পর্যন্ত উঠেছে। অধিকাংশ গ্রাহককে দাম নিয়ে বিক্রেতাদের সঙ্গে দরদাম করতে দেখা গেছে।

Continue Reading

top1

ঈদের আগেই পরীক্ষামূলকভাবে চালু হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড

Published

on

By

পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে জনসাধারণের কষ্ট লাঘবে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে রমজান মাসেই ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রকল্প চালু করতে যাচ্ছে নতুন সরকার।

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক গুরুত্বপূর্ণ আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বৈঠক শেষে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু সাংবাদিকদের জানান, প্রধানমন্ত্রী নিজেই চান অন্তত পাইলট প্রজেক্ট বা পরীক্ষামূলক প্রকল্প হিসেবে আসন্ন ঈদের আগেই এই কার্যক্রম শুরু করতে। নির্বাচনের আগে দেওয়া ইশতেহার অনুযায়ী সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন ও নিত্যপণ্যের সরবরাহ নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ফ্যামিলি কার্ডের আওতা ও সুবিধাভোগীদের সংখ্যা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, এই কার্ড মূলত সার্বজনীন করার লক্ষ্য রয়েছে এবং এতে প্রাথমিক কোনো কঠোর বিধিনিষেধ থাকবে না। তবে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে যারা পর্যায়ক্রমে হতদরিদ্র, দরিদ্র এবং মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোকে এই সুবিধার আওতায় নিয়ে আসবে।

মূলত মেকানিজম বা কার্যক্রমটি সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনার পদ্ধতি নিয়ে আজ বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। সরকার চায় এই কার্ডের মাধ্যমে সঠিক মানুষের কাছে সরকারি সহায়তা পৌঁছে দিতে এবং বাজার স্থিতিশীল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে।

বামপন্থী রাজনৈতিক দল সিপিবির সাম্প্রতিক উদ্বেগের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু ইতিবাচক সাড়া দেন। সিপিবি জানিয়েছিল যে, আগামী অর্থবছরে ফ্যামিলি কার্ড পূর্ণাঙ্গভাবে চালু না হলে তা নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

এ প্রসঙ্গে মন্ত্রী স্পষ্ট করেন যে, কার্ড চালুর বিষয়ে কোনো অনিশ্চয়তা নেই এবং সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। কীভাবে কার্ডগুলো বিতরণ করা হবে এবং কোন প্রক্রিয়ায় পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে, তা নিয়ে এখন কারিগরি কাজ চলছে। পাইলট প্রকল্পের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে পরবর্তীতে দেশব্যাপী বড় পরিসরে এই কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে।

রমজানের শুরুতেই বাজারে পেঁয়াজসহ অন্যান্য নিত্যপণ্যের দাম চড়া হওয়ার যে খবর পাওয়া গেছে, তা নিরসনেও এই ফ্যামিলি কার্ড বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে সরকার মনে করছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো এই কার্ডের মাধ্যমে ন্যায্যমূল্যের পণ্যের সরবরাহ বাড়াতে কাজ করছে।

আজকের বৈঠকের মধ্য দিয়ে দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক সুরক্ষা বেষ্টনী শক্তিশালী করার নতুন এক যাত্রা শুরু হলো। সরকার আশা করছে, ঈদের আগেই পাইলট প্রকল্পের সুবিধাভোগীরা তাঁদের কাঙ্ক্ষিত কার্ড হাতে পাবেন এবং সুলভ মূল্যে পণ্য ক্রয়ের সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন

Continue Reading

top1

ইসি থেকে বাদ দেওয়া হলো ১৫ কর্মীকে

Published

on

By

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ১৫ জনকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের উপ-প্রকল্প পরিচালক (প্রশাসন) মেজর মাহমুদুল হাসান তালুকদারের সই করা এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানা যায়।

বিস্তারিত আসছে…

Continue Reading

Trending