Connect with us

ধর্ম

মদিনা সনদের ভিত্তিতে আগামীর বাংলাদেশ পরিচালনার আহ্বান ইবি উপাচার্য সহ বিশিষ্ট আলেমদের

Published

on

ইবি প্রতিনিধি

আগামীর বাংলাদেশকে ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক ও শান্তিপূর্ণ কল্যাণরাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে মদিনা সনদের আদর্শ বাস্তবায়নের জোরালো আহ্বান জানিয়েছেন দেশের বিশিষ্ট আলেম, শিক্ষাবিদ ও চিন্তাবিদগণ।শনিবার (১০ জানুয়ারি) বিকেলে কুষ্টিয়া সদর মডেল মসজিদ অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত “মদিনা সনদ: কল্যাণ ও মানবিক সমাজ গঠনের আদর্শ মডেল” শীর্ষক এক গুরুত্বপূর্ণ ইসলামিক দাওয়াহ কনফারেন্সে এ আহ্বান জানানো হয়।

মুফাক্কিরে ইসলাম সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নদভী (রহ.) প্রতিষ্ঠিত দাওয়াতি ও মানবিক সংগঠন পয়ামে ইনসানিয়াত বাংলাদেশ-এর কুষ্টিয়া জেলা শাখার উদ্যোগে কনফারেন্সটির আয়োজন করা হয়।

সংগঠনটির কুষ্টিয়া জেলা শাখার আমির মাওলানা মুহাম্মাদ মুশাররফ হুসাইনের সঞ্চালনায় এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির অধ্যাপক মো. সিরাজুল হকের সভাপতিত্বে আয়োজিত এ কনফারেন্সে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ।বিশেষ অতিথি (গেস্ট অব অনার) হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পয়ামে ইনসানিয়াত বাংলাদেশের অভিভাবক পরিষদের সদস্য ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আব্দুর রহমান আনওয়ারী।কনফারেন্সে কী-নোট স্পিকার হিসেবে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পয়ামে ইনসানিয়াত বাংলাদেশের আমির ড. মাওলানা শহীদুল ইসলাম ফারুকী।

কী-নোট প্রবন্ধে তিনি বলেন,“মদিনা সনদ কোনো নির্দিষ্ট সময়ের জন্য প্রণীত দলিল নয়; বরং এটি মানবিকতা, ন্যায়বিচার, ধর্মীয় স্বাধীনতা ও পারস্পরিক সহাবস্থানের এক চিরন্তন রাষ্ট্রীয় দর্শন। আগামীর বাংলাদেশ গঠনে মদিনা সনদের আদর্শ বাস্তবায়নই হতে পারে টেকসই শান্তি ও কল্যাণের সর্বোত্তম পথ।”

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন,“মদিনা সনদ মানবসভ্যতার ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী দলিল। বহুধর্মীয় ও বহুজাতিক সমাজে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের যে অনন্য দৃষ্টান্ত এটি স্থাপন করেছে, তা বর্তমান বৈশ্বিক সংকটের প্রেক্ষাপটে আরও বেশি প্রাসঙ্গিক।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মুফতি আমির হামজা, খতমে নবুওয়ত সংরক্ষণ কমিটি কুষ্টিয়া জেলার সভাপতি মাওলানা ইব্রাহিম হুসাইন কাসেমী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস কুষ্টিয়া জেলা সভাপতি মাওলানা আব্দুল লতিফ খান ও সেক্রেটারি হাফেজ মাওলানা আরিফুজ্জামান, হুফফাজুল কুরআন ফাউন্ডেশন কুষ্টিয়া জেলা সভাপতি হাফেজ মাওলানা আবু সুফিয়ান, হুফফাজুল কুরআন মিরপুরের সভাপতি হাফেজ মাওলানা বরকতুল্লাহ, বিআরবি মাদরাসার প্রিন্সিপাল ড. মাওলানা মিজানুর রহমান খান, বিশিষ্ট আলোচক মুফতি আনোয়ারুল ইসলাম জিহাদি, পয়ামে ইনসানিয়াত পাবনা জেলা আমির মুফতি মাহফুজুর রহমান, বিশিষ্ট ইসলামী আলোচক মাওলানা সাইফুদ্দিন আল আজাদ, পয়ামে ইনসানিয়াত কুষ্টিয়া জেলা শূরা সদস্য ও আদ-দাওয়াহ ইনস্টিটিউটের পরিচালক সম্রাট সালমান ফারসি, পয়ামে ইনসানিয়াত কুষ্টিয়া জেলা সমন্বয়কারী মুফতি সানাউল্লাহ, প্রচার সমন্বয়ক ও ইমাম গাজ্জালী সমাজ উন্নয়ন সংস্থার সভাপতি সাংবাদিক ইব্রাহিম খলিলসহ দেশবরেণ্য আলেম, দাঈ ও চিন্তাবিদবৃন্দ।

বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে বলেন,“ন্যায়বিচার, মানবিকতা, ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সামাজিক সম্প্রীতির ভিত্তিতে একটি প্রকৃত কল্যাণরাষ্ট্র গঠনে মদিনা সনদের আদর্শ অনুসরণ সময়ের এক অনিবার্য দাবি। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সকল রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন এবং সর্বস্তরের জনগণকে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসতে হবে।”

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

কঠিন সময়ে মুসলিম উম্মাহকে ধৈর্য ধারণ ও ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান 

Published

on

By

কঠিন সময়ে মুসলিম উম্মাহকে ধৈর্য ধারণ ও ঐক্যবদ্ধ থাকা আহ্বান জানিয়ে মসজিদে নববীর ইমাম শায়খ আলী বিন আবদুর রহমান আল-হুদাইফি বলেন, আমাদের পারস্পরিক ঐক্য, সংহতি ও ভ্রাতৃত্ব বজায় রাখতে হবে।

মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় বিকেলে হজের খুতবায় তিনি এ আহ্বান জানান।

খুতবায় হজের আধ্যাত্মিক ও সামাজিক তাৎপর্য তুলে ধরে শায়খ আলী বিন আবদুর রহমান বলেন, হজ হলো বিশ্বজুড়ে মুসলমানদের মধ্যে পারস্পরিক পরিচয়, সম্প্রীতি ও সহযোগিতার এক অনন্য প্রতিফলন।

জনসমুদ্রের উদ্দেশে ইমাম বলেন, ‘হে মানুষ, আল্লাহকে ভয় করো, কারণ তাকওয়া অর্জনের মাধ্যমেই বান্দা পরকালে মুক্তি লাভ করতে পারে।’ তিনি আরো বলেন, পরকালের শ্রেষ্ঠ প্রস্তুতি হলো একত্ববাদ (তৌহিদ) এবং শুধু আল্লাহর ইবাদত করা। সেই সঙ্গে তিনি হাজিদের সততা বজায় রাখা এবং মিথ্যাচার ও গিবত থেকে দূরে থাকার নসিহত করেন।

খুতবা শেষে মুসলিম উম্মাহর সার্বিক অবস্থার উন্নতি এবং হাজিদের ইবাদত কবুল করার জন্য বিশেষ মোনাজাত করা হয়। শেখ হুদাইফি দোয়া করেন, ‘হে আল্লাহ, হাজিদের দোয়া ও ইবাদত কবুল করুন, তাদের জন্য সবকিছু সহজ করে দিন এবং তাদের নিরাপদে নিজ নিজ দেশে ফেরার তৌফিক দান করুন।’

খুতবা সমাপ্ত হওয়ার পর হাজিরা মসজিদে নামিরায় একত্রে জোহর ও আসরের নামাজ আদায় করেন। এরপর হজের পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে তারা মিনার উদ্দেশে যাত্রা করবেন।

উল্লেখ্য, মসজিদে নামিরা ইসলামের ইতিহাসে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ এখানেই বিদায় হজের ভাষণ দিয়েছিলেন প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)।

Continue Reading

top1

যুদ্ধের শঙ্কার মধ্যেই পালিত হচ্ছে পবিত্র হজ, বেড়েছে উপস্থিতি

Published

on

By

সৌদি আরবে শুরু হয়েছে মুসলিম উম্মাহর সবচেয়ে বড় ধর্মীয় সমাবেশ হজ। তবে এবারের হজ অনুষ্ঠিত হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ও উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যেই। বিশেষ করে ইরানকে ঘিরে সাম্প্রতিক সংঘাত এখন পুরো অঞ্চলের উদ্বেগের বিষয়।

সৌদি কর্তৃপক্ষের বরাতে বিবিসি জানিয়েছে, এ পর্যন্ত বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রায় ১৫ লাখ ১০ হাজার হাজি সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ১১ হাজার বেশি। যদিও সাম্প্রতিক মাসগুলোতে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে চলমান সংঘাত এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ ছিল। কিন্তু সেই উদ্বেগ হাজিদের সংখ্যায় প্রভাব ফেলেনি।

গত মাসে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার আগে সৌদি আরব ও উপসাগরীয় কয়েকটি দেশে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায় ইরান। এসব হামলায় সৌদি আরবের আল-খারজ শহরে দুই বেসামরিক নাগরিক এবং একটি মার্কিন বিমানঘাঁটির এক সেনাসদস্য নিহত হন। আশঙ্কা করা হচ্ছিলো, সেই হামলার প্রভাব পড়তে পারে এবারের হজে।

এদিকে হজকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা জোরদার করেছে সৌদি সরকার। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পবিত্র নগরী মক্কার আকাশসীমা রক্ষায় বিশেষ বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করা হয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিওতে মক্কার আশপাশে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যাটারি স্থাপনের দৃশ্যও দেখা গেছে।

যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অনেক হাজি। মিসরের হাজি মোহাম্মদ শাহাদা বিবিসিকে বলেন, “ইরানের যুদ্ধ পুরো বিশ্বকে প্রভাবিত করেছে। কেউ যুদ্ধ বা মানুষের ক্ষতি চায় না”।

অনেক মুসল্লি জানান, কয়েক মাসের অনিশ্চয়তা, বিমান চলাচলে বিঘ্ন এবং অতিরিক্ত ভ্রমণ ব্যয়ের পরও তারা হজ পালনের সুযোগ পেয়ে আনন্দিত। মরক্কোর ৬৮ বছর বয়সী জ্রেইশ মোহাম্মদ বলেন, “দীর্ঘ ৪০-৫০ বছর ধরে হজ করার স্বপ্ন দেখেছি। এ বছর সেই স্বপ্ন পূরণ হয়েছে”।

ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের অন্যতম হজ। সামর্থ্যবান ও শারীরিকভাবে সক্ষম প্রত্যেক মুসলমানের জন্য জীবনে অন্তত একবার হজ পালন ফরজ।

হজের প্রথম দিনেই হাজিদের ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার মধ্যে পবিত্র কাবা শরিফ তাওয়াফ করতে হয়েছে। পরে তারা মিনায় গিয়ে অবস্থান নেন। সেখান থেকে আজ তারা আরাফাতের ময়দানের উদ্দেশ্যে রওনা হবেন। ইসলামী বিশ্বাস অনুযায়ী, এখানেই মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) তাঁর বিদায় হজের ঐতিহাসিক ভাষণ প্রদান করেছিলেন।

আরাফাতের ময়দানে অবস্থিত মসজিদে নামিরা থেকে আজ হজের মূল খুতবা পাঠ করা হবে। এ বছর খুতবা দেবেন মসজিদুল হারামের সম্মানিত ইমাম ও খতিব শায়খ আলি আল হুদাইফি। বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর সুবিধার্থে এই খুতবা বাংলাসহ বিশ্বের ৩৫টি ভাষায় সরাসরি অনুবাদ করে সম্প্রচার করা হচ্ছে।

খুতবা শেষে এক আজান ও দুই ইকামতে জোহর এবং আসরের নামাজ একসঙ্গে জামাতে আদায় করবেন মুসল্লিরা। সূর্যাস্তের পর মাগরিবের নামাজ না পড়েই হাজিরা মুজদালিফার উদ্দেশে রওনা হবেন। সেখানে গিয়ে মাগরিব ও এশার নামাজ একসঙ্গে আদায় করে খোলা আকাশের নিচে রাত্রিযাপন করবেন। মিনায় শয়তানকে প্রতীকী পাথর নিক্ষেপের জন্য প্রয়োজনীয় কংকর বা পাথর তারা এই মুজদালিফা থেকেই সংগ্রহ করবেন।

পর দিন (১০ জিলহজ) বুধবার সকালে পুনরায় মিনায় ফিরে হাজিরা ধারাবাহিকভাবে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করবেন। প্রথমে বড় শয়তানকে প্রতীকী পাথর নিক্ষেপ, এরপর মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় পশু কোরবানি, মাথা মুণ্ডন বা চুল ছাঁটা এবং কাবা শরিফ তাওয়াফে জিয়ারত সম্পন্ন করবেন।

পরবর্তী দিনগুলোতেও মিনায় অবস্থান করে তিন শয়তানকে পাথর নিক্ষেপ করবেন হাজিরা। সবশেষে বিদায়ি  তাওয়াফের মাধ্যমে সম্পন্ন হবে এই ইবাদত।

Continue Reading

ধর্ম

বৃহস্পতিবার পবিত্র ঈদুল আজহা

Published

on

By

বৃহস্পতিবার দেশে মুসলমানদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ। জিলহজ মাসের চাঁদ দেখার পরিপ্রেক্ষিতে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। ঈদ উপলক্ষে এবার ২৫ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত সাত দিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। গতকাল শুরু হয়েছে এ ছুটি। গতকাল অফিস শেষ করেই ঈদের ছুটিতে গ্রামের বাড়ির উদ্দেশে রওনা হয়েছেন লাখো চাকরিজীবী।

ঈদযাত্রা যেন সাধারণ মানুষের জন্য নির্বিঘ্ন ও স্বস্তিদায়ক হয়, সেজন্য আগেভাগেই ছুটির বিষয়টি ঢেলে সাজিয়েছে সরকার। পূর্ব নির্ধারিত ছুটির সঙ্গে মন্ত্রিসভার বিশেষ সিদ্ধান্তে আরও এক দিন যুক্ত করায় এবার মোট সাত দিনের লম্বা ছুটি পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। ঈদের মূল ছুটির সঙ্গে আগের ও পরের নির্বাহী আদেশের ছুটি মিলিয়ে এই দীর্ঘ ছুটির তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। ঈদযাত্রা সহজ করতে গত ৭ মে মন্ত্রিসভার বৈঠকে ২৫ মে সাধারণ ছুটি ঘোষণা এবং ২৩ ও ২৪ মে অফিস খোলা রাখার প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।

ছুটিতে দেশের সব হাসপাতাল ও জরুরি সেবা কার্যক্রম চালু থাকবে। প্রজ্ঞাপনে স্পষ্ট করা হয়েছে, হাসপাতাল, চিকিৎসাসেবা, ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, ইন্টারনেট ও ডাক সেবার মতো জরুরি বিষয়গুলো ছুটির আওতামুক্ত থাকবে। একই সঙ্গে জরুরি সেবা সংশ্লিষ্ট যানবাহন ও কর্মীরা ছুটির দিনগুলোতেও নিয়মিত দায়িত্ব পালন করবেন।

Continue Reading

Trending