ইরানে হামলার মাত্রা ভয়াবহ পর্যায়ে নিয়ে গেছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। সামরিক স্থাপনার পাশাপাশি বেসামরিক স্থাপনায় চলছে ব্যাপক হামলা। এতে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানে ১ হাজার ৯৭ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্ট নিউজ এজেন্সি (এইচআরএএনএ) এ তথ্য জানিয়েছে। সংস্থাটি জানায়, নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে ১০ বছরের কম বয়সী শিশুর সংখ্যা ১৮১।
এইচআরএএনএ আরও জানিয়েছে, বেসামরিক মানুষ আহত হওয়ার সংখ্যা ৫ হাজার ৪০২ এ পৌঁছেছে। এর মধ্যে ১০০ শিশু। এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় ইরানে অন্তত ১০৪টি হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসব হামলা সামরিক ঘাঁটি, চিকিৎসাকেন্দ্র এবং আবাসিক এলাকায় আঘাত হেনেছে।
ধারণা করা হচ্ছে, আরও কয়েকশ মানুষ নিহত হয়েছেন। দেশের প্রায় সব স্থানে বিপর্যয় পরিস্থিতি দেখা দেওয়ায় তথ্য সংগ্রহে বেগ পাচ্ছেন অধিকারকর্মীরা।
এদিকে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) প্রধান রাফায়েল গ্রোসি দেশটির পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে পরিদর্শকদের পূর্ণ প্রবেশাধিকার না দেওয়াকে ‘গভীর উদ্বেগের বিষয়’ বলে অভিহিত করেছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে গ্রোসি বলেন, ‘ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আমার প্রতিবেদনে আমি সবসময়ই স্পষ্ট থেকেছি। দেশটিতে পারমাণবিক বোমা তৈরির কোনো প্রমাণ না মিললেও, অস্ত্র তৈরির উপযোগী প্রচুর পরিমাণ ইউরেনিয়াম মজুত রাখা এবং আমাদের পরিদর্শকদের বাধা দেওয়া অত্যন্ত উদ্বেগজনক।’