Connect with us

top1

ইসলামী ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যান ড. জুবায়দুর রহমান

Published

on

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন অধ্যাপক ড. এম জুবায়দুর রহমান। বুধবার (২৩ জুলাই) ব্যাংকের বোর্ড সভায় তিনি চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হন। এর আগে তিনি ইসলামী ব্যাংকের স্বতন্ত্র পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

জুবায়দুর রহমান ১৯৭৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের প্রভাষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। পরে তিনি যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব ম্যানচেস্টার থেকে ফিন্যান্স বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি স্টেট ইউনিভার্সিটি অব নিউ ইয়র্ক-এ অধ্যাপক, ইতালির ইউনিভার্সিটি অব বোকোনিতে ভিজিটিং প্রফেসর, যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব ইলিনয়, আরবানা শ্যাম্পেইন এবং রাশিয়ার মস্কো স্টেট ইউনিভার্সিটিতে ভিজিটিং স্কলার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ঢাকার জেডএনআরএফ ইউনিভার্সিটি অব ম্যানেজমেন্ট সায়েন্সেস (জুমস)-এর প্রতিষ্ঠাতা ভাইস চ্যান্সেলর।বিশ্বব্যাংকের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা প্রফেসর রহমান উন্নয়নশীল ও উদীয়মান অর্থনীতির দেশসমূহে বিভিন্ন কোম্পানি, সরকারি এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার একজন অভিজ্ঞ স্বতন্ত্র উপদেষ্টা। তিনি কৌশলগত পরামর্শ এবং পরিবর্তন ব্যবস্থাপনা প্রক্রিয়া নিয়ে কাজ করে থাকেন। আর্থিক জবাবদিহিতা এবং কর্পোরেট গভর্ন্যান্স বিষয়ক ব্যবস্থাপনায় তার দক্ষতা রয়েছে। তার কাজের কেন্দ্রবিন্দু ছিল প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধিমূলক কার্যক্রম, যার মাধ্যমে বিশ্ব ব্যাংকের সদস্য দেশগুলোকে আর্থিক স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং গভর্ন্যান্সের ভিত্তি শক্তিশালী করতে সহায়তা করা। তার কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট অনেক দেশে দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

বিশ্বব্যাংকে থাকাকালীন, প্রফেসর রহমান আন্তর্জাতিক আর্থিক কাঠামোকে শক্তিশালী করতে ‘স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড কোডস ইনিশিয়েটিভ’ নামে একটি কর্মসূচি ডিজাইন ও বাস্তবায়নে নেতৃত্ব দেন। এ কার্যক্রমের আওতায় তিনি বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে নীতিনির্ধারণী সংলাপে অংশগ্রহণ করেন, বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ ও বাইরের অংশীজনদের সঙ্গে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে সম্পর্ক গড়ে তোলেন এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধির কার্যক্রম গ্রহণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।প্রফেসর রহমান রাশিয়া, কাজাখস্তান ও উজবেকিস্তানে ডেলোয়েট নামক আন্তর্জাতিক পেশাদারি প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনায় নেতৃত্বস্থানীয় ভূমিকা পালন করেন। এসব দেশে তিনি বাজার অর্থনীতি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

যুদ্ধবিরতির মধ্যেও হরমুজ প্রণালি পেরোনোর অনুমতি পায়নি ‘বাংলার জয়যাত্রা’

Published

on

By

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতি চললেও বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের জাহাজ ‘বাংলার জয়যাত্রা’কে হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের অনুমতি দেওয়া হয়নি। এর ফলে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই প্রণালির কাছে জাহাজটি আটকে রয়েছে।

আঞ্চলিক সংঘাতের কারণে জাহাজটি গত প্রায় ৪০ দিন ধরে ওই এলাকায় আটকা পড়ে ছিল। যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পর, এটি গত বুধবার সৌদি আরবের রাস আল খায়ের বন্দর থেকে যাত্রা শুরু করে এবং প্রায় ৪০ ঘণ্টা ধরে প্রণালির দিকে অগ্রসর হয়।

তবে শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকালে প্রণালিটির কাছাকাছি পৌঁছালে ইরানি কর্তৃপক্ষ জাহাজটির ট্রানজিট ক্লিয়ারেন্সের আবেদন প্রত্যাখ্যান করে।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তাৎক্ষণিক কোনো বিকল্প না থাকায় জাহাজটিকে সম্ভবত পুনরায় কোনো নিরাপদ বন্দরে ফিরে যেতে হবে এবং নতুন করে অনুমতির জন্য অপেক্ষা করতে হবে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের (বিএসসি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমোডর মাহমুদুল মালেক বলেন, ইরানি নির্দেশনা অনুযায়ী জাহাজটি ক্লিয়ারেন্স চেয়েছিল, কিন্তু সেই আবেদন নাকচ করে দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘অনুমতি পাওয়ার জন্য কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। জাহাজটি এখনো হরমুজ প্রণালির কাছে অবস্থান করছে। পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে এটিকে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হতে পারে।’

তিনি আরও জানান, জাহাজটিতে মোট ৩১ জন নাবিক রয়েছেন এবং তাদের জন্য পর্যাপ্ত খাদ্যসামগ্রী রয়েছে। সমুদ্রের পানি লবণমুক্ত করে প্রতিদিন প্রায় ১৮ টন মিঠা পানি উৎপাদন করা সম্ভব, যদিও এর জন্য ইঞ্জিনকে পূর্ণ সক্ষমতায় চালাতে হয়। বর্তমানে পানির ব্যবহার সীমিত করে দৈনিক প্রায় ৬ টনে রাখা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ক্রুদের মনোবল বজায় রাখতে কর্তৃপক্ষ প্রত্যেকের দৈনিক খাবার ভাতা ৭ ডলার থেকে বাড়িয়ে ১২ ডলার করেছে এবং তাদের মৌলিক বেতনের সমপরিমাণ অতিরিক্ত যুদ্ধ ভাতাও দেওয়া হচ্ছে।

বিএসসি-র তথ্য অনুযায়ী, জাহাজটি ভারত থেকে যাত্রা করে হরমুজ প্রণালি পার হয়ে গত ২ ফেব্রুয়ারি পারস্য উপসাগরে প্রবেশ করেছিল। পরে এটি কাতারের একটি বন্দর থেকে স্টিল কয়েল বোঝাই করে ২৭ ফেব্রুয়ারি সংযুক্ত আরব আমিরাতের জাবেল আলী বন্দরে পৌঁছায়।

এর ঠিক একদিন পরেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের ওপর হামলা চালালে উত্তেজনা দ্রুত বেড়ে যায়। এর জবাবে পাল্টা হামলা শুরু হলে পুরো অঞ্চলে বড় ধরনের সংঘাত ছড়িয়ে পড়ে।

গত ১১ মার্চ জাবেল আলীতে পণ্য খালাসের পর জাহাজটির কুয়েতে যাওয়ার কথা ছিল। তবে নিরাপত্তার ঝুঁকি বিবেচনায় বিএসসি জাহাজটিকে সংঘাতপূর্ণ অঞ্চল থেকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

হরমুজ প্রণালি দিয়ে এলাকা ত্যাগের একাধিক চেষ্টা করলেও জাহাজটি এখনো নিরাপদ যাত্রার অনুমতি পেতে ব্যর্থ হয়েছে।

উল্লেখ্য, ‘বাংলার জয়যাত্রা’ বিএসসি-র বহরে যুক্ত হওয়া অন্যতম নতুন জাহাজ, যা চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে যুক্ত হয়েছিল

Continue Reading

top1

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করতে পাকিস্তানে পৌঁছেছে ইরানের প্রতিনিধি দল

Published

on

By

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করতে পাকিস্তানে পৌঁছেছে ইরানের একটি প্রতিনিধি দল। এ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে আছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ও পার্লামেন্টের স্পিকার বাঘের ঘালিবাফ। অপরদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের নেতৃত্ব দেবেন দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স।

সংবাদমাধ্যম ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল শুক্রবার (১০ এপ্রিল) এ তথ্য জানিয়েছে।

তবে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা হবে কি না এ নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। এর মূল কারণ হলো লেবানন। গত বুধবার ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধবিরতি হয়। ওই যুদ্ধবিরতির ঘোষণার সময় মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ জানান, যুদ্ধবিরতির আওতায় থাকবে লেবানন। কিন্তু দখলদারদের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এ ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা পর জানান লেবানন এতে থাকবে না। এরপর দেশটিতে ব্যাপক হামলা চালায় ইসরায়েলি সেনারা। এসব হামলায় দুইশরও বেশি মানুষ নিহত ও প্রায় ১ হাজার ২০০ মানুষ আহত হন।

ইরান এখন শর্ত দিচ্ছে, যদি যুক্তরাষ্ট্র তাদের সঙ্গে আলোচনা করতে চায় তাহলে লেবাননে আগে হামলা বন্ধ করতে হবে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের এ শর্ত মানেনি ইসরায়েল। এ নিয়েই মূলত এখন দ্বন্দ্ব চলছে।

এরমধ্যে ইসরাইলি সংবাদমাধ্যম কান জানিয়েছে, ইরান মার্কিনিদের সঙ্গে ইসলামাবাদের সংলাপ স্থগিত করেছে।

কানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল সঙ্গে ইরানের চলমান যুদ্ধবিরতিতে লেবাননকেও অন্তর্ভুক্ত করতে চায় তেহরান।

Continue Reading

top1

প্রণয় ভার্মাকে বাংলাদেশ থেকে সরিয়ে নিচ্ছে ভারত

Published

on

By

ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মাকে বাংলাদেশ থেকে সরিয়ে নিচ্ছে নয়াদিল্লি। তাকে বেলজিয়াম ও ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) পরবর্তী রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে ভারত সরকার।

বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে জারি করা এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশে নিযুক্ত হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মাকে পরবর্তী রাষ্ট্রদূত হিসেবে বেলজিয়াম ও ইইউতে নিযুক্ত করা হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, তিনি শিগগিরই দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।

এর আগে, ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর থেকে বিক্রম দোরাইস্বামীর স্থলাভিষিক্ত হয়ে বাংলাদেশে ভারতীয় হাইকমিশনারের দায়িত্ব গ্রহণ করেন প্রণয় ভার্মা। সেই থেকে নয়াদিল্লির প্রতিনিধি হয়ে ঢাকায় অবস্থান করছেন তিনি।

ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৯৪ সালে ভারতীয় ফরেন সার্ভিসে যোগ দেন প্রণয় ভার্মা। ঢাকায় আসার আগে তিনি ২০১৯ সালের জুলাই থেকে ভিয়েতনামে ভারতের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

Continue Reading

Trending