Connect with us

ক্যাম্পাস

প্রধানমন্ত্রীর নাম উল্লেখ করে শাখা ছাত্রশিবির সভাপতির হুঁশিয়ারি

Published

on

ইবি প্রতিনিধি

জনগণের ম্যান্ডেটের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নাম উল্লেখ করে হুঁশিয়ারি বার্তা দিয়েছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মো. ইউসুব আলী।

২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল শেষে রাতে ফেসবুক স্টাটাসে হুঁশিয়ারি বার্তা দেন তিনি।

শিবির সভাপতি লিখেন, আমরা দোয়া করছি যে সমস্ত সূর্যসন্তানেরা ১৯৭১ সালে এ দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জীবন উৎসর্গ করেছেন, আল্লাহ তা’আলা তাঁদের শাহাদাত কবুল করুন। আর যারা এতে অংশগ্রহণ করে গাজী হয়েছেন, আল্লাহ তাঁদের জীবনের গুনাহসমূহ ক্ষমা করে জান্নাতবাসী হিসেবে কবুল করুন।

১৯৪৭ সাল থেকে এ পর্যন্ত যারা এ দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন, আল্লাহ তা’আলা তাঁদের সকলকে শহীদ হিসেবে কবুল করে জান্নাতের সর্বোচ্চ মর্যাদা দান করুন।

তিনি আরও লিখেন, আমাদের শহীদরা একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য নিজেদের জীবন বিলিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু আমরা সাংবিধানিকভাবে স্বাধীনতা অর্জন করলেও বাস্তবে সেই স্বাধীনতার পূর্ণ স্বাদ এখনো পাইনি। সর্বশেষ ২৪ জুলাইয়ের আন্দোলনের পর প্রত্যাশা ছিল, হয়তো এবার আমরা সত্যিকারের স্বাধীনতা উপভোগ করতে পারব। কিন্তু দুঃখজনকভাবে বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই প্রত্যাশাও খর্ব হয়েছে।

তিনি বর্তমান সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়ে লিখেন, ক্ষমতাসীনরা ক্ষমতায় আসার পর দেশের (প্রদত্ত ভোটের) প্রায় ৭০% ভোটারের ম্যান্ডেটকে উপেক্ষা করে জাতির সাথে প্রতারণার পথে এগোচ্ছে যা অত্যন্ত হতাশাজনক। আমরা প্রত্যাশা করি, জনাব তারেক রহমান নির্বাচনের পূর্বে যেভাবে গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে প্রচারণা চালিয়েছিলেন, একইভাবে জনগণের ম্যান্ডেটের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবেন।অন্যথায়, এ দেশের জনগণের সাথে প্রতারণার যে পরিণতি, তা ভোগ করার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।আল্লাহ আমাদের দেশকে সত্যিকারের স্বাধীনতা ও ইনসাফের পথে পরিচালিত করুন। আমীন।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ক্যাম্পাস

সত্যানুসন্ধান কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে গোবিপ্রবি শিক্ষকের চাকরি বাতিল

Published

on

By

গোবিপ্রবি প্রতিনিধি :

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি) ইইই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ফাতেমা খাতুনকে সরকারি চাকরিবিধি লঙ্ঘন ও নৈতিক স্খলনের অভিযোগে স্থায়ীভাবে চাকুরিচ্যুত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। 

গত ২৩ জুন অনুষ্ঠিত ৪৩তম রিজেন্ট বোর্ড সভায় তাঁর বিরুদ্ধে গঠিত সত্যানুসন্ধান কমিটির প্রতিবেদন ও শৃঙ্খলা বোর্ডের সুপারিশ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। রিজেন্ট বোর্ডের সর্বসম্মত মতামত অনুযায়ী, সরকারি চাকরিবিধি লঙ্ঘন ও নৈতিক স্খলনসংক্রান্ত অভিযোগে তিনি অভিযুক্ত হিসেবে প্রতীয়মান হয়েছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার  মো: এনামুজ্জামান  স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে জানানো হয়, অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের গত ২৩/০৬/২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত ৪৩তম রিজেন্ট বোর্ড সভার ৪৩/৬ নং সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জনাব ফাতেমা খাতুন এর বিরুদ্ধে গঠিত সত্যানুসন্ধান কমিটির রিপোর্ট এবং শৃঙ্খলা বোর্ডের সুপারিশ বিষয়ে রিজেন্ট বোর্ডে বিস্তারিত আলোচনা করা হয় এবং রিজেন্ট বোর্ডের সকল সদস্য সর্বসম্মতিক্রমে এই ঐকমত্যে পৌঁছান যে, তিনি সরকারি চাকুরিবিধি লঙ্ঘনসহ নৈতিক স্খলনজনিত (Moral Turpitude) অভিযোগে সন্দেহাতীতভাবে অভিযুক্ত।

এমতাবস্থায় উক্ত সর্বসম্মত সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে ২৩/০৬/২০২৬ তারিখ (৪৩তম রিজেন্ট বোর্ড অনুষ্ঠানের তারিখ) থেকে জনার ফাতেমা খাতুন (সহকারী অধ্যাপক, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, গোবিপ্রবি) কে বিশ্ববিদ্যাদয়ের শিক্ষক পদ হতে স্থায়ীভাবে চাকুরিচ্যুত করা হলো। অধিকন্তু বিশ্ববিদ্যালয় হতে তাঁর দ্বারা গৃহিত অর্থ বিধি মোতাবেক বিশ্ববিদ্যালয়কে ফেরাত দেওয়ার সিদ্ধান্তও গৃহিত হয়।

Continue Reading

top1

বিশ্বকাপ খেলা দেখার সময় হল সংসদ নেতাকে লাঞ্ছিতের অভিযোগ রাকসু জিএস আম্মারের

Published

on

By

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্বকাপ ফুটবল ম্যাচ প্রদর্শনী চলাকালে হল সংসদের এক নেতাকে লাঞ্ছিত ও হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারের বিরুদ্ধে। তবে অভিযোগটিকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন তিনি।

বুধবার (১৭ জুন) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের ফেসবুক গ্রুপ ‘রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার’-এ দেওয়া এক পোস্টে অভিযোগ করেন লতিফ হল সংসদের জিএস নূরুল ইসলাম।

পোস্টে নূরুল ইসলাম দাবি করেন, আর্জেন্টিনা ও আলজেরিয়ার মধ্যকার বিশ্বকাপ ম্যাচ দেখতে তিনি কয়েকজন শিক্ষার্থীকে নিয়ে শহীদ হবিবুর রহমান হল মাঠে যান। খেলার প্রথমার্ধে রাকসুর ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ ও হবিবুর রহমান হল সংসদের জিএস আশিক শিকদার তাকে পাশে ডাকেন। পরে তিনি এলইডি স্ক্রিনের সামনে নির্ধারিত স্থানে গিয়ে বসেন।

তার অভিযোগ, সেখানে বসার কিছুক্ষণ পর রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার ও সহ-ক্রীড়া সম্পাদক আবু সাঈদ এসে তাকে স্থান ত্যাগ করতে বলেন। কারণ জানতে চাইলে আম্মার তার গেঞ্জির কলার ধরে টানাটানি করেন এবং সেখান থেকে সরে যেতে বলেন।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে সালাহউদ্দিন আম্মার বলেন, ‘দায়িত্ব নিয়ে বলছি, আমি তার গায়ে স্পর্শও করিনি, টি-শার্টেও হাত দেইনি। উল্টো তিনি আমার সঙ্গে যে ভাষা ব্যবহার করেছেন, আমি তার জবাবও দেইনি। অনুষ্ঠান সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার স্বার্থেই তাঁকে কেবল স্থান পরিবর্তনের অনুরোধ করা হয়েছিল।’

তিনি আরও বলেন, মাঠে ছাত্রীদের খেলা দেখার সুবিধা এবং শৃঙ্খলা বজায় রাখতেই ওই অনুরোধ করা হয়। নূরুল ইসলাম যেখানে বসেছিলেন, সেখানে থাকলে পেছনের দর্শকদের খেলা দেখতে সমস্যা হচ্ছিল।

রাকসুর ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ বলেন, দড়ির ভেতরে বসাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে কথা–কাটাকাটি ও বাগ্‌বিতণ্ডার ঘটনাটি ঘটেছে। খেলা চলার সময় তাঁদের তর্ক-বিতর্কের কারণে মাঠের শৃঙ্খলা ব্যাহত হচ্ছিল। তাই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে তাৎক্ষণিকভাবে তিনি বিষয়টি থামিয়ে দেন

Continue Reading

top1

ছাত্রাবাস থেকে রাবি শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

Published

on

By

রাবি প্রতিবেদক

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) সংলগ্ন একটি ছাত্রাবাস থেকে মাহফুজুর রহমান (২৩) নামে এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (১০ জুন) বিকেলে নগরীর আমজাদের মোড় এলাকার আয়েশা টাওয়ার নামের একটি মেস থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত মাহফুজুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যাটেরিয়াল সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

পুলিশ, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও সহপাঠীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বুধবার বিকেলে নিজ কক্ষের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ করে গলায় ফাঁস দেন মাহফুজুর। ঘটনার সময় তিনি মোবাইল ফোনে এক তরুণীর সঙ্গে কথা বলছিলেন বলে জানা গেছে। বিষয়টি আঁচ করতে পেরে ওই তরুণী মাহফুজুরের পাশের কক্ষের এক বন্ধুকে ফোন করে দ্রুত খোঁজ নিতে বলেন।

খবর পেয়ে মেসের অন্য শিক্ষার্থীরা মাহফুজুরের কক্ষের সামনে গিয়ে দরজা ভেতর থেকে বন্ধ দেখতে পান। পরে দীর্ঘ সময় ডাকাডাকির পর সজোরে ধাক্কা দিয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন তারা। এ সময় মাহফুজুরকে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ঝুলতে দেখা যায়। তাকে নিচে নামানো হলেও ততক্ষণে তার মৃত্যু হয়েছে বলে নিশ্চিত হন সহপাঠীরা।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত হন।

মাহফুজুরের সহপাঠী মো. মোবাল্লেক বলেন, ‘প্রায় চার থেকে পাঁচ বছর ধরে একটি মেয়ের সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল। কিছুদিন আগে সম্পর্কে কিছুটা সমস্যা দেখা দিলেও পরে তা মিটে যায়। ঈদের ছুটিতে সবাই বাড়িতে থাকায় তাদের সঙ্গে তেমন যোগাযোগ হয়নি।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান বলেন, ‘খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে জানানো হয়। পুলিশ, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে মরদেহ নামানো হয়েছে। প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদনে এটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে। তার শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি এবং কক্ষ থেকে কোনো সুইসাইড নোটও উদ্ধার হয়নি।’

আত্মহত্যার কারণ সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে প্রেমঘটিত কোনো বিষয় জড়িত থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আত্মহত্যার আগ মুহূর্তেও তিনি মোবাইল ফোনে কথা বলছিলেন। ওই তরুণীই পরে পাশের কক্ষের এক বন্ধুকে দ্রুত খোঁজ নিতে বলেন।’

মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মাদ গোলাম কবীর বলেন, ‘মরদেহের সুরতহাল পরীক্ষা করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলেই মনে হচ্ছে। তবে তদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।’

প্রান্ত কুমার দাশ 

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় 

Continue Reading

Trending