Connect with us

top1

ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন চিহ্নিত জাতীয় বেঈমান: এ্যানি

Published

on

ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন বাংলাদেশের মানুষের কাছে চিহ্নিত জাতীয় বেঈমান বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি।সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে লক্ষ্মীপুর আউটার স্টেডিয়ামে সদর উপজেলা (পূর্ব) বিএনপির সম্মেলনে উদ্বোধকের বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন।

এসময় শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেন, ১৭ বছর ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন হাসিনাকে স্থায়ীত্ব দিয়েছিল। এমন কোন দালালি পাখা মার্কার ছিল না যা তারা করেনি। এ বাংলাদেশের ইতিহাসকে কলঙ্কিত করেছে তারা। চরমোনাই পীর,পীর নয় ভন্ড। ২০১৪, ১৮ ও ২৪ এর নির্বাচনে হাসিনাকে সহযোগিতা করে হাসিনার স্থায়িত্ব বাড়িয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে এই চরমোনাই পীর, এই ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন এই পাখা মার্কা ছিল বাংলাদেশের মানুষের কাছে আরেকটি চিহ্নিত জাতীয় বেঈমান।

এ্যানি চৌধুরী আরও বলেন, পিআর পদ্ধতি নিয়ে জামায়াত ইসলামের ভূমিকা এবং তারা ৮৬ ও ৯৬ সালে বিভিন্নভাবে শুধু আমাদেরকে অসহযোগিতা করে নাই, পুরো জাতিকে অসহযোগীতা করেছে। হাসিনাকে টিকিয়ে রাখার স্বার্থে তাদের সঙ্গে থেকে জাতীয় বেঈমান হিসেবে আত্মস্বীকৃত, বেঈমান হিসবে তারা বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন নিয়ে বলেন,তারা আজকে নির্বাচনের বিরুদ্ধে যে আন্দোলন করছে, ১৭ বছর আমরা যখন লড়াই করেছি সংগ্রাম করেছি, তখনতো আমরা এই পাখা মার্কাকে পাইনি। আজকে ইসলামি দলগুলো থ্রেট দেখায়, মিছিল করেন, মিটিং করেন, বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখান, নির্বাচনী পরিবেশকে বিঘ্নিত করেন। এই পরিবেশ থেকে বাহির হতে হলে ঐক্যই হলো শুক্তি। সুদৃঢ় ঐক্য যেটা জিয়াউর রহমান বার বার বলার চেষ্টা করেছেন, ইস্পাত কঠিন ঐক্য দৃঢ় ঐক্য। এই ঐক্য জিয়াউর রহমানের ডুপ্লিকেট তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশে আমরা প্রতিষ্ঠিত করতে চাই।

এসময় তিনি বলেন,তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়ন করার মধ্য দিয়ে আমরা একটা জাতীয় ঐক্যমতের সরকার নিয়ে আসতে পারি। যেখানে দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট্য পার্লামেন্ট রয়েছে। নিচের কক্ষে নির্বাচিত প্রতিনিধিরা থাকবেন। এবং উচ্চকক্ষে যারা নির্বাচিত হতে পারবেন না, শ্রেণিভিত্তিক বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ সেই উচ্চ কক্ষে যখন বসবে তখন এটা একটা সমঝোতামূলক অথবা ঐক্যের মধ্য দিয়ে জাতীয় ঐক্যমতের সরকার গঠন করা যেতে পারে।সদর উপজেলা পূর্ব বিএনপির আহবায়ক মাইন উদ্দিন চৌধুরী রিয়াজের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ইসমাইল জবি উল্যাহ। এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আরেক উপদেষ্টা আবুল খায়ের ভূঁইয়া।

সদর উপজেলা পূর্ব বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক শাহ মোহাম্মদ এমরান ও সদস্য সচিব মোখলেছুর রহমান হারুনের সঞ্চালনায় এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি ও কমলনগর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান, বিএনপির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হারুনুর রশিদ, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব সাহাব উদ্দিন সাবু, যুগ্ম আহবায়ক হাছিবুর রহমান ও বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সহ-সভাপতি ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী হ্যাপি প্রমুখ।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

ইসির সংশোধনীতে পাল্টে গেল গণভোটের ফলাফল

Published

on

By

‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত গণভোটের ফলাফলে বড় ধরনের সংশোধনী এনেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। পূর্বে ঘোষিত ফলাফলের তুলনায় প্রায় ১১ লাখ ভোট কমিয়ে নতুন করে সংশোধিত গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। নতুন সংশোধনী অনুযায়ী, পূর্বে ঘোষিত ফলাফলের তুলনায় ‘হ্যাঁ’ এবং ‘না’—উভয় ভোটের সংখ্যাই কমেছে।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ স্বাক্ষরিত এক অতিরিক্ত গেজেটের মাধ্যমে এ সংশোধনী তথ্য জানানো হয়।

উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে সংঘটিত ছাত্র-জনতার সফল অভ্যুত্থানের মাধ্যমে প্রকাশিত জনগণের সার্বভৌম ক্ষমতা প্রয়োগের উদ্দেশ্যে ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫’ এবং সংবিধান সংস্কারের প্রস্তাবের বিষয়ে জনগণের সম্মতি যাচাইয়ে গত ১২ ফেব্রুয়ারি গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। ওই ভোটের ফলাফল যা গত ১৩ ফেব্রুয়ারি গেজেটে প্রকাশিত হয়েছিল।

গেজেটে জানানো হয়, প্রথম গেজেটের হিসাব অনুযায়ী ‘হ্যাঁ’ ভোটের সংখ্যা ছিল ৪ কোটি ৮২ লাখ ৬৬০ জন, ‘না’ ভোটের সংখ্যা ছিল ২ কোটি ২০ লাখ ৭১ হাজার ৭২৬ জন। হ্যাঁ এবং না ভোট মিলে সর্বমোট প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ছিল ৭ কোটি ৭৬ লাখ ৯৫ হাজার ২৩ জন। এর মধ্যে বাতিল হয়েছিল ৭৪ লাখ ২২ হাজার ৬৩৭ জন। বাতিল ভোট বাদ দিয়ে মোট বৈধ ভোটার সংখ্যা দাঁড়ায় ৭ কোটি ২ লাখ ৭২ হাজার ৩৮৬ জন।

সংশোধিত গেজেটের হিসেব অনুযায়ী, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের সংখ্যা ৪ কোটি ৭২ লাখ ২৫ হাজার ৯৮০ জন, ‘না’ ভোটের সংখ্যা দাঁড়াবে ২ কোটি ১৯ লাখ ৬০ হাজার ২৩১ জন। হ্যাঁ ও না ভোট মিলে সর্বমোট প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭ কোটি ৬৬ লাখ ২১ হাজার ৪০৭ জন। এর মধ্যে বাতিল হয়েছে ৭৪ লাখ ৩৫ হাজার ১৯৬ জন। বাতিল ভোট বাদ দিয়ে মোট বৈধ ভোটার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬ কোটি ৯১ লাখ ৮৬ হাজার ২১১ জন।

আগের তুলনায় ৯ লাখ ৭৪ হাজার ৬৮০টি ‘হ্যাঁ’ ভোট কমেছে। অন্যদিকে ‘না’ ভোটের সংখ্যা কমেছে ১ লাখ ১১ হাজার ৪৯৫টি। বাতিলকৃত ভোটের সংখ্যা আগের চেয়ে ১২ হাজার ৫৫৯টি বেড়েছে। সার্বিকভাবে মোট প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ১০ লাখ ৭৩ হাজার ৬১৬টি কমেছে।

নির্বাচন কমিশন সংশোধনের সুনির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করেনি। গেজেটে কেবল বলা হয়েছে, কমিশনের আদেশক্রমে সংশোধিত ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। ফলে এত বড় অঙ্কের ভোট কমে যাওয়ার কারণ নিয়ে জনমনে কৌতূহল ও আলোচনা তৈরি হয়েছে। নির্বাচন বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ফলাফল পুনঃযাচাই, তথ্য সংকলনে ত্রুটি সংশোধন কিংবা কেন্দ্রভিত্তিক পুনর্গণনার কারণে এ পরিবর্তন আসতে পারে।

উল্লেখ্য, এই গণভোটের মাধ্যমেই ‘জুলাই জাতীয় সনদ’-এর সাংবিধানিক বৈধতা ও জনসমর্থন চূড়ান্ত করার কথা রয়েছে। 

Continue Reading

top1

তারেক রহমানের ছেড়ে দেওয়া আসনে বিএনপির প্রার্থী ঘোষণা

Published

on

By

বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছেড়ে দেওয়া আসন বগুড়া-৬ থেকে উপনির্বাচনে দলের প্রার্থী করা হয়েছে রেজাউল করিম বাদশাকে। যিনি বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিএনপির পক্ষ থেকে রেজাউল করিম বাদশাকে প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত করা হয়। বগুড়া-৪ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মোশারফ হোসেন এই তথ্য জানিয়েছেন। বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খানও বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি ফেসবুক পোস্ট করে লিখেছেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, বগুড়া (সদর)-৬ আসনের এমপি প্রার্থী হিসেবে জেলা বিএনপির সম্মানিত সভাপতি রেজাউল করিম বাদশাকে বিএনপির গুলশান দলীয় চেয়ারম্যানের কার্যালয় থেকে চূড়ান্ত মনোনয়ন প্রদান করা হলো।’

Continue Reading

top1

১২ লাখ কৃষকের দেড় হাজার কোটি টাকার কৃষিঋণ মওকুফ করল সরকার

Published

on

By

মন্ত্রিসভার আনুষ্ঠানিক প্রথম বৈঠকে কৃষিঋণের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত (সুদসহ) মওকুফের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। দেশের ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের স্বস্তি দিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশের প্রায় ১২ লাখ কৃষক মোট এক হাজার ৫৫০ কোটি টাকার ঋণভার থেকে মুক্তি পাবেন।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৈঠক শেষে সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, কৃষকদের আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং কৃষি খাতকে চাঙ্গা করতে সরকার এই বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, যেসব কৃষকের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ বকেয়া রয়েছে, তাদের আসলের পাশাপাশি সুদও মওকুফ করা হবে। এতে করে প্রান্তিক পর্যায়ের ১২ লাখ কৃষক সরাসরি উপকৃত হবেন।

সরকারি হিসাব অনুযায়ী, মূলত যারা ক্ষুদ্র অংকের ঋণ নিয়ে পরিশোধ করতে পারছিলেন না, তাদের কথা বিবেচনা করেই এই ছাড় দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, সরকারি বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত ব্যাংকগুলো এবং বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সুদসহ কৃষকদের কাছে পাওনা রয়েছে প্রায় এক হাজার ৫৫০ কোটি টাকা, যা এ মওকুফের আওতাভুক্ত হবে। এ ঋণ মওকুফ করা হলে আনুমানিক ১২ লাখ কৃষক প্রত্যক্ষভাবে লাভবান হবেন।

উল্লেখ্য, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া সরকারের ১৯৯১-৯৬ মেয়াদকালে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ সুদসহ মওকুফ করা হয়েছিল।

Continue Reading

Trending