Connect with us

ফিচার

ঈদে সালামি আদায়ের সহজ কৌশল

Published

on

ঈদে অনলাইন বা অফলাইনে সালামি আদায়ের প্রশ্নটি প্রায়ই উঠে আসে। বর্তমানে অনলাইনে সালামি আদায়ের প্রবণতা বেড়েছে, যা সরাসরি দেখা না হলেও মোবাইল ব্যাংকিং বা অনলাইন ট্রান্সফারের মাধ্যমে সম্ভব।

সালামি আদায়ের একটি সহজ উপায় হলো সময়মতো হাজির হওয়া। ঈদের নামাজ শেষে বড়রা ভালো মুডে থাকেন, তখন সালাম দিলে খালি হাতে ফিরতে হয় না। দেরি করলে সালামি হাতছাড়া হতে পারে।

হাসিমুখে ও ভদ্রভাবে সালাম দিলে বড়রা খুশি হন এবং সালামি দিতে আগ্রহী হন। মুখ গোমড়া করে দাঁড়িয়ে থাকলে সালামি পাওয়া কঠিন হতে পারে।

আত্মীয়স্বজনের বাসায় ঘুরে বেড়ানো সালামির সম্ভাবনা বাড়ায়। এক বাড়ি থেকে আরেক বাড়ি যাওয়ার মাধ্যমে নেটওয়ার্কিং করা যায়।

অনেকে সালামি দিতে ভুলে গেলে হালকা মজার ছলে ইঙ্গিত দেওয়া যেতে পারে, যেমন “আজ তো ঈদ!” বলা। তবে এটা যেন অশোভন না হয়।

ছোটরা একসঙ্গে গেলে বড়রা মজা করে সবাইকে সালামি দিতে পারেন, যা পরিবেশ জমিয়ে তোলে। সবশেষে, সালামি আদায় যেন চাপ সৃষ্টি না করে, বরং ভালোবাসা ও আনন্দের অংশ হয়।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

আসছে বৈশাখ, ব্যস্ত সময় পার করছে মৃৎশিল্পীরা

Published

on

By

বাঙালির প্রাণের উৎসব বাংলা নববর্ষ। এ উৎসব ঘিরে চলছে নানা প্রস্তুতি। বিশেষ করে মৃৎশিল্পীদের ব্যস্ততা এতটাই বেড়েছে যে দিন-রাত তাঁরা চোখের পাতা এক করতে পারছেন না। বৈশাখী মেলাকে সামনে রেখে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার বিভিন্ন গ্রামে রাতদিন কাজ চলছে। পুতুল, হাতি, ঘোড়া, ময়ূর, হাঁড়ি-পাতিলসহ নানা সামগ্রী তৈরি করে রাঙিয়ে তুলছেন তারা।

রোববার (১২ এপ্রিল) সকালে সরেজমিনে দেখা গেছে, বিভিন্ন ধরনের মাটির সামগ্রী তৈরিতে ব্যস্ত রয়েছেন কারিগরেরা। এর মধ্যে রয়েছে মাটির হাঁড়ি-পাতিল, পুতুল, হাতি, ঘোড়া, নৌকা, টিয়া, সিংহ, দোয়েল, কচ্ছপ, মাছ, হাঁস ও বাহারি মাটির ব্যাংক। পয়লা বৈশাখ থেকে পুরো মাস চলবে এ ব্যবসা।

মৃৎশিল্পীরা জানান, বছরে এই একটা উৎসব ঘিরে তাঁদের অনেক আশা থাকে। এমনিতে সারা বছর মৃৎশিল্পের তেমন চাহিদা থাকে না। নববর্ষে দেশের বিভিন্ন স্থানে বৈশাখী মেলা বসে। এ মেলায় কেবল চাহিদা থাকে। তাই সারা বছর উৎসবটার অপেক্ষা করেন তাঁরা। সারা বছর মাটির তৈজসপত্র তৈরি করে কোনোমতে জীবিকা নির্বাহ করলেও মেলার জন্য তৈরি করছেন বাহারি সব মাটির খেলনা।

শিবনগর গ্রামের নরেশ চন্দ্র পাল কালবেলাকে বলেন, এখন আর মাটির জিনিসের তেমন কদর নেই। সারা বছর টানাপোড়নে চলতে হয়। পূর্বপুরুষের পেশা তাই ইচ্ছে হলেও ছাড়তে পারেন না। বৈশাখ মাস এলে মেলায় মাটির তৈরি খেলনা ও সামগ্রীর চাহিদা থাকে। তাই এই সময়টায় ভালো আয় হয়।

মদির পাল বলেন, এ শিল্পের জন্য প্রয়োজন হয় পরিষ্কার এঁটেল মাটি। কিন্তু এখন মাটির অভাব। তার ওপরে রংসহ আনুষঙ্গিক ব্যয় অনেক বেড়েছে। সে অনুযায়ী উৎপাদিত পণ্যের দাম অতটা বাড়েনি। তারপরও পূর্বপুরুষেরা এ পেশার সঙ্গে জড়িত ছিলেন, তাই সেই ঐতিহ্য ধরে রাখার চেষ্টা করছেন। এসব মাটির খেলনা ৩০ থেকে ১৫০ টাকায় পর্যন্ত বিক্রি হয়।

রমেশ পাল নামে এক মৃৎশিল্পী বলেন, বাজারে এখন মাটির তৈরি পণ্যের কোনো কদর নেই। প্লাস্টিক পণ্যের ওপর মজেছে মানুষ। ঐতিহ্যের প্রতি মানুষের দৃষ্টি ক্রমেই কমে যাচ্ছে। কুমাররা কীভাবে বেঁচে আছে, তারা তাদের পারিশ্রমিক অনুযায়ী ন্যায্যমূল্য পায় কি না এ খোঁজখবর কেউ রাখে না।

তিনি আরও বলেন, সরকার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা যদি এ পেশাকে বাঁচিয়ে রাখতে এখনই যথাযথ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ না নেন, তাহলে একসময় মৃৎশিল্পের বিলুপ্তি ঘটবে।

Continue Reading

ফিচার

পঞ্চাশেও অ্যাঞ্জেলিনা জোলির সৌন্দর্যের গোপন রহস্য জেনে নিন

Published

on

By

হলিউডের ইতিহাসে চিরসবুজ সৌন্দর্যের প্রতীক হিসেবে যাঁদের নাম উল্লেখ করা হয়—অ্যাঞ্জেলিনা জোলি তাঁদের মধ্যে অন্যতম। তাঁর মোহনীয় চাহনি আর গ্লোয়ি ত্বকের কারণে এ বয়সেও বিশ্বজুড়ে লাখো তরুণের হৃৎস্পন্দন হয়ে রয়েছেন তিনি। পঞ্চাশের কোঠায় পা দিয়েও তাঁর ত্বকের উজ্জ্বলতা ঠিক আগের মতোই অটুট। অনেকেই ভাবেন, এই সৌন্দর্যের পেছনে হয়তো দামি প্রসাধনী বা প্লাস্টিক সার্জারির অবদান রয়েছে। তবে সত্যিটা হলো, জোলি তাঁর ত্বকের যত্নে খুবই সাধারণ ও প্রাকৃতিক নিয়মে বিশ্বাস করেন। আজকের আয়োজনে থাকছে হলিউড এই সুন্দরীর ‘এজ-ডিফাইং’ বা বয়স ধরে রাখার রহস্য।

অল্প বয়সেই রূপচর্চায় সচেতনতা

অ্যাঞ্জেলিনা জোলির চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. রানা এক সাক্ষাৎকারে জানান, অভিনয় ক্যারিয়ার শুরুর একেবারে প্রথম দিক থেকেই জোলি তাঁর ত্বকের যত্নে সচেতন হয়েছিলেন। তিনি জানতেন, দীর্ঘ সময় সুস্থ ও সুন্দর ত্বক ধরে রাখতে হলে নিয়ম মেনে চলা জরুরি। উত্তরাধিকার সূত্রে জোলি অলিভ স্কিন বা উজ্জ্বল শ্যামবর্ণের অধিকারী। তাই খুব বেশি কৃত্রিম প্রসাধনী তাঁকে কখনোই ব্যবহার করতে হয়নি।

জোলির রূপচর্চার প্রধান দিক

সানস্ক্রিন ও মাইল্ড ক্লিনজার

জোলির মতে, ত্বকের উজ্জ্বলতা ধরে রাখার বড় হাতিয়ার হলো সানস্ক্রিন। সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি ত্বকের পিগমেন্টেশন ও বয়সের ছাপ তৈরির প্রধান কারণ। এ ছাড়া তিনি ত্বক পরিষ্কার করতে কোনো ধরনের কড়া ফেসওয়াশ ব্যবহার করেন না। তিনি সব সময় মাইল্ড বা মৃদু ক্লিনজার ব্যবহার করেন, যা ত্বকের প্রাকৃতিক তেল কেড়ে নেয় না। গ্লাইকোলিক অ্যাসিড বা আলফা হাইড্রক্সি অ্যাসিডের মতো প্রাকৃতিক উপাদানযুক্ত প্রসাধনী তাঁর ত্বকের টেক্সচার ঠিক রাখতে সাহায্য করে।

ভ্রমণের সময় বিশেষ যত্ন

শুটিং বা ভ্রমণের কারণে জোলিকে পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ছুটতে হয়। তবে আবহাওয়া যতই প্রতিকূল হোক না কেন, তিনি কখনোই স্কিন কেয়ারে অবহেলা করেন না। জোলি সব সময় তাঁর সঙ্গে সানস্ক্রিন রাখেন এবং বাইরের ধুলাবালু থেকে বাঁচতে টুপি ব্যবহার করেন। সূর্যের আলো যেন সরাসরি ত্বকের ক্ষতি করতে না পারে, এটিই তাঁর মূলমন্ত্র।

আর্দ্রতা ও ময়শ্চারাইজিং

ত্বক সতেজ রাখতে জোলি প্রচুর পরিমাণে পানি পান করেন। ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতা ত্বকে দ্রুত বলিরেখা সৃষ্টি করে। নিয়মিত ভালো মানের ময়শ্চারাইজার ব্যবহারের মাধ্যমে তিনি তাঁর ত্বকের আর্দ্রতা নিশ্চিত করেন। তাঁর মতে, ত্বক ভেতর থেকে আর্দ্র রাখলে তবেই বাইরে থেকে উজ্জ্বলতা পাওয়া সম্ভব।

মেকআপের পরিমিত ব্যবহার

জোলি শুটিং বা বিশেষ কোনো অনুষ্ঠান ছাড়া খুব বেশি মেকআপ করা পছন্দ করেন না। তিনি বিশ্বাস করেন, ত্বককে নিশ্বাস নিতে দেওয়া জরুরি। ভারী ফাউন্ডেশনের আড়ালে ত্বক ঢেকে না রেখে; বরং প্রাকৃতিক রাখাটাই বুদ্ধিমানের কাজ। এ ছাড়া তিনি দিন শেষে যতই ক্লান্তি বোধ করুন না কেন, মেকআপ না তুলে ঘুমাতে যান না। এই অভ্যাসটি ব্রণ ও অকাল বার্ধক্য থেকে তাঁর ত্বক রক্ষা করে।

প্লাস্টিক সার্জারি নিয়ে জোলির অবস্থান

অনেকে মনে করেন, তাঁর এই তন্বী রূপের পেছনে সার্জারির হাত রয়েছে। তবে ২০১০ সালে ‘ডেইলি মেইল’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জোলি সরাসরি জানান, তিনি কখনোই প্লাস্টিক সার্জারি করাননি এবং ভবিষ্যতেও এমন কিছু করার পরিকল্পনা নেই। তিনি মনে করেন, প্রতিটি মানুষের নিজের মতো করে ভালো থাকার অধিকার আছে। তবে তিনি নিজে প্রাকৃতিকভাবেই বয়সকে জয় করতে চান।

অ্যাঞ্জেলিনা জোলির ত্বকের এই সাধারণ যত্ন প্রমাণ করে, উজ্জ্বল ত্বক পাওয়ার জন্য পকেটের টাকা খরচ করে দামি ট্রিটমেন্টের প্রয়োজন নেই। নিয়মিত সানস্ক্রিন ব্যবহার, ত্বক পরিষ্কার রাখা, পর্যাপ্ত পানি পান এবং পরিমিত মেকআপেই সম্ভব ৫০ বছর বয়সেও জোলির মতো নজরকাড়া সৌন্দর্যের অধিকারী হওয়া।

সূত্র: পিংকভিলা ও অন্যান্য

Continue Reading

ফিচার

এবার নিজের জন্য বাঁচুন

Published

on

By

লেখা: অধ্যাপক ডা. সানজিদা শাহরিয়া

লেখা প্রকাশ: আজকের পত্রিকা

নারীদের ক্ষেত্রে অধিকাংশ সময় দেখা যায়, তাঁরা নিজের জন্য বাঁচেন না। সংসার, সন্তান, পরিবারের জন্যই সব করেন, সবটা দিয়ে দেন। অন্যকে ভালো রাখার মধ্য়েই আনন্দ খুঁজে নেন, সমাজও যেন অদৃশ্যভাবে তা-ই শেখায়। কিন্তু যে নিজেকে ভালোবাসে না, নিজের যত্ন নেয় না, সে কি আদৌ কাউকে খুব ভালোবাসতে পারে? সমস্যা তো এখানেই থেমে নেই। আমরা তো বর্তমানে বাঁচি না। হয় অতীত নিয়ে মনঃকষ্টে, নয়তো ভবিষ্যতের দুশ্চিন্তায় বাঁচি। তার থেকেও বড় কথা হলো, জীবনে কী চাই, সেটাও আমরা জানি না। বর্তমানে তো আমরা সেই জিনিসগুলোই জীবনে চাই, যেগুলো দেখে আশপাশের মানুষ ঈর্ষান্বিত হবে। যেন অন্যকে ঈর্ষান্বিত করতে পারাটাই জীবনের সার্থকতা।

যে বাধা পথ আগলে

সচরাচর আমরা নানান বাধায় বৃত্তবন্দী হয়ে পড়ি নিজে কেমন জীবন চাচ্ছি সেটা পেতে। তখন মনে হয়, অন্যরা আমাকে টপকে পারিবারিক, সামাজিক, পেশাগত জীবনে দিব্যি এগিয়ে যাচ্ছেন।

আমরা মনে করি, আমাদের অতীত ভবিষ্যৎকে নিয়ন্ত্রণ করে। ফলে এই ভাবনা আমাদের মনে অসহায়ত্ব তৈরি করে। আমরা হেরে যাওয়া, প্রত্যাখ্যাত হওয়াকে সাফল্যহীনতা মনে করে ভয় পাই। আমরা না বলতে এবং না শুনতে পারি না। তাই মনে মনে খুব স্থিতি অবস্থা চাইলেও সাফল্য অর্জনের জন্য যেসব হিসাব-নিকাশ করে ঝুঁকি নিতে হয়, সেই সাহস করি না।

তাহলে ইচ্ছেমতো বাঁচার উপায় কী? কীভাবে বাঁচলে নিজের আত্মবিশ্বাস ও আত্মসম্মান অটুট থাকবে?

রবীন্দ্রনাথের একটা চমৎকার কথা আছে,

‘সম্মুখে টানিয়া ধরে পশ্চাতে আমি…’

মনস্তত্ত্ব বলে, মানুষের ভবিষ্যৎ আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে তার অতীত আচরণ। অতীতের বিশ্বাস আমাদের ভবিষ্যতে নতুন কিছু পাওয়া ও সম্ভাবনা খোঁজার জায়গা থেকে মাঝেমধ্যে দূরে সরিয়ে রাখে। কিন্তু গবেষণা জানাচ্ছে, আমরা যদি চাই মাত্র ১৫ শতাংশ আচরণে অতীতের ছাপ রেখে নিজেকে বদলে ফেলতে পারি। গতকাল আমি যা করেছি করেছি; কিন্তু আগামীকালের আমাকে বদলানোর দায়িত্বটি শুধু আমার নিজেকেই নিতে হবে। অন্য কেউ পারবে না, যদি আমি সেই রিমোট কন্ট্রোলটি অতীতের ঘটনার হাতে তুলে দিই।

মুক্তির উপায়

আপনি যদি হেরে যাওয়ার ভয় বা প্রত্যাখ্যানের ভয়ে আচ্ছন্ন হয়ে পড়েন, তাহলে আপনি মানসিকভাবে পঙ্গু হয়ে গেলেন। এই পঙ্গুত্ব নিয়ে আপনি বদলে যাওয়ার পথে হাঁটতে পারবেন না। ভয় মনের মধ্যে গেড়ে বসে থাকলে, নিজেকে তিনটি কথা বলুন।

প্রথমত, যেটা পেতে পারি, সেটা হারাতেও পারি। আমি জানি কীভাবে পেতে হয়।

দ্বিতীয়ত, কিছু হারালে আমি দুর্বল হয়ে পড়ি না; বরং এই হারানোর অভিজ্ঞতা আমাকে আরও শক্তিশালী করে ভবিষ্যৎ মোকাবিলায়।

তৃতীয়ত, জীবন একটা যাত্রা। এটি কোনো গন্তব্য নয়। জীবনের পথে চলতে চলতে কখনো হোঁচট খেয়ে পড়ব, কখনো উঠে দাঁড়াব।

মডেল: প্রিতী, পোশাক: অন ক্লাউড নাইন অ্যান্ড হাফ, মেকআপ: নিউ রেড বিউটি স্যালন। ছবি: হাসান রাজা

যা করতে পারেন

যদি মমতাময় কেউ না থাকে, নিজেই নিজেকে সে মমতা দেওয়ার চেষ্টা করুন এবং অপেক্ষা করুন হতাশ না হয়ে।

আপনি জীবনে আনন্দ, সাফল্য পাওয়ার অযোগ্য—এই ভ্রান্ত ধারণা বাদ দিন।

এমন কারও কাছে আর আত্মসমর্পণ করবেন না, যে আপনাকে সম্মান ও যত্ন করে না।

জীবনের যেকোনো ধাপে ঘুরে দাঁড়ানো যায়, নতুন করে শুরু করা যায়।

নারী দিবসের মুহূর্তটি হোক আপনার নিজের মুহূর্ত। নিজেকে যত্ন করার, নিজেকে সম্মান করার, নিজেকে ভালোবাসার মুহূর্ত।

লেখক: চিকিৎসক ও সাইকোথেরাপি প্র‍্যাকটিশনার, ফিনিক্স ওয়েলনেস সেন্টার, ঢাকা

Continue Reading

Trending