Connect with us

top3

পিআইওকে মারধর, গণঅধিকার পরিষদের নেতা গ্রেপ্তার

Published

on

ঠাকুরগাঁওয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাকে (পিআইও) মারধরের ঘটনায় গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সহসভাপতিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) রাতে দিনাজপুরের সুইহাড়ি এলাকা থেকে রাণীশংকৈল থানা-পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার রাতে রাণীশংকৈল উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ে দাপ্তরিক কাজে ব্যস্ত ছিলেন পিআইও নুরুন্নবী সরকার। রাত সাড়ে ৯টার দিকে মামুনুর রশিদ মামুনের নেতৃত্বে কয়েকজন নেতাকর্মী সেখানে প্রবেশ করেন। এ সময় কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে পিআইও এবং তার দপ্তরি আইয়ুব আলীর ওপর হামলা চালানো হয়। এতে তারা আহত হন।

ঘটনার পরপরই পিআইও নুরুন্নবী সরকার বাদী হয়ে রাণীশংকৈল থানায় পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা দায়ের করেন।

এদিকে, ঘটনার পরদিনই পুলিশ পৌর শহরের ভান্ডারা এলাকায় অভিযান চালিয়ে জিয়াউর রহমান নামে একজনকে গ্রেপ্তার করে। পরবর্তীতে শুক্রবার রাতে মামলার প্রধান অভিযুক্ত মামুনুর রশিদ মামুনকেও গ্রেপ্তার করা হয়।

এ বিষয়ে রাণীশংকৈল থানার ওসি আমানুল্লাহ আল বারী বলেন, উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ে প্রবেশ করে পিআইওকে মারধরের ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। ওই মামলায় মামুনুর রশিদ মামুনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এর আগে, প্রকল্পের ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে বিরোধের জেরে দিনদুপুরে লোকজনের সামনে এক ইউপি সদস্যকে ‘সাড়ে তিন হাত মাটির নিচে পুতে ফেলার’ হুমকি দেন পিআইও মো. নুরুন্নবী সরকার। এ ঘটনায় জেলাজুড়ে তীব্র আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। পরে বাচোর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. আক্কাশ আলী তার বিরুদ্ধে রাণীশংকৈল থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

শুধু তাই নন রাণীশংকৈলে যোগদানের পর থেকেই পিআইও নুরুন্নবী সরকার সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করে আসছেন। সরকারি বিধি লঙ্ঘন করে অফিস কক্ষে ধূমপানসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলে এর আগেও তার অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সেই মানববন্ধনের সংবাদ প্রকাশের জেরে স্থানীয় দুই সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম সুজন ও ফারুক আহম্মেদসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে থানায় মিথ্যা মামলা দায়ের করার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

মায়ের দেওয়া কিডনিও বাঁচাতে পারল না বেরোবির শিক্ষার্থী জাহিদকে

Published

on

By

আনাস মাহমুদ; বেরোবি প্রতিনিধি:

চার বছর আগে মৃত্যুর দুয়ার থেকে সন্তানকে ফিরিয়ে আনতে নিজের একটি কিডনি দিয়েছিলেন মা। সন্তানের বেঁচে থাকার আশায় নিজের শরীরের অঙ্গটুকুও দিতে দ্বিতীয়বার ভাবেননি তিনি। সেই কিডনি প্রতিস্থাপনের পর নতুন জীবনের স্বপ্ন দেখেছিলেন ২৪ বছরের তরুণ জাহিদ হাসান। শুধু স্বপ্ন দেখেই থেমে থাকেননি, ঘুরে দাঁড়িয়ে শুরু করেছিলেন কর্মজীবনও। এনটিআরসিএর সুপারিশে একটি মাদ্রাসায় সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন তিনি।

কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই স্বপ্ন আর পূরণ হলো না। মায়ের দেওয়া কিডনিটিও বিকল হয়ে যাওয়ায় শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) মারা গেছেন জাহিদ হাসান।

জাহিদের মৃত্যুতে স্বজনদের মধ্যে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। যে মা সন্তানকে বাঁচাতে নিজের কিডনি দিয়েছিলেন, সেই মায়ের চোখের সামনেই শেষ হয়ে গেল সন্তানের জীবন।

মৃত্যুর আগের দিন সোমবার নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি আবেগঘন পোস্ট দেন জাহিদ। সেখানে তিনি লিখেছিলেন, ‘কাল সকাল ৭টায় উন্নত চিকিৎসা করতে ঢাকায় যাব। যদি ওই পর্যন্ত টিকে থাকি। আমি নিঃস্ব, কাঙাল। যা পারেন তাই দিয়ে হেল্প করেন। ভুল ত্রুটিগুলো ক্ষমা চেয়ে নিলাম। আমি অন্তিম মুহূর্তে এখন। হতে পারে শেষ কথাই।’

জাহিদের একটি ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছিলেন, “আর পারতেছি না। মৃত্যু ও আসে না। সর্ব শরীর কি যে অসহ্য ব্যাথা বলতে পারছি না। ২৪ ঘন্টা এই ব্যথা নিয়ে মরছি। চিকিৎসা করতে পারছি না অভাবে।”

ওই পোস্টে তিনি চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহযোগিতা কামনা করে আরও লিখেছিলেন, “আপনাদের সামান্য সহযোগিতাও আমার চিকিৎসার জন্য অনেক বড় সহায়তা হতে পারে।” পাশাপাশি পোস্টটি শেয়ার করে অন্যদের সহযোগিতার সুযোগ করে দেওয়ারও অনুরোধ জানিয়েছিলেন তিনি।

জাহিদের এই পোস্ট ছড়িয়ে পড়ার পর স্বজন, বন্ধু ও পরিচিতদের মধ্যে উৎকণ্ঠা তৈরি হয়। চিকিৎসার জন্য সহায়তার আবেদনও জানান তিনি। কিন্তু ঢাকায় গিয়ে উন্নত চিকিৎসা নেওয়ার আগেই না ফেরার দেশে চলে গেলেন তিনি।

জাহিদ হাসানের বাড়ি পঞ্চগড় সদর উপজেলার ঠেকরপাড়া গ্রামে। তিনি বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ থেকে স্নাতক পাস করেছিলেন।

২০২২ সালের ২২ জানুয়ারি ঢাকার শ্যামলীর সেন্টার ফর কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি (সিকেডি) হাসপাতালে জাহিদের শরীরে তার মা বুলি বেগমের একটি কিডনি প্রতিস্থাপন করা হয়। অস্ত্রোপচারের পর মা ও ছেলে দুজনেই শঙ্কামুক্ত ছিলেন বলে তখন পরিবার জানিয়েছিল।

এর আগে ২০২১ সালের ১৭ অক্টোবর পরিবারের সদস্যরা জানতে পারেন, জাহিদের দুটি কিডনিই কাজ করছে না। রংপুর ও ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার পর তাকে সিকেডি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকরা কিডনি প্রতিস্থাপনের পরামর্শ দিলে সন্তানকে বাঁচাতে নিজের কিডনি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন মা বুলি বেগম।

তখন জাহিদের বড় বোন নূরনাহার বলেছিলেন, ‘ভেবেছিলাম ভাইকে বাঁচানো যাবে না। এখন আমি ভাইকে স্পর্শ করতে পারছি। ভাই চোখের সামনে সুস্থ জীবনের পথে হাঁটছে- এই অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করতে পারবো না।’

নিজের মায়ের দেওয়া কিডনি পেয়ে নতুন জীবন পাওয়ার অনুভূতিও জানিয়েছিলেন জাহিদ। বলেছিলেন, ‘ভালো আছি, নতুন করে জন্ম নিলাম পৃথিবীর বুকে। জগতজুড়ে একটাই মধুর নাম মা। কথাটি আজ বুঝতে পারছি।’

কিন্তু সেই নতুন জীবন দীর্ঘস্থায়ী হলো না। মায়ের দেওয়া কিডনিও পরে বিকল হয়ে যায়। ধীরে ধীরে জাহিদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। শেষ পর্যন্ত মৃত্যুর কাছে হার মানতে হলো তাকে।

জাহিদের পরিবার আগে থেকেই নানা সংকটের মধ্য দিয়ে আসছিল। ২০০৪ সালে ব্লাড ক্যানসারে মারা যান তার ছোট বোন। একই বছর বাসচালক বাবাকেও হারান তিনি। এরপর অভাব-অনটনের মধ্যেই বড় হয়েছেন জাহিদ ও তার ভাই-বোনেরা।

জাহিদকে বাঁচাতে চিকিৎসার খরচ জোগাতে পরিবারের ৩০ শতাংশ জমিসহ পৈতৃক ভিটাও বিক্রি করতে হয়েছিল। সবকিছু হারিয়েও তখন পরিবারের একটাই আশা ছিল, জাহিদ বেঁচে থাকবেন।

কিন্তু সেই আশা আর পূরণ হলো না। মায়ের দেওয়া কিডনি নিয়ে যে সন্তান নতুন করে জীবন শুরু করেছিলেন, চার বছর পর সেই জাহিদই চলে গেলেন না ফেরার দেশে।

স্থানীয় জুলফিকার আলী জনি বলেন, ‘জাহিদ খুব ভালো ছেলে ছিল। অসুস্থ হওয়ার পর তার মা নিজের কিডনি দিয়ে ছেলেকে বাঁচিয়েছিলেন। পরে সে সুস্থ হয়ে চাকরিতে যোগ দিয়েছিল। তার এমন মৃত্যু আমরা কেউ মেনে নিতে পারছি না।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মাহাতাব প্রধান মারিফ বলেন, ‘জাহিদকে আমরা ছোটবেলা থেকেই দেখেছি। অনেক কষ্ট করে পড়াশোনা করেছে। মায়ের কিডনি পেয়ে যখন সুস্থ হয়ে শিক্ষকতার চাকরি করছিল, তখন আমরা সবাই খুশি হয়েছিলাম। আবার অসুস্থ হয়ে এত অল্প সময়ে সে মারা যাবে, এটা কখনো ভাবিনি।’

Continue Reading

top3

ইবিতে নারী শিক্ষার্থী বহনকারী বাস দুর্ঘটনায় তদন্ত কমিটি

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) নারী শিক্ষার্থী বহনকারী বাস দুর্ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। ঘটনাস্থলে বাস চালকের গাফলতি বা অন্য কোনো ত্রুটি ছিল কিনা যাচাই পূর্বক দ্রুত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন প্রশাসক অধ্যাপক ড. আব্দুর রউফ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। গঠিত তদন্ত কমিটিতে আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন উপ-রেজিস্ট্রার মো. জামির হোসেন, সদস্য হিসেবে লিটন চৌধুরী ও সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্বে আছেন উপ-পরিচালক মো. আঞ্জুরুল হক।

এর আগে গতকাল (সোমবার) সকাল ১০টার দিকে কুষ্টিয়ার নিশান মোড় থেকে ক্যাম্পাসের উদ্দেশ্যে আসা নারী শিক্ষার্থী বহনকারী ‘সুহাইল’ নামের বাসটি বটতৈল এলাকায় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে।

প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থীদের সূত্রে, বাসটি বটতৈল এলাকায় পৌঁছানোর পর সামনে থাকা একটি গাড়িকে ওভারটেক করার চেষ্টা করেন চালক। এ সময় বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়ক বিভাজকের ওপর উঠে যায়। এতে বাস চালককে দুষছেন শিক্ষার্থীরা।

তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক মো. জামির হোসেন বলেন, “দুর্ঘটনার কেন হয়েছে, কিভাবে হয়েছে–এসব যাচাই করতে এ কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির বাকি সদস্যদের নিয়ে আমি কাজ করব।”

তদন্ত কমিটি সম্বন্ধে জানতে চাইলে পরিবহন প্রশাসক অধ্যাপক ড. আব্দুর রউফ বলেন, “ঘটনা অবগত হওয়ার পরপরই আমাদের টিম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। কিছু শিক্ষার্থী আহত হয়। কোনো ধরনের গাফলতি ছিল কিনা খতিয়ে দেখবে কমিটি।”

Continue Reading

top3

উপাচার্যের আপ্যায়নে ১৬ লাখ ব্যয়ের পর আরও ২০ লাখের চাহিদা বেরোবিতে

Published

on

By

আনাস মাহমুদ; বেরোবি প্রতিনিধি:

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) আপ্যায়ন খাতে দুই বছরে ব্যয় হয়েছে ১৬ লাখ ৪৪ হাজার টাকা আগামী অর্থবছরে উপাচার্যের আপ্যায়ন খাতে আরও ২০ লাখ টাকা বরাদ্দের চাহিদা দেওয়া হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব শাখার ২০২৪-২৫ অর্থবছরের ব্যয়ের হিসাব ও বাজেটসংক্রান্ত নথি পর্যালোচনা করে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

নথি অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে উপাচার্যের আপ্যায়ন খাতে ৮ লাখ ৯৩ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে। পরবর্তী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এ খাতে ব্যয়ের পরিমাণ ৭ লাখ ৫১ হাজার টাকা ধরা হয়েছে। এদিকে ২০২৫-২৬ এবং ২০২৬-২৭ দুই অর্থবছরের জন্য একই খাতে ২০ লাখ করে বরাদ্দের চাহিদা দেওয়া হয়েছে। সে হিসাবে চলতি অর্থবছরের তুলনায় আগামী অর্থবছরে উপাচার্যের আপ্যায়ন খাতে বরাদ্দের চাহিদা বাড়ছে সাড়ে ১২ লাখ টাকা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অনেকে বলছেন, শিক্ষা ও গবেষণার মতো মৌলিক খাতে বরাদ্দের পাশাপাশি প্রশাসনিক ব্যয়ের ক্ষেত্রেও যৌক্তিকতা ও প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি বিবেচনা করা প্রয়োজন। বিশেষ করে উপাচার্যের আপ্যায়ন খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে কী কারণে অতিরিক্ত অর্থের প্রয়োজন হচ্ছে, তা স্পষ্ট করা দরকার।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমান , এ বিষয়ে আমি কিছু জানি না এই বিষয়ে বলতে পারবে উপাচার্য দপ্তর।

বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ ও হিসাব দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. শাহজাহান, আমি এই বিষয়ে জানি না এর আগে ৭টা ক্ষাত বিষয়ে জানি শিক্ষকদের ভাড়া সহ কিন্তু এই বিষয়ে জানি না। আমাকে খোঁজ নিতে হবে এখন কত খরচ করেছে আপ্যায়নে। আমার তো মনে নেই এগুলো বাজেটের বিষয় বাজেট সেকশনে হয়তো তথ্য আছে। তবে প্রত্যেক দপ্তরে এবং বিভাগে তিন মাস পর পর হিসাব করে টাকা দেওয়া হয়। আর এত টাকা এক বছরে আমি শুনি নাই খোঁজ নিতে হবে।

Continue Reading

Trending