আন্তর্জাতিক

‘একটি ফোন কল করব এবং থাইল্যান্ড- কম্বোডিয়ার যুদ্ধ বন্ধ হবে’ : ট্রাম্প

Published

on

বুধবার (১০ ডিসেম্বর) থাইল্যান্ড এবং কম্বোডিয়া একে অপরের বিরুদ্ধে সীমান্ত আক্রমণে বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু করার অভিযোগ করেছে। এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, যুদ্ধ বন্ধ করতে ও জুলাই মাসে তার মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতি পুনরুদ্ধারে তাকে একটি ফোন করতে হবে।

থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া সংঘর্ষ বন্ধে ট্রাম্প ফোন কল করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। 

রয়টার্স বলছে, সোমবার থেকে নতুন করে শুরু হওয়া সংঘর্ষের জন্য দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই দুই দেশ একে অপরকে দোষারোপ করেছে এবং কয়েক মাস ধরে চলমান সীমান্ত উত্তেজনার কূটনৈতিক সমাধানের ব্যাপারে এখনও মতবিরোধে রয়েছে।

এদিকে, মঙ্গলবার এক সাক্ষাৎকারে থাইল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, তিনি আলোচনার কোনো সম্ভাবনা দেখছেন না, তিনি আরও যোগ করেন, পরিস্থিতি তৃতীয় পক্ষের মধ্যস্থতার জন্য অনুকূল নয়।

অন্যদিকে কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হুন মানেটের একজন শীর্ষ উপদেষ্টা রয়টার্সকে জানান, তার দেশ যেকোনো সময় আলোচনার জন্য প্রস্তুত।

এদিকে, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পেনসিলভানিয়ায় এক সমাবেশে বক্তৃতা দিতে গিয়ে ট্রাম্প দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার নতুন করে এই সংঘাতের বিষয়ে মন্তব্য করার আগে পাকিস্তান ও ভারত, ইসরাইল ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধে তার সহায়তার দাবি করেন।

‘আমাকে কম্বোডিয়া-থাইল্যান্ড সংঘাতের কথা বলতে খারাপ লাগছে।  আজ তারা যুদ্ধ করছে তবে তা থামাতে আগামীকাল আমাকে একটি ফোন কল করতে হবে। আর কে বলতে পারে যে আমি একটি ফোন কল করব এবং দুটি অত্যন্ত শক্তিশালী দেশ, থাইল্যান্ড এবং কম্বোডিয়ার যুদ্ধ বন্ধ করবে।’ ট্রাম্প বলেন। 

এদিকে, ট্রাম্পের আবারও হস্তক্ষেপের সম্ভাবনা সম্পর্কে জানতে চাইলে, কম্বোডিয়ান সরকারের মুখপাত্র পেন বোনা বলেন, নমপেনের অবস্থান একই রয়ে গেছে, তারা কেবল শান্তি চায়।

থাই সরকারের একজন মুখপাত্র বলেন, তিনি জানেন না যে প্রধানমন্ত্রী ট্রাম্পের সাথে কথা বলেছেন কিনা, কারণ তিনি সংসদে ছিলেন।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, থাইল্যান্ডের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, বুধবার সকালে কম্বোডিয়ান বাহিনীর ছোড়া বিএম-২১ রকেট সুরিন জেলার ফানম ডং রাক হাসপাতালের কাছে পড়ে, যার ফলে রোগী এবং কর্মীদের আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেয়া হয়। এটি আরও বলেছে যে, বিতর্কিত প্রিয়াহ বিহার মন্দির কমপ্লেক্সের কাছাকাছিসহ অন্যান্য সীমান্ত পয়েন্টে ড্রোন এবং রকেট ও ট্যাঙ্ক ব্যবহার করা হয়েছে।

অন্যদিকে, কম্বোডিয়ার সামরিক বাহিনী জানায়, থাইল্যান্ড পুরসাত প্রদেশে আক্রমণ চালানোর জন্য কামান এবং সশস্ত্র ড্রোন ব্যবহার করেছে, বাটামবাং প্রদেশে বেসামরিক বাসস্থানে মর্টার নিক্ষেপ করেছে এবং থাই এফ-১৬ যুদ্ধবিমান কম্বোডিয়ার আকাশসীমায় প্রবেশ করা ছাড়াও বেসামরিক এলাকার কাছে বোমা ফেলেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Trending

Exit mobile version