Connect with us

জাতীয়

কুষ্টিয়া সদরের কবুরহাটে মহিলা দলের কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত

Published

on

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি: কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের অন্তর্গত বটতৈল ইউনিয়নের কবুরহাট এলাকায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের এক কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (০৬ নভেম্বর) দুপুর ৩টার দিকে কবুরহাটের ইসলামিক মডেল ও হাফেজিয়া মাদ্রাসা প্রাঙ্গনে জেলা যুবদলের সাবেক প্রধান সমন্বয়ক ও সদর উপজেলা যুবদলের আহবায়ক আব্দুল মাজেদ এর উদ্যোগে, বটতৈল ইউনিয়নের ৬ ও ৭ নং ওয়ার্ড মহিলা দল এই কর্মী সমাবেশের আয়োজন করেন।
কর্মী সমাবেশর উদ্বোধক ছিলেন, জেলা বিএনপির আহবায়ক কুতুব উদ্দিন আহমেদ। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকার। 
বিশেষ অতিথি ছিলেন, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ইসমাইল হোসেন মুরাদ, জেলা বিএনপি সদস্য শহিদুজ্জামান খোকন ও আবু তালেব, সদর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জিহাদুজ্জামান জিকু, বটতৈল ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুল হান্নান, সদর উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আশরাফুল আলম ও আব্দুল আওয়াল বাদশা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা মহিলা দলের নেত্রী কুমকুম। এছাড়া অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, জেলা মহিলা দলের নেত্রী নিলুফা আক্তার টুকটুকি, সদর উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি রেখা খাতুন, মহিলা দলের নেত্রী রোকসানা পারভীনসহ দলীয় অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী। কর্মী সমাবেশ সফল করতে বটতৈল ইউনিয়নের ৬ ও ৭ নং ওয়ার্ড থেকে কয়েক হাজার মহিলা কর্মীরা অংশ নেয়। 
এসময় জেলা বিএনপির আহবায়ক কুতুব উদ্দিন আহমেদ বলেন, দেশ আজ এক কঠিন সময় অতিক্রম করছে। বিগত ১৬ বছর জনগণের ভোটাধিকার হরণ করা হয়েছে, গণতন্ত্রকে বন্দি রাখা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মহিলা দলের নেত্রী ও কর্মীরা যে সাহসিকতার সঙ্গে গনতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য মাঠে আছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। 
তিনি আরো বলেন, বিএনপি বিশ্বাস করে, নারীর অংশগ্রহণ ছাড়া কোনো আন্দোলন সফল হতে পারে না। তাই মহিলা দলকে তৃণমূল থেকে আরও সংগঠিত হতে হবে। জনগণের অধিকার ফিরিয়ে আনতে, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে ধানের শীষের বিকল্প নেই। আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। 


এদিকে প্রধান অতিথি কুষ্টিয়া-৩ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকার বলেন, দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনতে মহিলা দলকে আরও ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে নামতে হবে। তিনি আরো বলেন, আপনারাই বিএনপির শক্তি, আজ যেভাবে আপনারা মাঠে এসেছেন, ঠিক এইভাবেই ঘরে ঘরে গিয়ে মানুষের কাছে বিএনপির ৩১ দফা কর্মসূচির বার্তা পৌঁছে দিন। আজকের এই কর্মী সমাবেশ প্রমাণ করছে, কুষ্টিয়ার নারীরা অন্যায়ের বিরুদ্ধে, স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার। আপনারা জানেন, এই সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত নয়। তাই এখন সময় এসেছে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লড়াইকে আরও তীব্র করার। 
ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকার বলেন, আমরা চাই একটি অবাধ, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন। জনগণই হবে সেই নির্বাচনের মালিক। মহিলা দলের নেত্রী ও কর্মীরা যদি একযোগে মাঠে থাকে, তাহলে ইনশাআল্লাহ বিএনপি তথা ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত হবে। 
তিনি বলেন, আগামী নির্বানে তারুণ্যের অহংকার তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি রাষ্ট্র ক্ষমতায় গেলে, নারীদের শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা উন্নয়নে বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে। নারী সমাজকে পিছিয়ে রেখে কোনো দেশ এগোতে পারে না। বিগত ১৬ বছর আওয়ামী ফ্যাসিস সরকার এদেশের নারীদের জন্য কিছুই করেনি। আমরা চাই, প্রতিটি নারী যেন আত্মনির্ভরশীল ও মর্যাদাবান হয়ে গড়ে ওঠেন। 
তিনি আরো বলেন, গ্রামীণ নারী উদ্যোক্তারা ঋণ পাচ্ছেন না, কর্মসংস্থানের সুযোগ সংকুচিত হচ্ছে। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে নারীদের জন্য আলাদা ‘নারী উন্নয়ন তহবিল’ গঠন করা হবে, যাতে গ্রামীণ নারীরাও ব্যবসা ও উৎপাদনমুখী কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে পারেন। আমরা চাই একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ যেখানে নারী-পুরুষ সমান মর্যাদা ও নিরাপত্তা পাবে। বিএনপি সরকার গঠিত হলে নারীদের জন্য বিনামূল্যে দক্ষতা প্রশিক্ষণ, মাতৃত্বকালীন ভাতা বৃদ্ধি, বয়স্ক, বিধবা ভাতা এবং কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিশ্চিতে কঠোর আইন প্রণয়ন করা হবে। সকলকে মনে রাখতে হবে, নারীর উন্নয়ন মানে জাতির উন্নয়ন। সে লক্ষ্যে তারেক রহমানের নির্দেশে বিএনপি ৩১ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেছে, আর বিএনপি রাষ্ট্র ক্ষমতায় গেলে জনগণের কল্যানে কাজ করবে। পিছিয়ে পড়া দেশটাকে উন্নত রাষ্ট্রে পৌছে দিবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল। 
সমাবেশ শেষে আগামী জাতীয় নির্বাচনে দলের বিজয়ের লক্ষ্যে তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার অঙ্গীকার করেন উপস্থিত নেত্রীরা।

জাতীয়

ভূমি প্রশাসনে বড় রদবদল, বদলি ৩৬ সহকারী কমিশনার

Published

on

By

বাসস

ভূমি প্রশাসনে বড় ধরনের রদবদল করেছে সরকার। বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের ৩৬ জন সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) বদলিপূর্বক পদায়নের জন্য বিভিন্ন বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে। 

জনস্বার্থে জারি করা এ সংক্রান্ত আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

ভূমি মন্ত্রণালয়ের মাঠ প্রশাসন-২ শাখা থেকে গত ২ সেপ্টেম্বর এ সংক্রান্ত পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, বদলি হওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে জসিম উদ্দিনকে গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর থেকে ঢাকা বিভাগে, তৌহিদ রেজাকে ঝিনাইদহের মহেশপুর থেকে ঢাকা বিভাগে এবং মো. মাসুদ রানাকে সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ থেকে ঢাকা বিভাগে ন্যস্ত করা হয়েছে।

এছাড়া মো. আশরাফুল ইসলামকে বরগুনার আমতলী থেকে ঢাকা বিভাগে, সোহাগ মিলুকে পটুয়াখালীর বাউফল থেকে খুলনা বিভাগে,  মো. সাইফুল ইসলামকে পটুয়াখালীর গলাচিপা থেকে রাজশাহী বিভাগে এবং প্রত্যয় হাশেমকে হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ থেকে চট্টগ্রাম বিভাগে ন্যস্ত করা হয়েছে।

মহেশ্বর মন্ডলকে বরিশালের উজিরপুর থেকে খুলনা বিভাগে,  রওশান কবিরকে নীলফামারীর ডিমলা থেকে রাজশাহী বিভাগে, রাফিউর রহমানকে কুড়িগ্রামের রৌমারী থেকে ঢাকা বিভাগে এবং মো. শাহরুখ আলম শান্তুতে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর থেকে ঢাকা বিভাগে ন্যস্ত করা হয়েছে।

দ্বিতীয় দফায় বদলি হওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন— মাহামুদ হুসাইন রাজু। তাকে দিনাজপুরের পার্বতীপুর থেকে খুলনা বিভাগে ন্যস্ত করা হয়েছে। নুসরাত জাহান অনন্যাকে ময়মনসিংহের ধোবাউড়া থেকে রাজশাহী বিভাগে এবং এস এম আকাশকে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া থেকে খুলনা বিভাগে ন্যস্ত করা হয়েছে।

এস এম নাজমুস সালেহীনকে ময়মনসিংহের তারাকান্দা থেকে রংপুর বিভাগে, আব্দুল আহাদকে কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম থেকে খুলনা বিভাগে এবং তানভীর আহম্মেদকে রংপুরের পীরগঞ্জ থেকে রাজশাহী বিভাগে ন্যস্ত করা হয়েছে।

এছাড়া ওমর শরীফ খানকে বরগুনার পাথরঘাটা থেকে খুলনা বিভাগে, আসিফ রায়হানকে পাবনার সাঁথিয়া থেকে ঢাকা বিভাগে, চৌধুরী আল মামুনকে সাতক্ষীরার দেবহাটা থেকে রাজশাহী বিভাগে এবং সামিউর রহমানকে কুড়িগ্রামের রাজারহাট থেকে ঢাকা বিভাগে ন্যস্ত করা হয়েছে।

মীর আল মনসুর শোয়াইবকে লালমনিরহাট সদর থেকে রাজশাহী বিভাগে, মো. শামীম রেজা সজীবকে ঝালকাঠির রাজাপুর থেকে ঢাকা বিভাগে, মজিবুর রহমানকে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল থেকে রাজশাহী বিভাগে এবং জাকারিয়া হোসেনকে সিলেটের গোয়াইনঘাট থেকে ময়মনসিংহ বিভাগে ন্যস্ত করা হয়েছে।

সৈকত মন্ডলকে বরগুনার তালতলী থেকে খুলনা বিভাগে এবং রিজভী আহমেদ সবুজকে ঝালকাঠির নলছিটি থেকে ঢাকা বিভাগে ন্যস্ত করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনের আরেক অংশে আরো ৯ জন সহকারী কমিশনারকে বদলি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে মো. ইফতেখার আহমেদকে নীলফামারীর জলঢাকা থেকে খুলনা বিভাগে, আব্দুল্লাহ বিন জিয়াকে পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ থেকে ঢাকা বিভাগে এবং মাহমুদুর রহমানকে সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর থেকে ময়মনসিংহ বিভাগে ন্যস্ত করা হয়েছে।

পলাশ উদ্দিনকে নওগাঁর বদলগাছী থেকে ঢাকা বিভাগে, শপথ বৈরাগীকে পিরোজপুরের নাজিরপুর থেকে খুলনা বিভাগে এবং মো. বদরুজ্জামান রিশাদকে কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী থেকে রাজশাহী বিভাগে ন্যস্ত করা হয়েছে।

এছাড়া আসমাউল হুসনা পিংকিকে মাগুরার শ্রীপুর থেকে ঢাকা বিভাগে, আমিনুল হক তারেককে কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী থেকে ময়মনসিংহ বিভাগে এবং আব্দুল্লাহ আল মামুনকে পটুয়াখালীর দশমিনা থেকে ঢাকা বিভাগে ন্যস্ত করা হয়েছে।

ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জনস্বার্থে জারি করা এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রজ্ঞাপনের অনুলিপি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, ভূমি সংস্কার বোর্ডের চেয়ারম্যান, ভূমি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (মাঠ প্রশাসন), সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

মাঠ প্রশাসনে সহকারী কমিশনার (ভূমি) পদটি ভূমি ব্যবস্থাপনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। নামজারি, ভূমি উন্নয়ন কর, সরকারি জমি ব্যবস্থাপনা, ভূমি-সংক্রান্ত প্রশাসনিক কার্যক্রমসহ বিভিন্ন দায়িত্ব মাঠপর্যায়ে পালন করেন এসব কর্মকর্তা।

ফলে, একসঙ্গে ৩৬ জন সহকারী কমিশনারের বদলির মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ভূমি প্রশাসনে দায়িত্বের পুনর্বিন্যাস হলো।

সরকারি আদেশ অনুযায়ী, বদলিকৃত কর্মকর্তাদের সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে। বিভাগীয় পর্যায়ে প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে তাদের নতুন কর্মস্থলে দায়িত্ব পালনের ব্যবস্থা করা হবে।

Continue Reading

top1

নোয়াখালী বিভাগ ঘোষণার দাবিতে শাহবাগ অবরোধ

Published

on

By

নোয়াখালীকে পৃথক বিভাগ ঘোষণার দাবিতে রাজধানীর শাহবাগে অবস্থান নিয়ে সড়ক অবরোধ করেছেন আন্দোলনকারীরা। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল পৌনে ৪টার দিকে শাহবাগে অবস্থান নেন তারা। এতে গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়ে আশপাশের এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

জুমার নামাজ শেষে বিকেল ৩টার দিকে চকবাজার চক মসজিদ থেকে শাহবাগের উদ্দেশে মিছিল নিয়ে রওনা হন আন্দোলনকারীরা। প্রায় ৪৫ মিনিট পর তারা শাহবাগে পৌঁছে সড়ক অবরোধ করে অবস্থান নেন।

এ সময় নোয়াখালীকে দ্রুত পৃথক বিভাগ ঘোষণার দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন আন্দোলনকারীরা। তাদের দাবি, দীর্ঘদিনের এই দাবি দ্রুত বাস্তবায়ন করে নোয়াখালীকে পৃথক বিভাগ হিসেবে ঘোষণা করতে হবে।

আন্দোলনকারীরা বলেন, নোয়াখালীকে বিভাগ ঘোষণা করা হলে প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং বৃহত্তর এলাকার মানুষের নাগরিক সেবা পাওয়ার সুযোগ বাড়বে।

এদিকে আন্দোলনকারীদের সড়ক অবরোধের কারণে শাহবাগ দিয়ে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এর প্রভাব পড়ে আশপাশের সড়কগুলোতেও। ফলে ওই এলাকায় যানজট তৈরি হয়ে ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা।

পরিস্থিতি সামাল দিতে আইন শৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা ব্যস্ত থাকায় এ বিষয়ে তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

পুলিশের সঙ্গে কথা হলে সদস্যরা জানিয়েছেন, তারা বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন। পরে বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা কথা বলবেন।

Continue Reading

top1

জিরো পয়েন্ট থেকে সদরঘাট পর্যন্ত রাস্তায় বসতে পারবেন না হকাররা

Published

on

By

রাজধানীর জিরো পয়েন্ট থেকে সদরঘাট পর্যন্ত সড়কে কোনো হকারকে বসতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর শিক্ষা ভবন থেকে দৈনিক বাংলা মোড় পর্যন্ত মেট্রোরেলের মিডিয়ানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে তিনি এ কথা জানান। একই সঙ্গে হকারদের সময় থাকতেই স্বেচ্ছায় ওই এলাকা থেকে সরে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

তবে হকারদের জন্য মতিঝিলে অফিস সময়ের পর নাইট মার্কেট চালুর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রশাসক। তিনি বলেন, বিকেল ৪টার পর সেখানে হকাররা বসতে পারবেন। তবে সপ্তাহের সাত দিন যত্রতত্র বসার সুযোগ দেওয়া হবে না। নির্ধারিত নিয়ম ও পরিচ্ছন্নতার বিষয়টি মেনেই তাদের ব্যবসা করতে হবে।

আব্দুস সালাম আরও বলেন, পরিবেশ সুরক্ষা পরিকল্পনার অংশ হিসেবে নগরজুড়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি চলমান রয়েছে। পর্যায়ক্রমে রাজধানীর বিভিন্ন ফ্লাইওভারের নিচেও গাছ লাগানো হবে।
এ ছাড়া নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা ফেলার বিষয়ে ব্যবসায়ী ও অফিস কর্মকর্তাদের সতর্ক করেন ঢাকা দক্ষিণ সিটির প্রশাসক।

Continue Reading

Trending