Connect with us

সর্বশেষ

চেয়ারম্যান প্রার্থীর পোস্টারে শেখ মুজিব, জিয়াউর রহমান ও তারেক

Published

on

শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলায় এক চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীর অভিনব প্রচারণা ঘিরে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়ে টানানো একটি পোস্টারে একসঙ্গে তিন আলোচিত রাজনৈতিক নেতার ছবি ব্যবহার করায় বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীর নাম ফাহিম হাসান রনি মাঝি। তিনি নড়িয়া উপজেলার ঘড়িষার ইউনিয়নের বাসিন্দা এবং উপজেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। এবার তিনি নিজেকে নির্দলীয় ও নিরপেক্ষ চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে দাবি করে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

বিজ্ঞাপন

সম্প্রতি ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়ে তার ছবি সম্বলিত একটি পোস্টার এলাকায় টানানো হয় এবং একই পোস্টার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও প্রকাশ করা হয়। পোস্টারটিতে বাম পাশে শেখ মুজিবুর রহমান, ডান পাশে জিয়াউর রহমান এবং মাঝখানে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান–এর ছবি ব্যবহার করা হয়েছে। আর নিচে নিজেকে ‘নিরপেক্ষ ও নির্দলীয় চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন ফাহিম হাসান রনি মাঝি।

এটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে এ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। অনেকেই বিষয়টিকে ব্যতিক্রমী প্রচারণা হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ কেউ এ নিয়ে সমালোচনাও করছেন।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ফাহিম হাসান রনি মাঝি বলেন, তিনি রাজনীতির বাইরে থেকে নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন করতে চান। সে কারণেই তিনি কোনো দলীয় পরিচয় সামনে আনেননি।

তিনি বলেন, শেখ মুজিবুর রহমানকে অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই। স্বাধীনতা যুদ্ধে তার অবদান অনেক, তাই তিনি আমার কাছে মহান। একইভাবে জিয়াউর রহমান–এরও স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদান রয়েছে, সেটাও আমি অস্বীকার করি না। তাই দুজন নেতার ছবিই রেখেছি।

তিনি আরও বলেন, তারেক রহমান বর্তমানে দেশের প্রধানমন্ত্রী। তাকে অস্বীকার করার কিছু নেই। তাকে অস্বীকার করলে বাংলাদেশকে অস্বীকার করা হবে। তাই সম্মান জানাতেই তার ছবিও রাখা হয়েছে।

তবে বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে নানা ধরনের আলোচনা চলছে। কেউ এটিকে রাজনৈতিক কৌশল হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ বলছেন—এ ধরনের প্রচারণা এলাকায় নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

মে মাসে ভারত সীমান্তে ৬ বাংলাদেশি নিহত, আটক ১৪

Published

on

By

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে গত মে মাসে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষীবাহিনীর (বিএসএফ) হামলায় ৬ বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ২০ জন। এছাড়া ১৪ বাংলাদেশিকে আটক করেছে বিএসএফ।

শুক্রবার (৫ জুন) মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির (এইচআরএসএস) প্রকাশিত মাসিক প্রতিবেদনে এ চিত্র দেখা গেছে।

সীমান্তে হতাহত ও আটকের ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়ে এইচআরএসএসের প্রতিবেদনে বলা হয়, মে মাসে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে ছয়টি হামলার ঘটনায় ছয়জন নিহত ও ২০ জন আহত হয়েছেন, এদের মধ্যে ৩ জন গুলিবিদ্ধ। তাছাড়া বিএসএফ কর্তৃক ১৪ জনকে আটক করা হয়েছে। অপরদিকে, বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে পুঁতে রাখা স্থলমাইন বিস্ফোরণের ৩ জন নিহত ও ১ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া ৪টি ঘটনায় ১৮ জনকে আটক করেছেন আরাকান আর্মি।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, মে মাসে দেশে মোট ৬৪টি রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে, যাতে ৫ জন নিহত এবং ২৮৯ জনেরও বেশি আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে বিএনপির একজন, জামায়াতের একজন, পার্বত্য চট্টগ্রামের দল ইউপিডিএফের দুজন এবং একজন সাধারণ নারী রয়েছেন। আধিপত্য বিস্তার, রাজনৈতিক বিরোধ ও চাঁদাবাজি কেন্দ্রিক এসব সহিংসতার ঘটনায় ১৩৪টি বাড়িঘর, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও দলীয় কার্যালয়ে হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে।

আশঙ্কাজনক চিত্র ফুটে উঠেছে মব ও গণপিটুনির ঘটনায়। মে মাসে ৬৬টি গণপিটুনির ঘটনায় অন্তত ৩১ জন নিহত এবং ৬৮ জন আহত হয়েছেন। চুরি, ডাকাতি ও ধর্মীয় অবমাননাসহ বিভিন্ন অভিযোগে এই গণপিটুনির ঘটনাগুলো ঘটেছে।

গণমাধ্যমের স্বাধীনতার ক্ষেত্রেও প্রতিবেদনে বেশ নেতিবাচক প্রভাব দেখা গেছে। এতে দেখা যায়, মে মাসে ৩৯টি ঘটনায় ৭৮ জন সাংবাদিক নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হয়েছেন, যার মধ্যে ৪২ জন সরাসরি আহত হয়েছেন। মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপের ফলে ১১টি ঘটনায় ছয়জনকে আটক করা হয়েছে। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীদের সমালোচনা করায় এই আইনি পদক্ষেপগুলো নেওয়া হয়েছে।

এইচআরএসএসের নির্বাহী পরিচালক ইজাজুল ইসলাম মানবাধিকার রক্ষায় সরকারকে আরও জবাবদিহিমূলক ও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি সতর্ক করেছেন যে, মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মতামতের জন্য গ্রেপ্তারের ঘটনাগুলো সমাধান না হলে মানবাধিকার পরিস্থিতি আরও অবনতি হতে পারে।

Continue Reading

top1

পুশইন ঠেকাতে সীমান্তে বিজিবির পাশে ঢাল হয়ে দাঁড়ালো গ্রামবাসী

Published

on

By

কুষ্টিয়া ও মেহেরপুর সীমান্ত এলাকায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) পুশইনের একাধিক চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বিজিবির পাশাপাশি সীমান্তবর্তী ওই এলাকার বাসিন্দারাও পুশইন ঠেকাতে তৎপর।

সীমান্ত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের তথ্য অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে সীমান্ত পরিস্থিতিতে কিছুটা উত্তেজনা ও শঙ্কা বিরাজ করছে। এরই মধ্যে কয়েকদিন ধরে ভারতে অবস্থানরত কিছু মানুষকে বাংলাদেশি নাগরিক দাবি করে সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পাঠানোর চেষ্টা করছে বিএসএফ।

জানা গেছে, সীমান্তে বিভিন্ন এলাকায় হোল্ডিং সেন্টারে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ১০ থেকে ১৫ জনকে জড়ো করে ছোট যানবাহনে করে সীমান্তের কাছাকাছি এনে পুশইনের চেষ্টা করা হয়। তবে কুষ্টিয়ার ৪৭ বিজিবির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় এ ধরনের কোনো চেষ্টা সফল হয়নি।

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ৪৭ বিজিবির আওতাধীন কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্তের প্রায় ৪৬ কিলোমিটার এবং মেহেরপুরের গাংনী সীমান্তের ৩৬ কিলোমিটার এলাকায় বিজিবি সদস্যরা দিনরাত দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদারে বিভিন্ন বিওপিতে অতিরিক্ত জনবলও মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি সীমান্তবর্তী এলাকার স্থানীয় বাসিন্দারাও বিজিবির সঙ্গে সমন্বয় করে নজরদারি ও টহল কার্যক্রমে নানাভাবে সহযোগিতা করছেন।

বিজিবি সূত্র জানায়, স্থানীয় জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণের ফলে সীমান্তের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কার্যকর হয়েছে।

দৌলতপুর সীমান্তে চিলমারী ইউনিয়নের চল্লিশপাড়া এলাকার বাসিন্দা জাহিরুল ইসলাম জানায়, ভারত থেকে অবৈধভাবে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের যে চেষ্টা চলছে, তা আমরা কখনও হতে দেব না। বিজিবি যেভাবে দিন-রাত টহল পরিচালনা করছে, তাতে অবৈধ অনুপ্রবেশের কোনো সুযোগ নেই। সীমান্ত এলাকায় নিয়মিত মাইকিং ও বাঁশি বাজিয়ে সতর্কতামূলক কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। আমরাও সীমান্তবাসী হিসেবে বিজিবির সঙ্গে থেকে সীমান্ত সুরক্ষায় সহযোগিতা করে যাচ্ছি।

৪৭ বিজিবি কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশেদ কামাল রনি জানান, আমার দায়িত্বপূর্ণ কুষ্টিয়ার দৌলতপুর ও মেহেরপুরের গাংনী সীমান্ত এলাকা দিয়ে একাধিকবার পুশইনের চেষ্টা চালানো হয়েছে। আমরা কোনোভাবেই তা সমর্থন করিনি। সীমান্তে ২৪ ঘণ্টা টহল, মাইকিং ও সতর্কতামূলক কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। সম্ভাব্য পুশইন পয়েন্টগুলোতে গোয়েন্দা নজরদারি ও টহল জোরদার করা হয়েছে। স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় কয়েকগুণ বেশি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। প্রয়োজনে আরও জনবল বাড়ানো হবে। সীমান্ত রক্ষার প্রশ্নে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

কর্নেল রাশেদ কামাল রনি আরও জানান, এই অস্থিরতার মধ্যে সীমান্তে বসবাসরত বাংলাদেশি নাগরিকেরা আমাদের পাশে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছেন। তারা পালাক্রমে বিজিবির সঙ্গে টহল কার্যক্রমে সহযোগিতা করছেন। এ জন্য সীমান্ত এলাকার মানুষের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন

Continue Reading

top3

বিএনপি-জামায়াত ও আওয়ামী লীগের ত্রিমুখী সংঘর্ষ, আহত অনেকেই

Published

on

By

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে সরকারি খালের দখল ও মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জামায়াতের ত্রিমুখী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে নারী-পুরুষসহ অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (৫ জুন) সকালে উপজেলার খুঁটিকাটা-কাঠালবাড়িয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সংঘর্ষে আহতরা হলেন- আওয়ামী লীগ নেতা আজহারুল ইসলাম (৩৩), বিএনপি নেতা আশরাফ হোসেন (৬০), বিএনপি কর্মী কবির হোসেন (২৬), জামায়াত-শিবির কর্মী আব্দুল্লাহ মামুন সাদ (৩২), আরাফাত হোসেন (২৭), আক্তার হোসেন (২৬), নাজমা খাতুন (২২), মোমিন মোড়ল (৬৫) ও লায়লা বেগম (৬৫)।

স্থানীয়দের বরাতে জানা যায়, খালটি স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা আজহারুল ইসলামের নিয়ন্ত্রণে ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। সকালে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা ওই খালে মাছ ধরতে গেলে দুইপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। এক পর্যায়ে আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকালে জামায়াত নেতা শাহিন হোসেনের নেতৃত্বে অর্ধশতাধিক কর্মী খালে জাল ফেলে মাছ ধরতে শুরু করেন। পরে স্থানীয় ইউপি সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা আজহারুল ইসলামের অনুসারীরা বাধা দিলে সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও মারধরের ঘটনা ঘটে।

Continue Reading

Trending